Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

চলে গেলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফরিদা ইয়াসমীন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 188 বার

প্রকাশিত: August 8, 2015 | 8:01 PM

চলে গেলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফরিদা ইয়াসমীন। গতকাল বাদ মাগরিব বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। এক সপ্তাহ আগে অসুস্থ হলে এই গুণী শিল্পীকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ তার মরদেহ সেগুনবাগিচার বাসায় আনা হবে বলে শিল্পীর স্বজনরা জনিয়েছেন। দুপুরে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে মরহুমার মরদেহ দাফন করা হবে।
সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেন-ফরিদা ইয়াসমীন দম্পতির ২ ছেলে। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত সিনেমা আর রেডিওর গানে ফরিদা ইয়াসমীনের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী। সে সময় তিনি আধুনিক বাংলা গান, উর্দু গান ও গজলে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ৫ বোনের মধ্যে ফরিদা ইয়াসমীন ছিলেন সবার বড়। আজকের খ্যাতিমান কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনেরই বড় বোন এ ফরিদা ইয়াসমীন। এছাড়া নীলুফার ইয়াসমিন ও ফওজিয়া খানও সংগীতাঙ্গনে সাড়া জাগানো শিল্পী।
এক সময় ফরিদা ইয়াসমীনের গাওয়া ‘তুমি জীবনে মরণে আমায় আপন করেছো’, ‘জানি না ফুরায় যদি এই মধুরাতি’, ‘তোমার পথে কুসুম ছড়াতে এসেছি’, ‘খুশির নেশায় আজকে বুঝি মাতাল হলাম’ প্রভৃতি গান এক সময় ছিল সংগীতপ্রেমীদের মুখে মুখে।
ফরিদা ইয়াসমীনের পৈতৃক বাড়ি খুলনায়। তবে মুর্শিদাবাদে নানাবাড়িতে তার জন্ম হয়েছিল। এক সময় পিতামাতার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন। সেখানেই ওস্তাদের কাছে তার গান শেখা শুরু। তার মা ভাল গান করতেন। এজন্য মায়ের কাছ থেকেও গান শিখেছিলেন তিনি। প্রতিনিয়ত গান গাইবার জন্য মায়ের কাছ থেকে উৎসাহও পেতেন। পঞ্চাশের দশকের শেষার্ধে ঢাকা ইডেন গার্লস কলেজে এক সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গান গাইতে যান ফরিদা ইয়াসমীন। তার গান শুনে সংগীত পরিচালক ও সুরকার আবদুল আহাদ মুগ্ধ হয়ে বলেন, তুমি রেডিওতে অডিশন দাও, দেখবে একদিন তোমার খুব নামধাম হয়ে যাবে। রেডিওতে অডিশন দিয়ে ফরিদা ইয়াসমীন টিকে যান। এরপর নিয়মিত রেডিওতে গান গাওয়া শুরু তার। অল্পদিনের মধ্যেই ফরিদা ইয়াসমীনের নাম দেশের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ল। তখন রেডিওতে ফেরদৌসী বেগম ও আঞ্জুমান আরা  বেগমের খুব নামডাক ছিল। একসময় তাদের পাশে ফরিদা ইয়াসমীন নামটিও যুক্ত হলো। ১৯৫৯ সালে ওস্তাদ মতি মিয়ার কাছে গান শিখতেন ফরিদা ইয়াসমীন। সে বছরই তিনি ফরিদা ইয়াসমীনকে ‘এ দেশ তোমার আমার’ ছবিতে গান গাওয়ার জন্য সুযোগ করে দেন। ‘জানি না ফুরায় যদি এই মধুরাতি’ গানটি ছিল ‘রাজা এলো শহরে’ ছবিতে। সংগীত ভুবনে ফরিদা ইয়াসমীন যখন খ্যাতির তুঙ্গে, তখন কাজী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এরপর ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত হওয়ার কারণে সংগীতাঙ্গন থেকে এক প্রকার ছুটিই নিয়ে নেন। যদিও রেডিওতে মাঝেমধ্যে তিনি অনুষ্ঠান করতেন।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV