Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘের সাউথ সাউথ কো-অপারেশন ভিশনারী এওয়ার্ড লাভ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 127 বার

প্রকাশিত: November 21, 2014 | 11:42 PM

ওয়াশিংটন থেকে এনা: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সাউথ সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো (জিএসএসডি এক্সপো) এর সমাপনী উৎসবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন ভিশনারী এওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। গদ ২১ নভেম্বর শুক্রবার সকালে শেখ হাসিনার পক্ষে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর পুত্র ও প্রধানমন্ত্রীর অবৈতনিক তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হামিনার বাণী পড়ে শোনান এবং বক্তব্য রাখেন। তাৎক্ষণিক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত গণমাধ্যমকে বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে শেখ হাসিনা প্রশাসনের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে এই এওয়ার্ড তারই স্বীকৃতি।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও প্রেসিডেন্ট, হাই লেভেল কমিটি অন সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন ড.এ.কে আব্দুল মোমেন। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে গ্লোবাল সাউথ-সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো ২০১৪-এ অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের সরকারি, বেসরকারি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকবৃন্দ, জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উপ-প্রধান মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
ডিজিটাল ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে নেয়া এবং শিক্ষার প্রসারে বৈপ্লবিক ধ্যান-ধারণার সমন্বয়ের জন্য শেখ হাসিনাকে এ এওয়ার্ডের জন্য মনোনীত করা হয়। এবার মানবতার কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে আরোও ৬ ব্যক্তি ও রাষ্ট্রকে এওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। এরমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, কাতার, অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেস, গ্রুপ চীপ এক্সিকিউটিভ এডেক ইননোভেশন, ল্যাটিন আমেরিকান সাউথ সাউথ কান্ট্রিজ এসোসিয়েশন।
উল্লেখ্য, মেধা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বিশ্বকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়ে শতাধিক দেশের মন্ত্রী, কূটনীতিক, নীতি-নির্ধারক, শীর্ষস্থানীয় এনজিও ব্যক্তিত্ব, সমাজ সংগঠক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ, জাতিসংঘের সকল সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ৫ শতাধিক প্রতিনিধির অংশগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ১৭ নভেম্বর সোমবার ‘গ্লোবাল সাউথ সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো’ শুরু হয়ে ২১ নভেম্বর শেষ হয়েছে।
জাতিসংঘের ‘গ্লোবাল সাউথ সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসন বাংলাদেশে তৃণমূলে তথ্য- প্রযুক্তির প্রসার, সর্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন, সর্ব সাধারণের কাছে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেয়া, সামাজিক নিরাপত্তার মাধ্যমে সমাজে অবহেলিত মানুষের জীবন ধারার মানোন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনে অগ্রগতি এবং সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বিশ্ব দরবারে রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপনের জন্য এই ‘ভিশনারী এওয়ার্র্ড’ পাবার যোগ্যতা অর্জন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দারিদ্র বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং জনসংখ্যার সুব্যবস্থাপনা, শিক্ষার প্রসার, লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন, জ্বালানী, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাসম্পন্নরা বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা করেছেন এ এক্সপোতে। ‘২০১৫ পরবর্তী বিশ্বকে কীভাবে দেখতে চাই’ সে আলোকে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সেক্টরের কর্মকর্তারাও মতামত ব্যক্ত করেছেন। ‘অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটস’ (ওএএস) এবং জাতিসংঘের ‘সাউথ সাউথ কো-অপারেশন’ অফিস যৌথভাবে বার্ষিক এ এক্সপোর আয়োজন করেছে। ২০০৮ সাল থেকে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বার্ষিক এ সমাবেশ হয়ে আসছে। এবারের আয়োজনটি ছিলো সপ্তম এক্সপো।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পরিবেশ এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষিণের দেশগুলোর সামগ্রিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার দিগন্ত বিস্তৃত করার অভিপ্রায়ে ২০০৮ সালে জাতিসংঘে সাউথ সাউথ কো-অপারেশন অফিস স্থাপন করা হয়। প্রতি বছরের সমাবেশে উন্নত বিশ্বের উন্নয়ন পরিক্রমার অভিজ্ঞতা অবহিত হয়ে উন্নয়নশীল বিশ্বে সেই ধারা প্রবাহিত করার ক্ষেত্রে এই সম্মেলনের গুরুত্ব অপরিসীম।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV