Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

গভীর জলের মাছ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 169 বার

প্রকাশিত: December 21, 2014 | 12:01 AM

শিরোনাম দেখে আবার অন্য কিছু ভাববেন না। কারণ, ‘গভীর জলের মাছ’ প্রবাদের অর্থ- সহজে বোঝা যায় না এমন ব্যক্তি। কিন্তু এখানে আক্ষরিক অর্থেই এক গভীর জলের মাছের কথা বলা হয়েছে। স্নেইল ফিশ নামে ভুতুড়ে এ মাছের বিচরণক্ষেত্র সমুদ্রপৃষ্ঠের ২৭ হাজার ফুট গভীরে! বিষয়টি বিজ্ঞানীদের বেশ চিন্তায় ফেলেছে। কারণ, পানির চাপের কারণে এমন গভীরতায় যে কোনো প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব। অথচ প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাদে দিব্যি বাস করছে এ মাছ। বিশ্বের গভীরতম স্থান কিন্তু এটিই!

স্কটল্যান্ডের এবারডিন ইউনিভার্সিটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে স্নেইল ফিশের আবিষ্কারক। দেখতে ব্যাঙাচির মতো এ মাছের দেহে কোনো আঁশ নেই! হাতখানেক দৈর্ঘ্যের স্নেইল ফিশের মাথাটা বেশ বড়সড় হলেও চোখ ছোট। সর্বাধিক গভীরতায় বসবাসরত প্রাণীদের নতুন প্রজাতি খোঁজার সময় এগুলোর দেখা পান অভিযাত্রীরা। এর আগে সবচেয়ে গভীরে বসবাসকারী মাছ মাত্র ১৬শ’ ফুট অর্থাৎ পাঁচশ’ মিটার তলদেশে পাওয়া গিয়েছিল।

একশ’ ৫ ঘণ্টা ধরে ক্যামেরায় এর গতিবিধি লক্ষ্য করেন গবেষকরা। হ্যাডাল ল্যান্ডার নামে বিশেষ এ ক্যামেরাটি এবারডিনে তৈরি। এ জন্য ফ্যালকর নামক জাহাজে ৩০ দিন ঘোরেন তারা। প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বদিকের ফিলিপাইন থেকে দক্ষিণের জাপান পর্যন্ত ৯২ স্থানে ডুবুরি নামানো হয়। এ সময় ১৬ হাজার থেকে ৩৪ হাজার ফুট পর্যন্ত গভীরে তল্লাশি চালান ডুবুরিরা।

অভিযাত্রী দলেরই একজন ড. অ্যালেন জেমিসন বলেন, গভীরের এ মাছটির আকার খুবই অদ্ভুত। আগে কখনও এমন প্রাণী আমরা দেখিনি। কার্টুনের কুকুরের মতো মাথাওয়ালা স্নেইলের পাখনাগুলো অনেক লম্বা। আগেও ১৩ বার এবারডিন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা খাদের প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করেছেন। তবে এবারই প্রথম ৩৪ হাজার ফুট গভীরে পেঁৗছাতে পারেন তারা, যা ব্রিটেনের ইতিহাসে সর্বাধিক। আর গবেষকদের সুবিধার্থে দ্য হ্যাডাল ইকোসিস্টেম স্টাডিজ ধারণকৃত দৃশ্যগুলো তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। ডেইলি মেইল।

 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV