Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

ইন্টারনেট অব থিংস-এর জন্য নতুন স্ট্যান্ডার্ড

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 77 বার

প্রকাশিত: June 30, 2014 | 6:35 PM

মোজাহেদুল ইসলাম : 
রেফ্রিজারেটর, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিনের মতো ডিভাইসেও এখন যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট। আসছে দিনগুলোতে পুরো একটি বাড়ির সব ধরনের ডিভাইসকেই ইন্টারনেটে সংযুক্ত করে স্মার্ট হোম সিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে অ্যাপল। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো স্মার্ট সিটি তৈরির জন্যও কাজ করে যাচ্ছে। এভাবেই ইন্টারনেট অব থিংস ছড়িয়ে পড়ছে সব ধরনের ডিভাইসে। কিন্তু এত বৈচিত্র্যময় সব ডিভাইস ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে পড়লে এদের মধ্যেকার যোগাযোগ বর্তমান ব্যবস্থায় খুব বেশি সুবিধাজনক নয়। সব ডিভাইস ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে গেলে এদের জন্য থার্ড-পার্টি সফটওয়্যার তৈরি করতে গেলে সাধারণত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) উন্মুক্ত করে দিতে হয় মূল কোম্পানিকে। এই এপিআই ব্যবহার করেই থার্ড-পার্টি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়ে থাকে। কিন্তু যদি সব ধরনের ডিভাইসে ব্যবহারের উপযোগী সাধারণ কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকে, তাহলে সকলের জন্যই এসব ডিভাইসের প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি অনেক সহজ হয়ে যায়। সেই কাজটিই করছে যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক। দেশটির প্রায় ৪০টি প্রযুক্তি কোম্পানির গবেষকরা মিলে তৈরি করেছেন ‘হাইপার ক্যাট’ নামের বিশেষ এক স্পেসিফিকেশন তৈরি করেছেন যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত সকল ডিভাইসের ডাটা হাবের জন্য একটি সাধারণ অ্যাড্রেস বুক হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে আলাদা আলাদা করে একেকটি ডিভাইসের এপিআই জানার প্রয়োজন হবে না। ‘হাইপার ক্যাট’ ব্যবহার করেই সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে সক্ষম হবে। এটি সকলের জন্য উন্মুক্ত একটি স্ট্যান্ডার্ড এবং স্পেসিফিকেশন যা কি না তৈরি করা হয়েছে ওয়ার্ল্ড-ওয়াই-ওয়েবের আদলে। হাইপার ক্যাটের সাথে সংশ্লিষ্ট ইন্টারনেট অব থিংস স্টার্ট-আপ ১২৪৮-এর প্রধান নির্বাহী পিলগ্রিম বার্ট বলেন, ‘বর্তমানে সব ধরনের ডিভাইসই ইন্টারনেটে সংযুক্ত হচ্ছে। এসব ডিভাইস ওয়েব ইন্টারফেস ব্যবহার করলেও এদের প্রত্যেকের ইন্টারফেস প্রকৃতপক্ষে আলাদা। কিন্তু এদের মধ্যেকার যোগাযোগের জন্য উন্মুক্ত একটি স্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন তৈরি করা গেলে তা সকলের জন্যই সুবিধার হবে।’ ইন্টেল, আইবিএম, বিটি, এআরএম প্রভৃতি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো হাইপার ক্যাট উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।ইত্তেফাক
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV