Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

আমার বক্তব্যটা সম্পূর্ন পড়ুন, তারপর যদি মনে করেন যে আমি ধর্ম, আল্লাহ ও রসুলের বিরুদ্ধে কিছু বলেছি, তখন তার শাস্তি বিধান করেন : আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 46 বার

প্রকাশিত: July 7, 2015 | 4:55 PM

প্রেসনোট
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,
গত ৩রা জুলাই নিউইয়র্কে আমি যে বক্তব্য দিয়েছি একটি একাডেমিক আলোচনা সভায় সেটাকে বাংলাদেশের কিছু রাজনৈতিক মৌলবাদী দল রাজনৈতিক পূঁজি করেছে এবং মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। তারা বলেছে যে আমি ধর্ম বিরোধী রসূল, ইসলাম এমনটি আল্লাহর অবমাননা করেছি। কোন সাধারন মানুষের আল্লাহকে অবমাননা করার শক্তি আছে। এটা প্রচার করাও ধর্ম দ্রোহিতা এবং এ তথাকথিত ইসলাম পন্থীরা এটাই প্রচার করছে। আমি নিজে মাত্র গত ফেব্রুয়ারী মাসে উমরাহ করেছি। সেই ব্যক্তি নিউইয়র্কে এসে ধর্মদ্রোহিতা করবে কি কারনে। আমার যারা নিন্দা করছেন তাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ তারা আমার বক্তব্যটা সম্পূর্ন পড়ুন, তারপর যদি মনে করেন যে আমি ধর্ম, আল্লাহ ও রসুলের বিরুদ্ধে কিছু বলেছি, তখন তার শাস্তি বিধান করেন। কিন্তু এ বিনা বিচারে এ কিছু একশ্রেনীর মোল্লার উস্কানিতে তাও রাজনৈতিক উদ্দেশে তারা যা করছেন এটার নিন্দা করার ভাষা আমার জানা নেই। তারা আমাকে ছোট করেনি তারা ধর্মকে আল্লার রসূলকেই ছোট করছেন। আমি আল্লার ৯৯ নাম সম্পর্কে দেবতাদের নাম বলেনি আমি যে বলেছি কালচারাল এসিবিলেশন কিভাবে প্রত্যেকটি সভ্যতা, এক সভ্যতা থেকে আরেক সভ্যতা উপকরন গ্রহন করে। বাংলা ভাষাকে হিন্দুদের ভাষা বলা হয়, এটা যে সত্য না এটা প্রমান করার জন্য বলেছিলাম যে আরবী ভাষাও ছিল এককালীন কাফেরদের ভাষা। এটা বলা কি আরবী ভাষার অবমাননা। তারপর বলেছি যে আল্লার নাম গুনাত্মক নামগুলি আগে কাফেরদের দেবতাদেরও ছিল। তা না হলে রসূলুল্লার পিতার নাম আবদুল্লা কি করে হয়। এটা তো আর মুসলমান নাম নয়, সেখানে আল্লা আছে, সে আল্লা ছিল কাবা শরীফের কাবার প্রতিষ্ঠিত মূর্তিগুলোর ভিতরে প্রধান মূর্তির নাম। অবশ্য কেউ কেউ এটাকে ইলাহ বলে, ইলাহ থেকে আল্লা শব্দের উৎপত্তি। এভাবে আল্লার রসূল আরবের যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য যেটা ধর্ম বিরোধী নয় সেটাকে তিনি গ্রহন করেছেন। এমনকি হজ্বও ইসলামের হজ্ব নয়, এটাও সেই দু’হাজার তিন হাজার বছর আগের কাফেরদের দ্বারা প্রবর্তিত হজ্ব উনি সেখানে এক ঈশ্বর বার্তাটি যুক্ত করেছেন। এটাই আমি বলেছি যে এটা হচ্ছে একাডেমিক আলোচনা এবং আমি সাহাবাদের সম্পর্কে কোন কটুক্তিই করিনি। আমি বলেছি যে আমরা আরবী ভাষা না জেনে, আরবীতে সন্তানদের নামকরন করি সেটা ভুল। আমাদের নামকরনটা অর্থ জানা উচিত যেমন আবু হোরায়রা। এটা রসূলুল্লার সাহাবার প্রকৃত নাম নয়। রসূলুল্লা তাকে ঠাট্টা করে বিড়ালের বাবা ডাকতেন। এখন আমরা যেহেতু আরবী জানি না আমরা সেই বিড়ালের বাবার নামটা আমরা রাখি। যার কাশেম বলে কোন ছেলে নাই তিনি তার ছেলের নাম রাখেন আবুল কাশেম। এভাবে আরবী ভাষা না জানার জন্য অনেক বিভ্রান্তি হয় আমাদের দেশে। মোজাক্কার মোয়ান্নাস বুঝতে পারি না আরবের সেজন্য আমরা স্ত্রীলোকের নাম রাখি তারও উদাহরন দিয়েছি। তারপর আবার রসূল শব্দকে মনে করি রসূল বল্লেই বুঝি আমাদের রসূলুল্লাহকে অবমাননা করা হয়। অথচ পন্ডিত নেহেরু যখন সৌদি আরবে যান তখন তাঁকে বলা হয়েছিল মারহাবা ইয়া রসূলে সালাম, ‘হে শান্তির দূত তোমাকে সংবর্ধনা জানাই’। অথচ বাংলাদেশে গিয়ে যদি কেউ বলে ওমোকে একজন রসূল মানে এম্বাসেডর তাকে মুরতাদ বলা হবে। এই যারা আজকে মুরতাদ বলছেন তারা প্রত্যেকটিরই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলছেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আজকে তারা ধর্মকে ব্যবহার করে ধর্মের অবমাননা করছেন। আমি এদের শাস্তি চাই। যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে বাংলাদেশে ত্রিশলক্ষ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী, তারা পরবর্তীকালে সমস্তরকম মুক্ত বুদ্ধি, মুক্তচিন্তার দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ইসলামের নাম করে ব্যবসা করতেছে, ব্যাংক করতেছে, ইন্সুরেন্স কোম্পানী করতেছে এবং আজকে যারা এই ধর্মকে আবার রাজনৈতিক পুঁজি করেছে তারাই আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি তাদের চাইতে অনেক বড় মুসলমান।
বিনীত
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাংবাদিক ও কলামিস্ট

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV