Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বিজয় দিবস উদযাপন : বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ঘুনে ধরা সমাজটাকে বদলানোই হোক এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার-ড. মোমেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 160 বার

প্রকাশিত: December 17, 2014 | 7:39 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ঘুনে ধরা সমাজটাকে বদলানোই হোক এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার। তিনি আরো বলেন, বহুত্যাগের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। স্বাধীনতার জন্য ২ লাখ মা-বোন ইজ্জত দিয়েছে, ৩০ লাখ লোক শহীদ হয়েছে। আজ ৭১’র ঘাতকদের যখন বিচারিক কার্যক্রম চুড়ান্ত পর্যায়ে তখন নানা অজুহাতে, দেশের মানুষকে জিম্মি করে ঘাতকদের রক্ষার পায়তারা হচ্ছে। বিদেশীদের মাধ্যমে নানাভাবে তদবির করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ’৭১ এ আমরা প্রথম বিজয় অর্জন করেছিলাম আর এবার স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর দ্বিতীয়বার বিজয় অর্জন করেছি সকল অপশক্তি নির্মূলের প্রক্রিয়া শুরুর মাধ্যমে। ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, এবারের বিজয়ের মূল থিম ‘স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ’৭১ এর মত ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ যার মধ্য দিয়ে বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন সাফল্যকে এগিয়ে নেয়া যায় এবং আগামী দিনে বাংলাদেশ আরো উন্নয়নের দিকে ধাবিত হতে পারে। অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রাম চালিত হয়। বাংলাদেশ আজ সেই সংগ্রামে বিজয়ী।
মিশনের এবারের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালা দু’টি পর্বে সঞ্চালিত হয়। প্রথম পর্ব অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান রকিবুল হক ও দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রথম সচিব (প্রেস) মামুন-অর-রশিদ। শুরুতে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট লেখক-সঙ্গীতজ্ঞ তাজুল ইমাম স্থায়ী প্রতিনিধির হাতে বঙ্গবন্ধুর পোট্রেট তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামানিকসহ মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরীয় পরীয়ে দেয়া হয় এবং মিশনের পক্ষ থেকে তাদের উপহার সামগ্রী তুলে দেন স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন। সিটি অব পেটারসনের মেয়রের দেয়া প্রোক্লামেশন পাঠ করেন স্থায়ী প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানে আলোচনায় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মেরাজ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের পথে অন্তরায় সমূহ বিশদভাবে তুলে ধরেন সাংবাদিক কলামিস্ট হাসান ফেরদৌস প্রমুখ। আরো বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুল বাতেন, আব্দুল মুকিত চৌধুরী, সুব্রত বিশ্বাস ও নারীনেত্রী মমতাজ শাহনাজ। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বিজয় দিবসের কবিতা আবৃত্তি করেন মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আনোয়ার বাবলু ও জেড এইচ আরজু।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ইমাজউদ্দিন প্রামানিক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার সমূহ বিশদভাবে তুলে ধরেন। পরিবেশ ও বন সচিব নজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের অর্জনগুলো বর্ণনা করেন।
দিবসের শুরুতে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে মিশনের সকল কর্মকর্তা ও অফিসিয়াল অংশগ্রহন করে। এসময় নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশের এম্বাসেডর শেখ মোহাম্মদ বেলাল উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির বানী পাঠ করেন মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিশনের মিনিস্টার (ইকোনমিক) বরুন দেব মিত্র, অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন ডিফেন্স এ্যাডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম আখতার উজজামান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিশনের কাউন্সেলর সাদিয়া ফয়জুননেসা।
অনুষ্ঠানে ড. এ.কে আব্দুল মোমেন বলেন, বিজয়ের আনন্দ ক্ষনিকের। পরাজয়ের বেদনা সহজে ভোলার নয়। তাই ৭১’র পরাজিত শক্তি হিং¯্র ফণা তুলে আঘাত হানতে উদ্যত। তাই আজ কলহ, সংকীর্ণ স্বার্থ ভুলে দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য বড় জরুরী। এই বোধ আশা করি সবার মধ্যে তৈরী হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলেই লাখ শহীদদের রক্ত ঋণ শোধ করব আমরা। এখন দরকার সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও ঐক্য। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সমাজটাকে বদলাতে হবে। যাবতীয় অন্যায়, অনাচার সুবিধাবাদের বিরুদ্ধে ন্যায়- সত্য প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নিতে হবে। মানবের কল্যানে মানবাত্মার বিকাশে কাজ করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে সমাজ পরিবর্তন। যেটি ছিল বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত বিপ্লবের দর্শন।
সবশেষে সমাপনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন সবিতা দাস ও তাজুল ইমাম।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV