মেঘের উপর শহর!
পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী গ্রহ শুক্র। কেমিক্যাল কম্পোজিশন ও আরে বহরে এই গ্রহ পৃথিবীর কাছাকাছি হলেও, শুক্র বায়ুমণ্ডল ও সারফেস কন্ডিশন পৃথিবীর থেকে একেবারেই আলাদা। এর আগে পৃথিবী থেকে যে কয়েকটি যান শুক্রে পাঠানো হয়েছিল তার একটাও দুই ঘণ্টার বেশি টিকে থাকতে পারেনি, ধ্বংস হয়ে গেছে।
শুক্রর বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পৃথিবীর তুলোনায় ৯২গুণ বেশি। গড় উষ্ণতা ৪৬২ ডিগ্রি। গ্রহটার এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এক গাদা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। আসলে শুক্রের বুকে পাকাপাকি বাসা বাধাতো দূরের কথা অদূর ভবিষ্যতে সে গ্রহে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনাও মোটামুটি কল্পবিজ্ঞানের পাতাতেই আবদ্ধ। তবে হাল ছাড়তে নারাজ নাসা। শুক্রের মেঘ বলয়ের মধ্যে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে তারা।
দ্য হাই অলটিট্যুইড ভেনাস অপরেশনাল কনসেপ্ট বা হ্যাভক নামের একটি কাল্পনিক মহাকাশযান ডিজাইন করেছে নাসার সিস্টেম অ্যানালিসিস অ্যান্ড কনসেপ্ট ডিরেক্টোরেট। বায়ুর থেকেও হালকা এই এয়ার রকেট শুক্রের অ্যাসিড মেঘের মধ্যে স্বচ্ছন্দে ৩০ দিন টিকে থাকতে পারবে। এই রকেটের মধ্যে থেকে মহাকাশচারীরা সেই সময় শুক্রের বায়ুমণ্ডল সম্পর্কিত ডেটা সংগ্রহ করতে পারবেন।
এমনিতে শুক্রের বুকে কোনো মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তবে এই গ্রহের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অ্যাসিড মেঘের থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় কিছুটা পৃথিবীর মত অবস্থা রয়েছে। এই উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের চাপ প্রায় পৃথিবীর মত, মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর থেকে কিছুটা কম। উষ্ণতা মোটামুটি ৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেটা কিছুটা সমস্যার হলেও কিছুদিন এই উষ্ণতা সহ্য করে মহাকাশচারীরা থাকতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই উচ্চতায় সৌর বিকিরণ অনেকটা কানাডার মত।
শুক্র অভিযান নিয়ে নাসার পরিকল্পনা সুদীর্ঘ। প্রাথমিকভাবে রোবটিক প্রোব পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেই প্রোব ফিরে এসে যে ডেটা দেবে তার উপর ভিত্তি করে ৩০ দিনের জন্য শুক্রের উপরে মহাকাশচারীদের নিয়ে ভাসার পরিকল্পনা রয়েছে। তারপর হয়ত এক বছরের জন্য দুজন মহাকাশচারী পারি দেবেন শুক্রের মেঘে। তবে আসল উদ্দেশ্য শুক্রের উপরে একটি ভাসমান মেঘ শহর তৈরি করা, যেখানে স্থায়ীভাবে মানুষ বসবাস করতে পারবে।
তবে এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে আরো দুই দশক লাগবে। তবে এই গবেষণা যদি সফল হয়, তাহলে হয়ত একদিন পৃথিবীর বাইরেও মানুষের কলোনি স্থাপন সম্ভব হবে।সূত্র : জি নিউজ/নয়া দিগন্ত
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!