মাত্রাতিরিক্ত লবণ খেয়ে সাড়ে ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু
নতুন এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, সারা বিশ্বেই মানুষ শারীরিক চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ লবণ খান। তাদের এ খাদ্যাভ্যাসই তাদের অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশ্বে শুধু লবণের কারণে হার্টের সমস্যা আক্রান্ত হয়ে বছরে সাড়ে ১৬ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করছেন। অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাসে উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে, যা হার্টের অসুখ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ ঝুঁকি সৃষ্টি করে। ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন’ সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। হার্ভাড ও টাফঅট্স ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা বিশ্বের ৬৬ দেশের মানুষের ওপর ২০৫টি জরিপ পরিচালনা করেন। জরিপে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। বিশ্বজুড়ে যে সাড়ে ১৬ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটছে, তার মধ্যে শুধু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রতি ১০ জনে ১ জনের মৃত্যু হচ্ছে। টাফট্স ইউনিভার্সিটির ‘ফ্রিয়েডম্যান স্কুল অব নিউট্রিশন সায়েন্স অ্যান্ড পলিসি’র ডীন দারিউশ মোজাফফারিন এ তথ্য জানান। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশে খাদ্যের সঙ্গে সোডিয়াম গ্রহণের ব্যাপারে শক্ত নীতি নির্ধারণের প্রওেয়াজন হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন তিনি। ২০১০ সালে সারা বিশ্বে মানুষ গড়ে ৩ দশমিক ৯৫ গ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করছিলেন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত স্বাভাবিক মাত্রার দ্বিগুণ। সাহারা মরুভূমি-বেষ্টিত আফ্রিকার দেশগুলোতে ২ দশমিক ১৮ গ্রাম থেকে মধ্য এশিয়ায় ৫ দশমিক ৫১ গ্রাম পর্যন্ত লবণ গ্রহণ করছেন মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন মার্কিনিরা গড়ে খাদ্যের সঙ্গে ৩ দশমিক ৬ গ্রাম লবণ খান। প্রতিদিন ২ হাজার ৩০০ মিলিগ্রাম বা ২ দশমিক ৩ গ্রাম লবণ গ্রহণের নিদের্শনা রয়েছে মার্কিন সরকারের। বিজ্ঞানীরা বলছেন, অচিরেই লবণ গ্রহণের মাত্রা না কমানো হলে, আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে বিশ্ব।মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!