Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীন বিরোধ এবং কোন্দলের কারণে নিউইয়র্ক সফররত প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদের পূর্বনির্ধারিত ’’সর্বজনীন সংর্ধ্বনা” অনুষ্ঠান বাতিল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 173 বার

প্রকাশিত: June 18, 2014 | 4:43 AM

সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, ইউএসএ নিউজ অনলাইন, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের চরম অভ্যন্তরীন বিরোধ এবং কোন্দলের কারণে নিউইয়র্ক সফররত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদের পূর্বনির্ধারিত ’’সর্বজনীন সংর্ধ্বনা” অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে গেছে। পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী স্থানীয় সময় ১৭ জুন মঙ্গলবার বিকেলে নিউইয়র্কে লাগোর্ডিয়া হোটেল মেরিয়টে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। ঘোষনা অনুযায়ী নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন স্টেট থেকে এদিন দুপুর থেকে সেখানে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেন। বিকেলে হঠাত আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে নিরাপত্তাজনিত কারণে পূর্বনির্ধারিত এ প্রোগ্রাম বাতিল করা হয়েছে। যদিও রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো বিতর্কিত কোনো অনুষ্ঠানে তিনি যাবেন না।
এতে অনুষ্ঠানে আসা প্রবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মুহুর্তের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সংর্ধ্বনা বাতিল হবার খবরটি টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়ে যায়। এতে সর্বস্তরের প্রবাসীদের মধ্যে দারুণ ক্ষোভের সঞ্চার হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রবাসে এ প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রপতির জন্য সর্বজনীন সংর্ধ্বনা অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়া হয়, যাতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিসহ, অন্যান্য দল ও সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনকেও সম্পৃক্ত করা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক, আঞ্চলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এ অনুষ্ঠানে।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে সংবর্ধনা বাতিল হওয়ার ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে এ জন্য জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে দায়ী করেন। সংবর্ধনার স্থান লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেল লবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, কতিপয় ব্যক্তি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তোলে। তাদের পক্ষ নিয়ে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মোমেন রাষ্ট্রপতিকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, কার্যকরী সদস্য শাহানারা রহমান প্রমুখ।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদের সম্মানে প্রবাসীদের সংর্ধ্বনা প্রদানের জন্য একটি সর্বজনীন কমিটি গঠন করা হয়। ১৭ জুন মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সর্বজনীন গণ সংবর্ধনার সকল প্রস্তুতি যখন সম্পন্ন, রাষ্ট্র ও দেশের অভিভাবকের মুখ থেকে উৎসুক প্রবাসীরা দেশ সম্পর্কে জানার জন্য যখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান, ঠিক তখনই কুচক্রীমহলের ষড়যন্ত্রে প্রবাসীদের সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হলো। ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতির সম্মানে আয়োজিত অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। এর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের ও দেশের অভিভাবক। তিনি যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সেটাকেই মানতে হবে। তিনি বলেন, আমাকে বলা হয়েছিল প্রেসিডেন্টের জন্য সর্বজনীন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে। আমি সে চেষ্টাই করেছিলাম। এ লক্ষে গঠিত সর্বজনীন সংবর্ধনা কমিটিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী  লীগ ছাড়াও বিএনপিসহ, অন্যান্য দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী সংগঠনের নের্তৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করা হয়। যা ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বিরল। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা তা হতে দিলনা। এতে দল, দেশ ও রাষ্ট্রপতির সম্মান ক্ষুন্ন হলো। প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।
এবিষয়ে, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ বলেন, দলের কিছু ষড়যন্ত্রকারীদের কারনেই সংর্ধ্বনা অনুষ্ঠানটি বাতিল হয়েছে। অচিরেই এসব ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির সম্মানে প্রবাসীদের সংর্ধ্বনা প্রদানের জন্য গঠন করা কমিটিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সক্রিয় নেতা এবং সংগঠকদের রাখা হয়নি বলে অভিযোগ করে সোমবার রাতে আওয়ামীলীগের একাংশ হোটেলে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সংর্ধ্বনা অনুষ্ঠানে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এসময় তারা অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামীলীগ ও সরকারের বিরুদ্ধে সদা তৎপর লোকজনকে কথিত সংর্ধ্বনা কমিটিতে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ স¤্রাট, ডা. মুজিবুর রহমানসহ কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে তারা অভিযোগ করেন, সর্বজনীন সংর্ধ্বনার নামে রাষ্ট্রপতিকে বিব্রত করার জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে, সোমবার রাতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেনের বাসভবণে নৈশভোজে যোগ দেয়া রাষ্ট্রপতিকে একই অভিযোগ করে আওয়ামীলীগের কয়েকজন নেতা সংর্ধ্বনা অনুষ্ঠানে না যাওয়ার জন্য তাকে অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, তার সরকারী বাসভবণে রাষ্ট্রপতির সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হলেও বিনা আমন্ত্রণে আওয়ামীলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী তার বাস ভবণে যান, এতে তিনি বিব্রতবোধ করলেও সরকারি দলের লোকজন হওয়ায় সৌজন্যতার খাতিরে তিনি কিছু বলতে পারেননি। সংর্ধ্বনা অনুষ্ঠান বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের আনা অভিযোগ সম্পর্কে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সংবর্ধনা কর্মসূচির সঙ্গে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। সে কারণে তিনি এ ব্যাপারে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে অপারগ বলে জানান। তবে রাষ্ট্রপতি তার সঙ্গে থাকা সিনিয়র কর্মকর্তাদের পরামর্শেই সব করেছেন বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসান শুধু বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না। না যাবার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
অপর দিকে, সর্বজনীন সংবর্ধনা কমিটি যখন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিলো, তার কয়েক ঘন্টা আগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেলে নিউইয়র্ক সিটি আওয়ামীলীগ সভাপতি কমান্ডার নূর নবীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি অংশ জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামীলীগ নেতা কমান্ডার নুরুন্নবী, কাজী কয়েস, সাংগঠনিক সম্পাদক মহীউদ্দিন দেওয়ান, খোরশেদ খন্দকার, উপদেষ্টা সাইফুল ইসলাম রহিম, মোরশেদা জামান, ফরিদ আলম, সরাফ সরকার, জসিম উদ্দিন খান মিঠু, দুরুদ মিয়া রুনেল প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে এই সংবর্ধনার বিরোধিতা করে বলা হয়, দেশের রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা হতে হবে সর্বজনীন। অথচ সর্বজনীন সংবর্ধনার নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতা বিরোধী লোকজনকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত নিয়েও প্রকাশ্য সভায় প্রশ্ন তোলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও সবসময় কটূক্তি করেন। সংবাদ সম্মেলনে কমিটিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সক্রিয় নেতা এবং সংগঠকদের রাখা হয়নি বলেও তারা অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা অনুষ্ঠান মঞ্চে সর্বজন শ্রদ্ধেয় দল নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে সভাপতি করার দাবি জানান। কমিটি থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতা বিরোধী লোকজনদেও বাদ দেয়ারও দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে বিতর্কিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের প্রেসিডেন্ট ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমানই দায়ী।
জানা যায়, রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা, প্রস্তুতি সভা ও কমিটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই দলের অভ্যন্তরে চরম দ্বন্দ্ব চলছিল। সংবর্ধনা সভার কমিটিতে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কয়েকজনের নাম সস্পৃক্ত করা নিয়ে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। আর আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের এ মুখোমুখি অবস্থানের কারণেই রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি বিতর্কিত কোনো অনুষ্ঠানে যাবেন না এ কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সংশ্ল্ষ্টিদের।
এদিকে, ব্যাপক প্রচারের কারণে আশেপাশের স্টেট থেকে প্রবাসীরা মঙ্গলবার দুপুর থেকে সংর্ধ্বনা অনুষ্ঠানে আসতে শুরু করেন। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কিছুক্ষন আগে জানানো হয় রাষ্ট্রপতি সংর্ধ্বনা সভায় আসছেন না। সাধারণ প্রবাসীরা এ নিয়ে ক্ষোভ জানাতে থাকেন। নিত্য বিরোধে জড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ীমীলীগ নেতাদের কর্মকান্ডে হতাশা প্রকাশ করেন প্রবাসীরা। তারা রাষ্ট্রপতির মত একজন সজ্জনব্যক্তিকে সংর্ধ্বনা দিতে না পারা লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেন। সংর্ধ্বনা অনুষ্ঠান বাতিল হওয়ার কারনে প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে, নিউইয়র্কে নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন ইউএসএ ইনক’র স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উডসাইডের গুলশান টেরেসে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদকে সংর্ধ্বনা জানানোর কথা রয়েছে। কিশোরগঞ্জের প্রবাসী বাংলাদেশিদের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ যোগ দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া, রাষ্ট্রপতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সচিবালয় পরিদর্শন এবং ১৯ জুন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই বৈঠকে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ সামগ্রিক অগ্রগতিতে বাংলাদেশে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতির গুরুত্বকে তুলে ধরবেন। এ ছাড়া ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়েও জাতিসংঘ মহাসচিবকে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে পারেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি আগামী ২১ জুন নিউইয়র্ক ত্যাগ করে ২২ জুন সন্ধ্যায় দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV