যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না বাংলাদেশী পণ্য
এনা : প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কাছে হেরে যাবার আশংকা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গার্মেন্টস এবং বস্ত্র উৎপাদন সেক্টরের। এ কারণে বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাষ্টের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না। এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বে সর্বাধিক প্রচারিত ও মর্যাদাসম্পন্ন দৈনিক ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের প্রতিবেদনে। ১১-১২ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত জি-২০ সামিট উপলক্ষ্যে ঐ দেশের প্রেসিডেন্ট লী মিয়ং ব্যাকের একটি সাক্ষাতকারে গরিব দেশগুলোর সার্বিক উন্নয়নে ধনী দেশগুলোর আন্তরিকতা প্রসঙ্গ স্থান পায়। সে সময় তিনি বলেন, এ সম্মেলনের ফলে সবচেয়ে বেশী উপকৃত হবার কথা গরিব দেশগুলো। কিন্তু কোন কোন ধনী দেশের স্বার্থ প্রকট হয়ে দেখা দেয়ায় অনেক সময় জি-২০ সামিটের ফলাফল প্রহসনে রূপ নেয়। তিনি বলেন, বিশ্বায়নের এ সময় অর্থনৈতিক প্রবাহ এবং সম্পদের সুষম বন্টনে সকলে মনোযোগী হতে না পারলে এক সময় তা মানবতার জন্যে ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে। তিনি মনে করেন, ধনী দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা যত সবল থাকবে প্রতিবেশী গরিব দেশগুলো ততবেশী উপকৃত হওয়ার কথা। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে উদীয়মান চীন এবং ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকায় অথবা দেশ দুটি বিপরীত মেরুতে অবস্থান করায় ধনী দেশগুলোর আমদানী ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো সম্ভব হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের রিপোর্টে। সেখানে বলা হয়েছে, গরিব হিসেবে বাংলাদেশের পণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানীতে কার্পণ্য থাকার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্প অনেক বেশী শক্তিশালী। এ প্রসঙ্গে ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিষয়ক পর্যালোচক ড. ফাইজুল ইসলাম বার্তা সংস্থা এনাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রেও পোশাক তৈরী হচ্ছে এবং বস্ত্র শিল্পকারখানা রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরী পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য অবাধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার পেলে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য টিকবে না। কেননা বাংলাদেশে শ্রমিক খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এজন্যে বাংলাদেশের পরিবর্তে আফ্রিকার দেশগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের বিল ইতিপূর্বে হাউজে উঠেছিল। তা নিয়ে কথাবার্তাও হয়েছে কংগ্রেসম্যানদের সাথে। এরপর সেই বিল তামাদি হয়েছে। নতুন কংগ্রেসে সে বিল পুনরায় উঠবে বলে কেউ মনে করছেন না। এমনি অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের মনোভাব ফাঁস করে দিল পত্রিকাটি।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের