Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

ব্রিটেনের সংখ্যালঘুরা চাকরি পেতে বৈষম্যের শিকার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 93 বার

প্রকাশিত: June 19, 2014 | 1:40 PM

তবারুকুল ইসলাম, লন্ডন : ব্রিটেনের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী (এথনিক মাইনোরিটি) শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের তুলনায় পড়াশুনায় ভাল করলেও কর্মক্ষেত্রে বা পেশা জীবনে একই রকম অগ্রগতি সাধন করতে পারেনি। উচ্চতর পদে সংখ্যালঘু শ্রেণীর চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা বাধা বিদ্যমান। বিশেষ করে দেশটির মুসলিম নারীরা শিক্ষিত হয়েও ধর্মীয় পোশাক পরিধানের কারণে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার। ‘এথনিক মাইনোরিটি: বেটার কোয়ালিফাইড উইথ ফিউয়ার অপরচুনিটিজ’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে। গত শুক্রবার এ প্রতিবেদনটি হাউজ অব লর্ডসের এক সেমিনারে উপস্থাপন করা হয়। ব্রিটেনের অ-ইউরোপীয় অভিবাসী এবং তাদের প্রজন্মই মূলত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। 

ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের প্রফেসার জেমস নাজরু, এন্থোনি হিথ এবং ইয়াওজান লি’র নেতৃত্বে ‘দি সেন্টার অন ডায়নামিক্স অব এথনিসিটি’ (সিওডিই) এই গবেষণা চালায়। গবেষণায় দেখা যায়, সেক্লোরি ধাপের শিক্ষায় বাংলাদেশি, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান, আফ্রিকান এবং আইরিশ শিক্ষার্থীরা জিসিএসই’তে ভাল ফলাফল করে তাদের শ্বেতাঙ্গ সহপাঠীদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তারা শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থীদের চাইতে বেশি সংখ্যক বিষয়ে এ স্টার পাচ্ছে। শুধু তাই নয়; কৃষ্ণাঙ্গ এবং অন্যান্য এথনিক কমিউনিটির সন্তানদের ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করে ডিগ্রি অর্জনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি সুবিধাবঞ্চিত পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিগ্রী অর্জনের হার বেড়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন অগ্রগতি সত্ত্বেও এসব কমিউনিটির লোকেরা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না। এ কারণে সামাজিক গতিশীলতার (সোশ্যাল মবিলিটি) ক্ষেত্রে তাদের অগ্রগতি থেমে আছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তরুণ ব্রিটিশ মুসলিম নারীদের প্রতি চাকরিদাতাদের বৈষম্যমূলক আচরণ তাদের চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হিসাবে প্রতীয়মান হয়েছে। বিশেষ করে ইসলামিক পোশাক- বোরকা, হিজাব কিংবা নিকাব পরিধান করা নারীরা সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার।
ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের ড. ব্রাউন বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সামাজিক গতিশীলতা অর্জনের জন্য উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং সরকারি খাতে কাজে নিয়োগ পাওয়াকে অন্যতম উপায় হিসাবে বিবেচনা করা হত। কিন্তু গত ২০ বছরের চিত্র তা ভুল প্রমাণ করেছে।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV