Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

৯/১১ : হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর স্মৃতি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 143 বার

প্রকাশিত: September 11, 2014 | 1:50 PM

‘স্বর্গ থেকে তুমি দেখতে পাবে’—সোনালি ফ্রেমের চশমার পেছনে কাগজে গোটা গোটা হরফে লেখা কথাগুলো। প্রিয় মানুষটি ব্যবহার করত এই চশমা। চশমার সেই মানুষটা হারিয়ে গেছে ১৩ বছর আগে। তবুও সে দেখা দেয় এ চশমার কাচে, লেন্সের ফাঁকে।
এমনই হাজারো স্মৃতি-ভালোবাসার গল্প জমা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আলবানির নিউইয়র্ক স্টেট মিউজিয়ামের ‘ফ্যামিলি রুমে’।
আজ বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারসহ কয়েক লক্ষ্যবস্তুতে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ত্রয়োদশ বার্ষিকীকে নতুন করে তৈরি করা ওই ফ্যামিলি রুম সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ওই হামলায় প্রাণ হারান প্রায় তিন হাজার মানুষ। এই মানুষেরা না-ফেরার দেশে পাড়ি জমালেও তাঁরা পৃথিবীতে রেখে গেছেন অনেক স্মৃতি। ফ্যামিলি রুমে থাকা সেই স্মৃতিগুলো এখন থেকে সবাই তা ভাগাভাগি করে নিতে পারবেন।
২০০২ সালের এপ্রিলে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উল্টো দিকে ওয়ান লিবার্টি প্লাজার একটি কক্ষে ফ্যামিলি রুমের যাত্রা শুরু হয়। সেখানে ঠাঁই পায় নিহত ব্যক্তিদের নানা স্মৃতি-স্মারক। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোই এগুলো জমা করে। স্বজনেরা সেখানে একান্তে জড়ো হয়ে প্রিয়জনকে স্মরণ ও শোক ভাগ করে নিতেন। বিশেষ এই কক্ষে বাইরের লোকজনের প্রবেশাধিকার ছিল না।
পরে আলবানির নিউইয়র্ক স্টেট মিউজিয়ামে ফ্যামিলি রুমটি স্থানান্তর করা হয়েছে। এ উদ্যোগে সহায়তা করে লোয়ার ম্যানহাটন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন। স্মৃতিশালাটি এখন সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সশরীরে কিংবা অনলাইনে এই স্মৃতিশালা পরিদর্শন করা যাবে।
নিউইয়র্ক স্টেট মিউজিয়ামের পরিচালক মার্ক এ স্কেমিং বলেন, নিহত প্রায় এক হাজার ব্যক্তির স্মৃতিচিহ্ন এই সংগ্রহশালায় স্থান পেয়েছে। ৯/১১-এ নিহত ব্যক্তিদের এটিই সবচেয়ে বড় একক সংগ্রহশালা।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV