প্রবাসে বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ
আহমেদ মূসা : এক. দ্বিতীয় চিন্তার অবকাশ এসেছে ঘোড়া ও বেদ নিয়ে প্রাচীন ভারতে আসা আর্যরা পূর্ব-ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতি সমিাহীন অবজ্ঞা করে বলতো, ওরা কিচির-মিচির করে পাখির ভাষায় কথা বলে। তখনকার গৌড়-বরেন্দ্র-পুন্ড্র-রাঢ়-বঙ্গ-সমতট-হরিকলের বাসিন্দাদের মধ্যে অভিন্ন বা প্রায় কাছাকাছি ভাষা প্রচলিত ছিল বলে পরবর্তী কালে জানা যায়। বাংলা ভাষার আদিরূপও নিশ্চয় সেই অবজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত ছিল, যে বাংলা ভাষা এখন পৃথিবীর সপ্তম সেরা ভাষা বলে পরিগণিত। কখনো কখনো ষষ্ঠও হয়ে ওঠে। পৃথিবীতে মাতৃভাষার জন্য রক্ত দেয়ার ঘটনা বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করেই ঘটেছিল। এই ভাষা সম্প্রতি বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের মধ্য দিয়ে।
আবার বাংলাদেশকে অনার্য অধ্যুষিত বলা হলেও খৃষ্টীয় শতকের গোড়ার দিক থেকে আর্যরা ক্রমে ক্রমে এ অঞ্চলে আসতে থাকে। আসতে থাকে উন্নত জীবিকার সন্ধানে। গুপ্তযুগে চালু হওয়া স্বর্ণমুদ্রার হাতছানি শুধু আর্যদের কেন, পৃথিবীর বহু বণিক-ভাগ্যান্বেষীকেও টেনে আনে এ অঞ্চলে। আমাদের উল্লিখিত অঞ্চলকে আর্যরা এক সময় বলতো ভ্রমণের অযোগ্য ‘ভ্রাত্য’দেশ, যে দেশ ভ্রমণ করলে প্রায়শ্চিত্তও করতে হতো। সে দেশে তারা যখন আসা শুরু করে তখন তারাই আবার বিভিন্ন মহিমা যুক্ত করতে থাকে। অবশ্য তারও বহু আগে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে বিজয় লাভের পর ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠিরের নির্দেশে পঞ্চপান্ডবের অন্যতম পান্ডব মহাবীর ভীম মেঘনা নদীর প্রান্ত পর্যন্ত এসেছিলেন বলে উল্লেখ আছে। সে অর্থে আজকের বাংলাদেশ পান্ডব-বর্জিতও নয়। ‘কড়ি’ সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বোঝা যায়। অর্থাৎ একটি ভাষার জন্য তার সমকালের আর্থ-সাংস্কৃতিক অবস্থানটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সে অর্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগে অঢেল সম্পদে সমৃদ্ধ আমাদের অঞ্চলের ভাষাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল সন্দেহ নেই। আমাদের অঞ্চলের দারিদ্র্যের ইতিহাস দেড়-দুই শ’ বছরের মাত্র। তার আগের হাজার হাজার বছরের ইতিহাস সমৃদ্ধির ইতিহাস। এই সম্পদের কারণেই কালে কালে আক্রান্তও হয়েছে সেই ভূখন্ড। ‘আপনা মা’সে হরিণা বৈরী’।
একটি ভাষার জন্য এটাও গুরুত্বপূর্ণ, যে, সেই ভাষাটি কারা বলছে, কাদের মাতৃভাষা সেটি । সে অর্থে ইংরেজি বর্তমান বিশ্বের প্রধানতম ভাষা। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ ম্যান্ডারিন ভাষায় কথা বলে, যাকে সাধারণ অর্থে চীনা ভাষা বলা হয়। কিন্তু তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা সত্ত্বেও ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। কারণ, ইংরেজি এখন শুধু একটি ভাষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। ইংরেজি এখন প্রযুক্তিরও অংশ। এক সময় আত্মনির্ভরশীল চীনারা তাদের ভাষায় প্রযুক্তির চর্চা করতে চেয়ে ব্যর্থ হয়ে এখন ইংরেজির গুরুত্ব মেনে নিয়েছে। তবে তারা নিজের মাতৃভাষার চর্চাও সম্মানের সঙ্গে বজায় রেখেছে। বিশেষ করে প্রবাসের নতুন প্রজন্মের চীনারা ইংরেজির পর দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে চীনা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ চর্চা বজায় রেখেছে। কিন্তু প্রবাসী বাংলাভাষীদের মধ্যে এটা দেখা যাচ্ছে না। নতুন প্রজন্মের বাংলাভাষীরা ঘরে বাংলা কোনো রকমে বলতে-বুঝতে পারলেও লিখতে-পড়তে পারে না। অবশ্য সামান্য ব্যতিক্রম আছে। কিন্তু ব্যতিক্রমতো মূল¯্রােত তৈরি করতে পারে না।
আমি সাড়ে চার বছর আগে নিউইয়র্কে আসার পর স্থানীয় একটি বাংলা পত্রিকা সম্পাদনার সুযোগ পাই। তখন শিশুদের জন্য একটি পাতা করার চেষ্টা করতে গিয়ে প্রথম অবস্থাটা বুঝতে পারি। সবাই আমাকে বাধা দিয়ে বলেন, যে, এখানে শিশু-কিশোরদের পাতা করে লাভ নেই। কারণ, এখানকার শিশু-কিশোররা বাংলায় লিখতে-পড়তে পারে না। অনেক খোঁজ-খবর নিয়ে দেখলাম ব্যাপারটা সত্যি। মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন ছাড়া তারা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে স্প্যানিশ বা ফরাসী শেখে। এগুলির বাজার দর এখানে বেশি। অভিভাবকরাও এ ব্যাপারে একমত। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, শিশুদের ওপর এতোগুলি ভাষার বোঝা চাপানো হলে তাদের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই কাট-ছাটের মধ্যে পড়ে যায় তাদের মাতৃভাষা বাংলাও। অভিভাবকদের অবহেলা শিশুদের অবজ্ঞা আরো বাড়িয়ে তোলে। বাংলা ভাষার আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কেউ কেউ শিশু-কিশোরদের নিয়ে এলেও দেখা যায়, আলোচনা দূরে থাকুক, তারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময়ও ঘাড় নিচু করে মোবাইলে বা টেবলেটে ভিডিও গেম খেলে। কোনো কারণে ভবিষ্যতে যদি যুক্তরাষ্ট্র বা সমজাতীয় দেশে নতুন অভিবাসী আসা বন্ধ হয়ে যায় তা হলে হয়তো প্রবাসে বাংলায় লেখা ও পড়ার কেউই থাকবে না। এমন কি একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানের ব্যানারও হয়তো তখন ইংরেজিতে লিখতে হবে। প্রবাসের অনুষ্ঠানগুলিতে যারা বাংলার পক্ষে সোচ্চার, তাদেরও প্রায় সবার সন্তানদের একই অবস্থা। ইংরেজির অন্তর্নিহিত শক্তি ও বাজার দর এখন ভালো বটে, তবে বাংলাওতো প্রবাসে আমাদের কাছে ফেলনা হওয়া উচিত নয়।
অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের ওপর বেশি ভাষা চাপিয়ে না দেয়ার পক্ষে বাংলাকে পরিহারের যে যুক্তি দেখান তা কিন্তু সঠিক নয়। সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে যে, যেসব শিশু বেশি ভাষা শেখে তাদের বিকাশ আরো ভালো হয়। পাকিস্তান আমলে আমাদের মাতৃভাষা ছিল বাংলা, শাসকদের ভাষা ছিল উর্দু, দাপ্তরিক ভাষা ছিল ইংরেজি এবং ধর্মের ভাষা আরবী। এরমধ্যে যারা মাদ্রাসায় পড়তেন তাদের আবার ফার্সীও শিখতে হতো। কারণ, অনেক উন্নত বয়াত রচিত হয়েছে ফার্সীতে। খোলাফায়ে রাশেদিনের পর ইসলামের ইন্টারপ্রিটেশনের অনেকটাই চলে যায় ইরানীদের হাতে। তারা ইসলাম গ্রহণ করলেও আরবীকে গুরুত্বসহকারে নেয়নি। আল্লাহকে খোদা, সালাতকে নামাজ, সিয়ামকে রোজা প্রভৃতি করে নিয়েছে। বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের মধ্যে সম্ভবত ফার্সী থেকেই বেশি শব্দ গৃহীত হয়েছে। এতে তাদের ভাষাও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। মুঘল আমলে দাপ্তরিক ভাষাও ছিল প্রধানত ফার্সী। তাই অনেক অমুসলমানও চাকরির আশায় ফার্সী শিখেছেন। যাহোক, পাকিস্তানী আমলেও প্রায় আধা ডজন ভাষা আমাদের হ্যান্ডেল করতে হয়েছে। অথচ, মেধায় বাঙালীরা এগিয়ে ছিল অন্যদের থেকে। এক সময় প্রবাদ দাঁড়িয়ে গিয়েছিল ‘হোয়াট বেঙল থিংকস টু-ডে ইন্ডিয়া থিংস টুমরো। আমরা বাস্তব জীবনেও দেখছি, একজন বাংলাদেশি অতিদ্রুত উর্দু-হিন্দি আয়ত্বে এনে চোস্ত কায়দায় বলতে পারে। একজন অবাঙালী কিন্তু সে ভাবে কখনোই বাংলা বলতে-বুঝতে পারে না। প্রবাসের যে-সব অভিভাবক অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগে ভোগেন তাদেরকে নতুন করে ভবনা-চিন্তার আহবান জানাই।
শুধু প্রবাসে কেন, স্বদেশেও মাঝে মাঝে দেখি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বাংলা ভাষার চরম অবজ্ঞা। এমন কি মিডিয়াতেও। রেডিওর তথাকথিত আর জে-দের বাংলা শুনলে মনে হয়, নুরুল আমিন-নাজিমুদ্দিনদের প্রেতাত্মা আবার উঠে এসেছে। কিছু পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলের বাংলা ব্যবহার দেখলে মনে হবে, হয় তারা বাক্য-বানান জানেন না বা জানলেও শুদ্ধ ভাষা চর্চার প্রয়োজন অনুভব করেন না। অনেক স্বনামধন্য চ্যানেলে খবরের স্ক্রলে অসংখ্য বাক্য-বানান অশুদ্ধ। শিক্ষার্থী দর্শকরা ভুল শিখতে বাধ্য হন। সংবাদ বা প্রচারমাধ্যমের একটি ভুল মানে লক্ষ লক্ষ ভুল, যতজন সেই ভুলটি পড়েন বা দেখেন। এই নৈরাজ্যও দূর করা প্রয়োজন। যাদের ভাষাজ্ঞান নেই বা ভাষা জ্ঞানসম্পন্ন লোক নিয়োগের যোগ্যতা-ইচ্ছে নেই, তাদের কে বলেছে মিডিয়ার জগতে আসতে? কেউতো তাদের সাধাসাধি করেনি। সব কাজ সবার জন্য নয়। যে ভাষা অবলম্বনের মাধ্যমে করে-কেটে খাওয়া, তার প্রতি সম্মানটাতো অন্তত থাকতে হবে।
দুই. ফিরে আসুক বই-বান্ধব পরিবেশ
বাংলাদেশে একুশের বইমেলা ছলছে । নিউইয়র্কে চলছে মুক্তধারার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ও বইমেলার আয়োজন । বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা বইমেলার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর কয়েছে। অতীতেও দেখা গেছে, মন্দা, নৈরাজ্য, দুর্ভিক্ষ, সামরিক শাসন, এমন কি ‘গণতান্ত্রিক আমলের’ রাজনৈতিক সংঘাতেও প্রথম আক্রান্ত হয় সরস্বতীর বরপুত্র বইÑ সৃজনশীল বইয়ের বাজার। যদিও গাইড বই, নোট বই বা অপগ্রন্থের সমস্যা হয় না। সমস্যা সৃজনশীলের।
মুক্তধারার কার্যক্রমের ২৫ বছর হতে যাচ্ছে এ বছর । বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে চট বিছিয়ে বইমেলার সূচনা করেছিলেন প্রয়াত চিত্তরঞ্জন সাহা। তাই একুশের বইমেলার কথা ভাবলে চিত্তরঞ্জন সাহার কথা আমাদের মনে পড়ে। তেমনি নিউইয়র্কসহ উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বইমেলার প্রসঙ্গ এলে অবধারিত ভাবে এসে পড়ে বিশ্বজিত সাহার কথা । বিশ্বজিত যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা বই বিক্রির প্রসারে অনেক দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। সাড়ম্বরে একুশ পালন ও মাতৃভাষার সম্মান-পরিধি বৃদ্ধিতেও রাখছেন বলিষ্ঠ ভূমিকা। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বই জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে সম্প্রতি বিশ্বজিতের প্রয়াসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিদ্যাপ্রকাশের মজিবর রহমান খোকা, যিনি উদ্যোগ নিয়ে কিছুদিন আগে লস এঞ্জেলেসে একটি বইমেলা করেছেন। ভবিষ্যতে আরো অনেকে যোগ দেবেন। কিন্তু পথ-প্রদর্শকের ভূমিকা বিশ্বজিতের।
আমেকিায় আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি। তারপরও ঘর-গেরস্তির বাইরে আমাদের অনেক কিছুই করণীয় থাকে। কিন্তু আলস্য বা ‘পাছে লোকে কিছু বলে’র পাল্লায় পড়ে আমাদের সেগুলি করা হয়ে ওঠে না। বিশ্বজিত সাহা সেগুলি করে থাকেন। বাংলাদেশের কোনো এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বা ট্যাপ দিয়ে পানি না এলে সবাই হাত গুটিয়ে বসে থেকে মনে মনে কামনা করেন কেউ যেন বিদ্যুত বা ওয়াসা অফিসে ফোন করেন। বিশ্বজিত হচ্ছেন সেই মানুষ, যিনি ফোনটা করে থাকেন। এখানে অনেক লেখক-প্রকাশক আসেন, বিশ্বজিত সাহা অনুঘটক হয়ে নিজের প্রতিষ্ঠানে নিজের খরচে এখানকার লেখকদের সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়ে দেন, সম্মানিত করেন। কিছু প্রশংসা তার প্রাপ্য হয়ে ওঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে আমি প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে। গত বছর মুক্তধারার বইমেলার আগে আমার দ্বারা সম্পাদিত পত্রিকাটিতে একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিলাম। বিজ্ঞাপনের ভাষা ছিল এ রকম ঃ ‘সুহৃদ প্রবাসী, আপনি সৌভাগ্যবান যে ইচ্ছে করলেই বই কিনতে সক্ষম। বাংলাদেশি লেখকদের বই কিনুন, বাংলাদেশের সঙ্গে থাকুন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে থাকুন। এই বই কেনা মানে বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পকে সহায়তা করা, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধতর করা। একই সঙ্গে নিজেকে আলোকিত করা। প্রিয় বাংলাদেশের ¯িœগ্ধ পরশ নিয়ে অনেক বই আসছে বইমেলায়। পরিবার পরিজনসহ অংশ নিন। বইয়ের জন্য গৃহকোণে একটু জায়গা ও বাজেট রাখুন। পারিবারিক গ্রন্থাগার আলোকিত পরিবারের প্রতিচ্ছবি।’
আসন্ন বইমেলাতেও অভিন্ন আহবান রইলো। বই সম্পর্কে নির্লিপ্ত সংসারগুলিতেও ফিরে আসুক বই-বান্ধব পরিবেশ। বাংলাদেশের বর্তমান সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য দরকার চিন্তার রাজ্যে ব্যাপক আলোড়ন ও আন্দোলন। কিন্তু তার আগে দরকার আলোকিত বই, তার প্রকাশ এবং ব্যাপক প্রচার। প্রয়োজন বই-বান্ধব পরিবেশ। দরকার সেই বই, যে বই মানুষকে আলোকিত করে। যে বই একটি জাতির মৌল ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
নিউইয়র্ক, ১৭ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল
- New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion