Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

হাঁটাহাঁটি সুস্বাস্থ্যের টনিক

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 56 বার

প্রকাশিত: January 20, 2015 | 8:04 PM

ডা. জ্যোৎস্না মাহবুব খান : আধুনিক নগর সভ্যতায় হাঁটাহাঁটির অভ্যাস আমাদের কমে গেছে। দৈহিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটার বিকল্প নেই। তবে হাঁটতে হবে প্রতিদিন নিয়মমাফিক ৪৫ মিনিট করে। প্রথমে ধীরে ধীরে তার পর দ্রুত হাঁটতে হবে এবং হাঁটার দূরত্ব বৃদ্ধি করতে হবে। দ্রুত হাঁটতে হলে লক্ষ রাখতে হবে যতটুকু সম্ভব যেন স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায়। একজন সুস্থ মেদবহুল ব্যক্তির দৈনিক তিন-চার কিলোমিটার হাঁটা উচিত। এতে শক্তি ক্ষয় হবে ৩০০-৩৫০ ক্যালরি। প্রথম দিনেই বেশি হাঁটা উচিত নয়। প্রথম কয়েক দিন ১৫ মিনিট, তার পর ৩০ মিনিট করে ধীরে ধীরে এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে হাঁটার অভ্যাস করতে হবে। ঘণ্টায় দুই কিলোমিটার হাঁটলে শক্তি ঝরে ২০০ ক্যালরি, তিন কিলোমিটার হাঁটলে ২৫০-৩০০ ক্যালরি। ওজন কমাতে হাঁটার বিকল্প নেই। বেশি হাঁটলে ুধা পায় বেশি। তখন অতিরিক্ত আহার করা চলবে না। খালি বা ভরা পেটে হাঁটাহাঁট উচিত নয়। বরং ঘুম থেকে উঠে চা-বিস্কুট খেয়ে ঘরে কিছুক্ষণ হালকা হাঁটাহাঁটি করে হাঁটতে বেরোনো ভালো। মর্নিংওয়ার্ক বা সকালে হাঁটা উত্তম। এ সময় মন ফ্রেশ থাকে, প্রকৃতি থাকে শান্ত, বাতাস দূষণমুক্ত ও ঠাণ্ডা থাকে। শরীরবিজ্ঞানীদের মতে, ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমের পর রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে, নাড়ির গতি কম থাকে, মাংসপেশি শিথিল থাকে; ফলে তখনই হাঁটার উপযুক্ত সময়। দেহের কর্মদক্ষতা বাড়াতে, দেহ কাঠামো ঠিক রাখতে এবং দীর্ঘায়ু লাভে হাঁটা উত্তম ব্যায়াম। গর্ভাবস্থায় হাঁটাহাঁটির গুরুত্ব অনেক। হাঁটাহাঁটি গর্ভের শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশে সহায়ক। গর্ভবতীকে মুক্ত বাতাসে সকাল-বিকেল সোজা হয়ে দ্রুত হাঁটতে হয় নিয়মিতভাবে। হাঁটার ফলে মাংসপেশী এবং লিগামেন্ট শিথিল থাকে; ফলে পরে প্রসব কাজ সহজ হয়। হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষায় কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও নিয়মিত হাঁটাহাঁটি খুবই জরুরি। হাঁটার ফলে রক্ত চলাচল ভালো থাকে এবং রক্তচাপও কমে যায়।নয়া দিগন্ত

লেখক : জেনারেল প্যাকটিশনার, মুক্তাগাছা, ময়মনিসংহ।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV