Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

৯/১১ : হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর স্মৃতি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 24 বার

প্রকাশিত: September 11, 2014 | 1:50 PM

‘স্বর্গ থেকে তুমি দেখতে পাবে’—সোনালি ফ্রেমের চশমার পেছনে কাগজে গোটা গোটা হরফে লেখা কথাগুলো। প্রিয় মানুষটি ব্যবহার করত এই চশমা। চশমার সেই মানুষটা হারিয়ে গেছে ১৩ বছর আগে। তবুও সে দেখা দেয় এ চশমার কাচে, লেন্সের ফাঁকে।
এমনই হাজারো স্মৃতি-ভালোবাসার গল্প জমা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আলবানির নিউইয়র্ক স্টেট মিউজিয়ামের ‘ফ্যামিলি রুমে’।
আজ বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারসহ কয়েক লক্ষ্যবস্তুতে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ত্রয়োদশ বার্ষিকীকে নতুন করে তৈরি করা ওই ফ্যামিলি রুম সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ওই হামলায় প্রাণ হারান প্রায় তিন হাজার মানুষ। এই মানুষেরা না-ফেরার দেশে পাড়ি জমালেও তাঁরা পৃথিবীতে রেখে গেছেন অনেক স্মৃতি। ফ্যামিলি রুমে থাকা সেই স্মৃতিগুলো এখন থেকে সবাই তা ভাগাভাগি করে নিতে পারবেন।
২০০২ সালের এপ্রিলে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উল্টো দিকে ওয়ান লিবার্টি প্লাজার একটি কক্ষে ফ্যামিলি রুমের যাত্রা শুরু হয়। সেখানে ঠাঁই পায় নিহত ব্যক্তিদের নানা স্মৃতি-স্মারক। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোই এগুলো জমা করে। স্বজনেরা সেখানে একান্তে জড়ো হয়ে প্রিয়জনকে স্মরণ ও শোক ভাগ করে নিতেন। বিশেষ এই কক্ষে বাইরের লোকজনের প্রবেশাধিকার ছিল না।
পরে আলবানির নিউইয়র্ক স্টেট মিউজিয়ামে ফ্যামিলি রুমটি স্থানান্তর করা হয়েছে। এ উদ্যোগে সহায়তা করে লোয়ার ম্যানহাটন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন। স্মৃতিশালাটি এখন সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সশরীরে কিংবা অনলাইনে এই স্মৃতিশালা পরিদর্শন করা যাবে।
নিউইয়র্ক স্টেট মিউজিয়ামের পরিচালক মার্ক এ স্কেমিং বলেন, নিহত প্রায় এক হাজার ব্যক্তির স্মৃতিচিহ্ন এই সংগ্রহশালায় স্থান পেয়েছে। ৯/১১-এ নিহত ব্যক্তিদের এটিই সবচেয়ে বড় একক সংগ্রহশালা।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ