Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 72 বার

প্রকাশিত: July 16, 2014 | 4:45 PM

বিশ্বজিত সাহা : ১৯ জুলাই ২০১২ প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ অকালে চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। ভাবলেই অবাক লাগে, এইতো সেদিন। নিউইয়র্কের নীলাকাশের ঝকঝকে রোদের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। চিকিৎসা করাতে আসা। সবকিছুই ঠিকভাবে
চলছিলো, যেভাবে তিনি চেয়েছিলেন। সফল সার্জারী হলো, বাড়ীতে ফিরলেন। কি আনন্দ তাঁর। এখনো জ্বল জ্বলে সে দৃশ্য। আনন্দে আত্মহারা তিনি। বাড়ী ফিরছেন সুস্থ্য হয়ে। চোখে-মুখে-সে প্রশান্তির অবয়ব। এক মিনিটও তর সইছিলো না, বাড়ীতে ফিরে যাবেন তখনি। যাবার সময় রোগীদের সাধারণতঃ ঔষধ নিয়ে যেতে হয়। চলে গেলেন ঔষধ সঙ্গে না নিয়েই। বললেন আমাকে বিশ্বজিত তুমি ঔষধ নিয়ে এসো, আমি বাড়ীতে যাচ্ছি। জানতাম, নিষাদ-নিনিতকে দেখার জন্য তাঁর ব্যাকুলতার কথা হাসপাতালে অবস্থান ছিল তাঁর সবচেয়ে কষ্টের। আজ বার বার মনে পড়ছে হুমায়ূন আহমেদ-এর কথা। তাঁর তো চলে যাবার কথা ছিলো না। তিনি তো সুস্থ্য হয়েই উঠেছিলেন। প্রতিটি ১৯ জুলাই মনে পড়বে, তাঁর চলে যাওয়ার কথা। মনে পড়ে প্রিয় লেখকের বেঁচে থাকার জন্য আকুল আগ্রহের কথা। ১২ জুন ২০১২ হলো সফল অস্ত্রোপচার। ১৯ জুন হাসতে হাসতে হাসপাতাল থেকে ওজোনপার্কেবার বাসায় ফেরা। তারপর আবার ২১ জুন জ্যামাইকা হাসপাতালের ইমাজেন্সীতে। কী হয়েছিল তাঁর। জ্যামাইকা হাসপাতালে বিকেল পর্যন্ত পড়ে থাকা এবং সর্বশেষে এম্বুলেন্সে করে বেলভ্যু হাসপাতালে ট্রান্সফার। সার্জারীর পর সার্জারী।
চিকিৎসকদের চেষ্টার ত্রুটি নেই। কিন্তু ক্ষতি যা হবার তাতো হয়ে গেছে। সে ক্ষতি কাটিয়ে আর তিনি উঠতে পারলেন না! ২০ জুন হুমায়ূন আহমেদ বাসায় একটি পার্টি দিয়েছিলেন? তারপর তাঁর চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়া। সার্জারীর সেলাই খুলে যাওয়া। অসহ্য যন্ত্রণায় ক্ষত
বিক্ষত প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ ১৯ জুলাই শেষদিন পর্যন্ত কাটিয়ে ছিলেন বেলভ্যু হাসপাতালের বিছানায়।
আজ বার বার মনে পড়ছে হুমায়ূন আহমেদকে ১৯ জুন বেলভ্যু হাসপাতাল থেকে যদি
ডিসচার্জ না করিয়ে আরো কিছুদিন হাসপাতালে রাখতে পারতাম। ট্রেইন্ড নার্সরা
তাঁর দেখা শুনা করতেন। সেলাইগুলো আরো শুকাবার সময় পেতো। তাহলে বোধহয়
অকালে আমরা হুমায়ূন আহমেদকে এভাবে হারাতে হতো না।
(বিশ্বজিত সাহা: সাংবাদিক, লেখক। ‘হুমায়ূন আহমেদ এর শেষদিনগুলো’ গ্রন্থের লেখক)

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV