Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশে দরপতনে টাকা, শক্তিশালী ডলার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 87 বার

প্রকাশিত: November 6, 2015 | 8:43 PM

প্রায় তিন বছর ধরে ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী থাকার পর গত কয়েকদিনে টাকার দর পড়তে শুরু করেছে। বিপরীতে বাড়ছে ডলারের দর। ডলার শক্তিশালী হওয়ায় স্বস্তিতে আছেন রপ্তানিকারকরা। রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগী অনেক দেশে সামপ্রতিক সময়ে স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের দর অনেক বেড়েছে। স্থানীয় মুদ্রার দর কমলে রপ্তানিকারকরা লাভবান হন। কারণ তাদের রপ্তানি বিল আসে মূলত ডলারে এবং নগদায়নের সময় তারা আগের চেয়ে বেশি টাকা পান। গতকাল এক ব্যাংক অন্য ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনেছে গড়ে ৭৮ টাকা ৮৫ পয়সা দরে। ১লা থেকে ২০শে অক্টোবর পর্যন্ত আন্তঃব্যাংকে গড়ে ৭৭ টাকা ৮০ পয়সা দরে ডলার কেনাবেচা হয়। তবে এরপর থেকে সামান্য দর বেড়ে ২৯শে অক্টোবর দর উঠে ৭৮ টাকা ৩ পয়সা। এরপর থেকে দর বাড়ছে ডলারের। ব্যাংকগুলো এখন নগদ ডলার কিনেছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকা ৫০ পয়সা দরে। বিক্রি করছে ৮০ থেকে ৮২ টাকা ১০ পয়সায়। আন্তঃব্যাংক ও নগদ কেনাবেচার পাশাপাশি রপ্তানিকারক ও রেমিট্যান্সের গ্রাহকরা এখন বেশি দর পাচ্ছেন। আবার আমদানি করতে ব্যয় কিছুটা বেড়েছে। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরে চীন তার মুদ্রা ইউয়ানের ৫ শতাংশ অবমূল্যায়ন করে। বাংলাদেশের আরেক প্রতিযোগী ভিয়েতনাম গত আগস্ট মাসে তৃতীয়বারের মতো তার মুদ্রার নিম্ন্নমুখী দর নির্ধারণ করে। ভারতের বিনিময় হার ব্যবস্থা বাজারভিত্তিক। বাংলাদেশের প্রতিযোগী এই দেশেও গত এক বছরে ৫ শতাংশের বেশি দরপতন হয়েছে স্থানীয় মুদ্রা রুপির। এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদি বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী ছিল। একই সময়ে বাংলাদেশের প্রতিযোগী বেশিরভাগ দেশের মুদ্রার দরপতন ঘটানো হয়েছে। প্রতিযোগী দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্বালানি তেলের দাম কমালেও বাংলাদেশে এখনও কমেনি। এসব কারণে প্রতিযোগিতায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছি। এখন টাকার বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হওয়াটা রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য স্বস্তির বিষয়। এতে করে রপ্তানিকারকদের সক্ষমতা বাড়বে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, ইএবিসহ রপ্তানিকারকদের সংগঠনগুলো অনেকদিন ধরে বলছে, প্রতিযোগী দেশগুলোর রপ্তানিকারকরা বিনিময় হারজনিত বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশী রপ্তানিকারকরা। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এমন কোন পদক্ষেপ আশা করে, যাতে টাকা দর হারায়। প্রয়োজনে রপ্তানিকারকদের জন্য আলাদা দর নির্ধারণ করে দেয়ারও দাবি জানায় এ খাতের ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ব্যাংক তরফে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক। ডলারের দর যেটুকু বেড়েছে তা বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের কারণে। বাংলাদেশে বিনিময় হার ভাসমান বা ফ্লাটিং হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিস্থিতি বুঝে বাজার থেকে ডলার কেনে বা বিক্রি করে। কিছুদিন আগেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করেছে ব্যাংকগুলো। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে আর কেউ ডলার বিক্রির প্রস্তাব দিচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সমপ্রতি বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা কিছুটা বেড়েছে। এ কারণে গত ২৯শে অক্টোবর রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করার পরও ডলারের দর কিছুটা বাড়ছে। তবে এতে উদ্বেগের কিছু নেই। বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) চেয়ারম্যান ও বেসরকারি খাতের মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল আমিন বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার জোগান পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে বড় কোন পরিশোধের কারণে হয়তো হঠাৎ করে ডলারের দর বাড়ছে। তার ধারণা, বেসরকারি খাতে বিভিন্ন সময়ে বিদেশ থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ সমপ্রতি বেড়ে থাকতে পারে। এছাড়া, সরকারের বিভিন্ন বড় প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রা পরিশোধ করতে গিয়ে এমন হতে পারে।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV