Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 60 বার

প্রকাশিত: July 16, 2014 | 4:45 PM

বিশ্বজিত সাহা : ১৯ জুলাই ২০১২ প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ অকালে চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। ভাবলেই অবাক লাগে, এইতো সেদিন। নিউইয়র্কের নীলাকাশের ঝকঝকে রোদের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। চিকিৎসা করাতে আসা। সবকিছুই ঠিকভাবে
চলছিলো, যেভাবে তিনি চেয়েছিলেন। সফল সার্জারী হলো, বাড়ীতে ফিরলেন। কি আনন্দ তাঁর। এখনো জ্বল জ্বলে সে দৃশ্য। আনন্দে আত্মহারা তিনি। বাড়ী ফিরছেন সুস্থ্য হয়ে। চোখে-মুখে-সে প্রশান্তির অবয়ব। এক মিনিটও তর সইছিলো না, বাড়ীতে ফিরে যাবেন তখনি। যাবার সময় রোগীদের সাধারণতঃ ঔষধ নিয়ে যেতে হয়। চলে গেলেন ঔষধ সঙ্গে না নিয়েই। বললেন আমাকে বিশ্বজিত তুমি ঔষধ নিয়ে এসো, আমি বাড়ীতে যাচ্ছি। জানতাম, নিষাদ-নিনিতকে দেখার জন্য তাঁর ব্যাকুলতার কথা হাসপাতালে অবস্থান ছিল তাঁর সবচেয়ে কষ্টের। আজ বার বার মনে পড়ছে হুমায়ূন আহমেদ-এর কথা। তাঁর তো চলে যাবার কথা ছিলো না। তিনি তো সুস্থ্য হয়েই উঠেছিলেন। প্রতিটি ১৯ জুলাই মনে পড়বে, তাঁর চলে যাওয়ার কথা। মনে পড়ে প্রিয় লেখকের বেঁচে থাকার জন্য আকুল আগ্রহের কথা। ১২ জুন ২০১২ হলো সফল অস্ত্রোপচার। ১৯ জুন হাসতে হাসতে হাসপাতাল থেকে ওজোনপার্কেবার বাসায় ফেরা। তারপর আবার ২১ জুন জ্যামাইকা হাসপাতালের ইমাজেন্সীতে। কী হয়েছিল তাঁর। জ্যামাইকা হাসপাতালে বিকেল পর্যন্ত পড়ে থাকা এবং সর্বশেষে এম্বুলেন্সে করে বেলভ্যু হাসপাতালে ট্রান্সফার। সার্জারীর পর সার্জারী।
চিকিৎসকদের চেষ্টার ত্রুটি নেই। কিন্তু ক্ষতি যা হবার তাতো হয়ে গেছে। সে ক্ষতি কাটিয়ে আর তিনি উঠতে পারলেন না! ২০ জুন হুমায়ূন আহমেদ বাসায় একটি পার্টি দিয়েছিলেন? তারপর তাঁর চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়া। সার্জারীর সেলাই খুলে যাওয়া। অসহ্য যন্ত্রণায় ক্ষত
বিক্ষত প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ ১৯ জুলাই শেষদিন পর্যন্ত কাটিয়ে ছিলেন বেলভ্যু হাসপাতালের বিছানায়।
আজ বার বার মনে পড়ছে হুমায়ূন আহমেদকে ১৯ জুন বেলভ্যু হাসপাতাল থেকে যদি
ডিসচার্জ না করিয়ে আরো কিছুদিন হাসপাতালে রাখতে পারতাম। ট্রেইন্ড নার্সরা
তাঁর দেখা শুনা করতেন। সেলাইগুলো আরো শুকাবার সময় পেতো। তাহলে বোধহয়
অকালে আমরা হুমায়ূন আহমেদকে এভাবে হারাতে হতো না।
(বিশ্বজিত সাহা: সাংবাদিক, লেখক। ‘হুমায়ূন আহমেদ এর শেষদিনগুলো’ গ্রন্থের লেখক)

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ