সাঈদীকে আটক রাখার নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

ঢাকা: একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি সাঈদীর বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কিত তদন্ত প্রতিবেদন বা অগ্রগতি প্রতিবেদন আগামী ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে দাখিলে তদন্ত সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত বলেন, তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দিলে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাঈদীর বিরুদ্ধে আটকাদেশ আরও বাড়ানো হবে কি-না তা আগামী ২৯ ডিসেম্বর শুনানি শেষে নির্ধারণ করা হবে। এর আগে ১২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজনে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে
করে সাঈদীকে আদালতে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলেন। গতকাল সকাল সোয়া ৯টায় ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুযায়ী সাঈদীকে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে পুরনো হাইকোর্ট ভবনে স্থাপিত ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় আনা হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় মানবতাবিরোধী অপরাধে তাকে আটক রাখতে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শুরু হয়।
এদিকে ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক জামায়াতের শীর্ষনেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ চার জনের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে তদন্ত সংস্থাকে পদক্ষেপ গ্রহণে অভিমত দেন। আদালত বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া আদেশ পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন পড়বে।
শুনানিতে সাঈদীর পক্ষে আইনজীবী তাজুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধ চলাকালে ক্যাপ্টেন এজাজের সঙ্গে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সাক্ষাৎ করেছেন বলে সরকারি কেঁৗসুলিরা অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এ বক্তব্য দিয়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয় না। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার সুখ্যাতি রয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাঈদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
সরকারি কেঁৗসুলি সৈয়দ হায়দার আলী এ প্রসঙ্গে আদালতে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পরে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করাসহ সব কর্মকাণ্ড স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে গণ্য হবে। এ সময় আদালত আইনজীবী তাজুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যুদ্ধ চলাকালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আরও যারা ছিল তাদের বাদ দিয়ে কেন শুধু সাঈদীকে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।
আদালত বলেন, তাহলে আপনারা কী ওই সময়ে যারা মন্ত্রী ও সাংসদ ছিলেন তাদেরও বিচার চাইছেন। জবাবে তাজুল বলেন, না। এ সময় সাঈদী নিজে এ বিষয়ে কিছু বলতে চাইলে আদালত আইনজীবীর মাধ্যমে বক্তব্য উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের