রেমিট্যান্স হার কমছেই বাংলাদেশে
২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাস ২৩ দিনে (১লা জুলাই-২৩শে মে) ১২৬৮ কোটি ৪৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৩১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। যা একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে ৪৬ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, চলতি অর্থবছরের মে মাসের ২৩ দিনে ৯৫ কোটি ৭৩ লাখ ১০ হাজার ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এপ্রিল মাসে পাঠিয়েছেন ১২৩ কোটি ২৪ লাখ ১০ হাজার, যা মার্চ মাসে ছিল ১২৮ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার ডলার। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ১১৭ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার ও জানুয়ারিতে ১২৫ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার, ডিসেম্বরে ১২১ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার, নভেম্বরে ১০৬ কোটি ১৪ লাখ ৫০ হাজার, অক্টোবরে ১২৩ কোটি ৬ লাখ ৮০ হাজার, সেপ্টেম্বরে ১০২ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার, আগস্টে ১০০ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার, জুলাইয়ে ১২৩ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানার ব্যাংকগুলোর থেকে মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। কিন্তু এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৯ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। মে মাসের এ সময়ে বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এ রেমিট্যান্স এসেছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা আগের মাসে ছিল ১ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ডলার। একই সময়ে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৩ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে এসেছিল ৮০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বিদেশী খাতের ৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা এপ্রিলে ছিল ১ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স কমার কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তারা জানান, সমপ্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রফতানি কমে যাওয়াই দায়ী। এ ছাড়া বেশ কিছুদিন ধরে ডলারের বিপরীতে টাকার মান বাড়ায় প্রবাসীরা আগের মতো অর্থ দেশে পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছেন না।মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!