Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 139 বার

প্রকাশিত: December 10, 2014 | 5:46 PM

.শুভংকর কর্মকার : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। অর্থাৎ রপ্তানি কার্যত আগের বছরের চেয়ে কমছে।
চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) দেশটিতে ৪১৯ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়। এই আয় গত বছরের একই সময়ের ৪৩০ কোটি ডলারের চেয়ে আড়াই শতাংশ কম। নয় মাস শেষে ছিল দেড় শতাংশ কম। অবশ্য চলতি বছরের দ্বিতীয় মাস থেকে ধারাবাহিকভাবে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।
বাংলাদেশের রপ্তানি কমলেও বিভিন্ন দেশ থেকে পোশাক আমদানি ঠিকই বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এই বাজারে প্রবৃদ্ধি বিচারে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম, ভারত ও মেক্সিকো এগিয়ে গেছে। তবে শেষের দুই দেশ পরিমাণের দিক দিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এখনো বেশ পিছিয়ে আছে।
আলোচ্য সময়ে সাত হাজার কোটি ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা আগের বছরের একই সময়ের ছয় হাজার ৭৯৭ কোটি ডলারের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্স অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) ৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।
গত বছর রানা প্লাজা ধস যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হ্রাসের প্রধান কারণ বলছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, ভবন ধসের পর যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান শেয়ারড বিল্ডিংয়ে কাজ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। তবে ইতিমধ্যে দুই হাজার ১৯৩ কারখানা পরিদর্শন করেছে ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বন্ধ হয়েছে মাত্র ২৯ কারখানা। বাকিগুলো ঝুঁকিমুক্ত, এই ইতিবাচক খবর পেয়ে ক্রেতারা আবারও ফিরছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে অনুষ্ঠিত ঢাকা অ্যাপারেল সামিটে অংশ নিতে আসেন আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের (এএএফএ) ভাইস প্রেসিডেন্ট নেট হারম্যান। গত সোমবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্যাপ, ওয়ালমার্টের মতো ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানগুলো সাবকন্ট্রাক্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের অনেক কারখানা থেকে পোশাক কেনে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পরে অনেক ব্র্যান্ড এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। কর্মপরিবেশ পরিস্থিতির উন্নতি হলেই এসব ব্র্যান্ড বড় আকারের কার্যাদেশ দেওয়া শুরু করবে।’
জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, বর্তমানে পোশাক কারখানাগুলোতে প্রচুর ক্রয়াদেশ আসছে। ফলে আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চে এই পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যাবে। তিনি বলেন, অ্যাপারেল সামিটে অংশ নিতে আসা যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য দেশের ক্রেতারা বেশ কয়েকটি কারখানা ঘুরে দেখেছেন। তাঁরা কারখানার কর্মপরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট ও আত্মবিশ্বাসী।
অটেক্সার পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ ১৩৮ কোটি ৮৬ লাখ বর্গমিটার সমপরিমাণ তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। গত বছর একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১৪৭ কোটি ৩৮ লাখ বর্গমিটার। সেই হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঋণাত্মক, ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অন্যদিকে অর্থের হিসাবে ৪১৯ কোটি ৬২ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের ৪৩০ কোটি ডলারের চেয়ে ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ কম। তবে প্রবৃদ্ধি কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের বাজার হিস্যার চতুর্থ অবস্থান এখনো ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। যদিও শতাংশ হিসাবে গত বছর ছয় দশমিক ২১ থাকলেও এ বছর তা কমে হয়েছে পাঁচ দশমিক ৯৬। আগের তিন অবস্থানে আছে যথাক্রমে চীন, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া।
অটেক্সার হিসাব অনুযায়ী, বছরের প্রথম ১০ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া সাত হাজার কোটি ডলারের মধ্যে চীনের দুই হাজার ৫৬২ কোটি ডলার। তার পরের অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম, ৭৯৩ কোটি ডলার। তৃতীয় অবস্থানে ইন্দোনেশিয়া, ৪২০ কোটি ডলার।
বাংলাদেশের চিত্র
অর্থের হিসাবে পরিমাণে*
রপ্তানি ৪১৯.৬২ ১৩৮
প্রবৃদ্ধি -২.৫৩% -৫.৭৮%
বাজার হিস্যা ৫.৯১% ৬.২৮
* পরিমাণের হিসাব বর্গমিটারে, অন্য হিসাব কোটি ডলারে
সূত্র: অটেক্সা/প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ