লাইভ২ওয়েব.টিভির নিউইয়র্ক জার্নালে ড. মোমেন : সাফল্যের দৃষ্টান্ত হবে বাংলাদেশ
Watch recorded video of ‘the New York Journal’ Live Talk show with Dr . A K Abdul Momen , Ambassador and PR to the UN.
On Aired by LIVE2WEB.TV
The New York Journal with Dr A K Abdul Momen
This is Archieve website of LIVE2WEB.TV – For our main website please visitwww.live2web.tv
WWW.LIV2WEB.NET
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : অনলাইন ভিত্তিক প্রথম বাংলাদেশী অনলাইন টিভি “লাইভ২ওয়েব.টিভি”তে নিউইয়র্ক সময় ১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার সাপ্তাহিক আজকালের নির্বাহী সম্পাদক এবং ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম এর সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম এর উপস্থাপনায় টক শো “নিউইয়র্ক জার্নাল” সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩ টায় সম্প্রচারিত টক্ শো “নিউইয়র্ক জার্নাল” এ আমন্ত্রিত অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও অ্যাম্বাসেডর ড. এ কে আব্দুল মোমেন। অনুষ্ঠানের অতিথি ড. মোমেন জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন এর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে প্রানবন্ত আলোচনা করেন। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন ছাড়াও বিশ্ব শান্তি, রাজনীতি, অর্থনীতি, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকুরি, ব্যবসা, বানিজসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও খোলামেলা আলোচনা ও মতামত ব্যক্ত করেন “নিউইয়র্ক জার্নাল” এ।
টক শোতে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জাতিসংঘে সবসময় বাংলাদেশের প্রশংসা করা হয়। কারণ বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। বিশ্বে সাফল্যের দৃষ্টান্ত হবে বাংলাদেশ। নানা অপপ্রচারের পরও জাতিসংঘ বাহিনীতে বাংলাদেশি সৈন্য বাড়ছে। এ সময় ড. মোমেন জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন ছাড়াও বিশ্বশান্তি, রাজনীতি, অর্থনীতি, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি, ব্যবসা-বাণিজসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করেন ।
টক শোতে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, জাতিসংঘে সব সময় বাংলাদেশের প্রশংসা করা হয়। অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের ইমেজ এখন অনেক ওপরে। এ ইমেজ ধরে রাখতে হবে। তিনি বলেন, মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি)-এর মেয়াদ আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে শেষ হচ্ছে। সে কারণে এখন নতুন করে পরিকল্পনা করা হবে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি)। আগামী ত্রিশ বছর কি হবে কি কি করণীয় সেটা ঠিক করতে হবে। ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডা থাকতে হবে ২০৫০ সাল পর্যন্ত। এসব ইস্যুতে বাংলাদেশেরও অংশীদারিত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের তরফ থেকে এসব বিষয়ে বক্তব্য রাখতে হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কথা বলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী কথা বললে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। তিনি বলেন, ক্লাইমেট চেঞ্জ, টেকনোলজির অনেক পরিবর্তন হবে, আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুও সামনে আসবে। ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশ জোরালো ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বড় বড় দেশগুলোর আগ্রহ কম হলেও ছোট ছোট দেশ বাংলাদেশের পক্ষে রয়েছে।
ড. মোমেন জানান, আগামী ২২ সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিউইয়র্কে আসছেন। ওই সময়ে জাতিসংঘের বেশ কটি বৈঠকে যোগ দিতে পারেন তিনি। এ ছাড়াও ওই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আব্দুল মোমেন জানান, এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপতিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনো কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়নি।
ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক নম্বর সৈন্য প্রেরণকারী দেশ। জাতিসংঘ বাংলাদেশের ব্যাপারে সব সময় ইতিবাচক। অথচ বাংলাদেশে রাজনৈতিক কোনো সমস্যা দেখা দিলে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতিসংঘের কথা না শুনলে জাতিসংঘ তাদের মিশন থেকে সাড়ে আট হাজার বাংলাদেশী সৈন্য ফেরত পাঠিয়ে দেবে, সৈন্য নিয়োগ বন্ধ করে দেবে ইত্যাদি ইত্যাদি, এটা ঠিক না। এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, যখন এই ধরনের প্রচারণা চলছিলো তার ঠিক এক সপ্তাহ আগেই আমি নতুন করে জাতিসংঘে ১২০০ সৈন্য পাঠানোর অর্ডার পেয়েছি। অগ্রিম পেয়েছি ৩৯ মিলিয়ন ডলারের চেকও। চুক্তিও স্বাক্ষর হয়ে গেছে। আরো কয়েকটি অর্ডার পেয়েছি। চেষ্টা করছি সৈন্য সংখ্যা আরো বাড়ানোর জন্য। এটা নিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে দেনদরবার করছি। জাতিসংঘ বাংলাদেশ থেকে আগামী এক বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সৈন্য আনবে। তিনি জানান, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী মিশনের ব্যাপারে মহাসচিব বান কি মুন খুবই খুশি। বাংলাদেশ নিয়ে বাংলাদেশের অনেকে যতো বিরুদ্ধাচারণ করে জাতিসংঘ ও জাতিসংঘের কেউ তা করে না। বরং জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রশংসা করা হয়। তিনি বলেন, দেশের সমস্যা দেশেই সমাধান করতে হবে। জাতিসংঘও মনে করে বাংলাদেশ রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বাংলাদেশের চমৎকার সম্পর্ক বিরাজমান। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অনেক গুরুত্ব দেয়। জাতিসংঘে বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের সাথে পরামর্শ করে। সাফল্যের দৃষ্টান্ত হবে বাংলাদেশ।
ড. মোমেন জানান, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ২৭ সেপ্টেম্বর শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। ওই একই দিন বিকেলে নিউইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বক্তৃতা রাখারও কর্মসূচি চূড়ান্ত। গ্লোবাল সিটিজেন ফেস্টিভ্যাল-২০১৪-এর এই আয়োজনে বিশ্বের বেশ কটি দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানরা অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখবেন। এরই মধ্যে জানানো হয়েছে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশকে সাকসেস স্টোরি হিসেবে উপস্থাপন করা হবে এই গ্লে¬াবাল সিটিজেন ফেস্টিভ্যালে।
ড. মোমেন বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন হতে চলেছে। গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা নাগরিকরা এই উৎসবে যোগ দেবেন। যাদের কাছে অন্যতম আকর্ষণই হয়ে থাকবে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা। ৬০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতার সেন্ট্রাল পার্কে এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের যারা অংশ নিতে চান তাদের এখনই অনলাইনে যঃঃঢ়://িি.িমষড়নধষপরঃরুবহ.ড়ৎম এই ওয়েবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলেও জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র সফররত “লাইভ২ওয়েব টিভি’র সিইও এস এস রহমান শিমুলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে “নিউইয়র্ক জার্নাল” অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেন দেওয়ান বজলু ও ক্যামেরায় ছিলেন তানভির আহমেদ সুমন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি “লাইভ২ওয়েব টিভি’র ঢাকা ষ্টুডিও থেকে কন্ট্রোল করা হয়। অনুষ্ঠান টি “ইটিভি নিউজ২৪.কম”ও সরাসরি সম্প্রচার করে সারা বিশ্বে।
উল্লেখ্য, প্রতি মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টায় লাইভ২ওয়েব.টিভি’র নিউইয়র্ক স্টুডিও থেকে সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম এর উপস্থাপনায় টক্ শো “নিউইয়র্ক জার্নাল” সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। লাইভ দেখতে ভিজিট করুন “লাইভ২ওয়েব.টিভি”। সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো আর্কাইভ এ সংরক্ষিত থাকে, যেকোনো সময় দেখা যায়।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!