Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

অপরাধ-জিন শনাক্ত!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 85 বার

প্রকাশিত: October 30, 2014 | 2:03 AM

মানুষ কি জন্মসূত্রেই ভয়ংকর অপরাধী হয়? নাকি শৈশব থেকে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণেই অপরাধজগতে প্রবেশ করে? মনোবিজ্ঞানীদের কাছে এটি বহু পুরোনো প্রশ্ন।
কেউ কেউ মনে করেন, অপরাধী হওয়ার জন্য দায়ী প্রায় অর্ধেক কারণ একজন মানুষের জিনগত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। আর সেগুলোই মস্তিষ্কের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অপরাধ তৎপরতার দিকে মানুষকে ধাবিত করে। তবে বিজ্ঞানীদের ওই ধারণার পক্ষে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব রয়েছে।
ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী গত মঙ্গলবার জানান, তাঁরা সুনির্দিষ্ট দুটি জিন শনাক্ত করেছেন, যেগুলোর উপস্থিতি পরিপূর্ণ অবস্থায় সহিংস অপরাধীদের মধ্যে ‘তুলনামূলক বেশি পরিমাণে’ দেখা যায়। কারাবন্দী প্রায় ৮০০ জন ভয়ংকর এবং তুলনামূলক কম সহিংস অপরাধীর ওপর জরিপ চালিয়ে গবেষকেরা এমএওএ এবং সিডিএইচথারটিন নামের ওই দুটি জিনের উপস্থিতির তারতম্য খুঁজে পান। পাশাপাশি নিরপরাধ সাধারণ মানুষকেও এ জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন মলিকিউলার সাইকিয়াট্রি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষকেরা মানুষের অপরাধী হওয়ার জন্য দায়ী পরিবেশগত বিভিন্ন উপাদান খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেন—তাদের নিপীড়িত হওয়ার ইতিহাস, সমাজবিরোধী চেতনা বা শৈশবকালীন কোনো বেদনাদায়ক স্মৃতি আছে কি না। তবে এতে গবেষণার ফলাফলে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁরা আগেই অনুমান করেছিলেন, মানবদেহের আণবিক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য জিনেরও ভূমিকা থাকতে পারে।
এমএওএ জিন ডোপামিনের বিপাকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এই ডোপামিন একটি স্নায়বিক পরিবাহী, যা আসক্তি এবং আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা অর্জনের ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। আর সিডিএইচথারটিন জিনটি আবেগ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া এটি অ্যাটেনশন ডিফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিজঅর্ডার (এডিএইচডি) রোগের সঙ্গেও জড়িত থাকতে পারে। বিজ্ঞানীদের এই অনুসন্ধানে অপরাধের নেপথ্যে জন্মগত বৈশিষ্ট্য বনাম বেড়ে ওঠার প্রকৃতি নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, তাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
সুইডেনের কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের স্নায়ুবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক জ্যারি টিহোনেন বলেন, তাঁরা যে দুটি জিন খুঁজে পেয়েছেন সেগুলো মানুষের আগ্রাসী আচরণের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। তবে তাঁদের অনুসন্ধানের এই ফলাফলে অপরাধীদের দায় সম্পর্কে প্রচলিত ধারণায় কোনো পরিবর্তন হবে না।
টিহোনেন আরও বলেন, ফরেনসিক মনস্তত্ত্বের মৌলিক নীতি অনুযায়ী, কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা বা সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে জিনগত বৈশিষ্ট্য বা দুর্ঘটনায় মস্তিষ্কের আঘাতপ্রাপ্তি ইত্যাদি কারণ কোনো ভূমিকা রাখবে না। ফিনল্যান্ডের ওই গবেষণা অন্যান্য দেশের মানুষের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হলেও দরিদ্র দেশগুলোর জন্য নয়। কারণ, এসব দেশে অপরাধ সংঘটনের নেপথ্যে দারিদ্র্যের মতো সামাজিক সমস্যাগুলো অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।
যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম ড্যাভিস সুইডেনের ওই গবেষণার প্রতিক্রিয়ায় মন্তব্য করেন, এই দুটি জিনের উপস্থিতি দেখে সহিংস অপরাধীদের প্রাথমিক পর্যায়েই চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। গবেষণাটি নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক রোগের চিকিৎসায়ও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সূত্র: এএফপি।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV