যুক্তরাষ্ট্রে ৪০০ ধনকুবেরের হাতে ২.২৯ ট্রিলিয়ন সম্পদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে ধনী আর গরিবের ব্যবধান। বাড়ছে সামাজিক বৈষম্যও। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিজনেস ম্যাগাজিন ফোরবস জানায়, দেশটির ধনকুবেরদের সম্পদের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সাধারণ আট-দশটি পরিবারের বার্ষিক আয়ের ওপরও প্রভাব পড়ছে।
ফোরবস যুক্তরাষ্ট্রের ৪০০ ধনকুবেরের একটি তালিকা করেছে। এতে দেখা গেছে মাত্র এ কয়জন লোকের হাতেই ২.২৯ ট্রিলিয়ন সম্পদ রয়েছে।
তাদের এ প্রতিবেদন স্টক মার্কেট এবং করপোরেট জগতে আলোড়ন উঠেছে। এ নিয়ে দেশটির প্রভাবশালী পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে বিষদ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।
প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসেবে ২০০৮ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর প্রেসিডেন্ট বুশ এবং ওবামার নীতিকেই দায়ী করা হয়।
ফোরবস-এর এ প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের ৪০০ ধনী ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই কাছাকাছি বয়সের। পুঁজি বিনিয়োগ করে এ বয়সীরাই সাফল্যের মুখ দেখছেন। এতে ধনকুবের গোষ্ঠীরা বিশেষ অবস্থানে চলে যাচ্ছেন। অন্যদিকে সাধারণ পরিবারগুলো সাধারণই রয়ে যাচ্ছে। এমনকি সাধারণ পরিবারগুলোর বার্ষিক আয়ও পাঁচ শতাংশ কমে এসেছে।
গবেষণায় উঠে আসে, অধিকাংশ ধনকুবেররা লভ্যাংশের খুব কম অংশই মৌলিক সামাজিক কল্যাণমূলক খাতে ব্যয় করছেন। তবে গত সপ্তাহে জরুরি অর্থনৈতিক স্থিতিশীল আইন ২০০৮-এর ষষ্ঠ বার্ষিকীতে ৭০০ মিলিয়ন ডলার অস্থির সম্পদ ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ করা হয়।
ফোরবস জানায়, তালিকার ৪০০ লোকের সম্পত্তি ২০০৯ সালে ১.২৭ ট্রিলিয়ন ডলার ছিল। সেটা বেড়ে এখন দ্বিগুণে পরিণত হয়েছে।
তালিকার প্রথম নামটি মাইক্রোসফট কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এর। তিনি ২১ বছর ধরে প্রথম অবস্থানেই আছেন। গত বছর থেকে এ বছর পর্যন্ত তার সম্পদ ৯ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ৮১ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ৩১ বিলিয়ন ডলার।
দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন বিনিয়োগকারী ওয়ারেন্ট বাফেট। তার সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮.২ বিলিয়ন ডলারে। এক বছরে বেড়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত তার বেড়েছে ৩০ বিলিয়ন ডলার।
ধনকুবেরদের তালিকায় তৃতীয় নামটি ওরাকলের সিইও ল্যারি এলিসনের। ২০০৯ সাল থেকে তার সম্পদ দ্বিগুণ হয়ে এখন দাঁড়িয়েছে ৪৮.৭ বিলিয়ন ডলারে।
তালিকার ১১ নাম্বার নামটি ফেসবুক সিইও মার্ক জুকারবার্গের। তার সম্পদ ৩৪.১ বিলিয়ন ডলার। ২০০৯ সাল থেকে জুকারবার্গের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ সতের গুণ। গত বছর বেড়েছে ১৫ বিলিয়ন ডলার।আমার দেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!