১২ বছরের মধ্যে তেলের দাম সর্বনিম্ন : কারণ বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ, চীনের অর্থনীতির ধীরগতি এবং ডলারের শক্তিশালী অবস্থান
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম নেমে এসেছে ৩০ ডলারেরও নিচে, যা গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ, চীনের অর্থনীতির ধীরগতি এবং ডলারের শক্তিশালী অবস্থানকেই তেলের দাম কমে আসার কারণ হিসেবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, গত মঙ্গলবার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড চার শতাংশ কমে সর্বনিম্ন ২৯.৯৩ ডলারে নেমে আসে। ২০০৩ সালের পর এই প্রথমবারের মতো ৩০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে তেলের দাম। ওই দিনই অবশ্য পরে তেলের দাম খানিকটা বেড়ে ৩০.২২ ডলারে স্থিত হয়। এই বৃদ্ধিকে অবশ্য সাময়িক হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশ্লেষকরা। তেলের এই দাম চলতি বছরের শুরু থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। তেল ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকরা তেলের দাম কমে আসার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন তেলের অতিরিক্ত সরবরাহ এবং চীনের অর্থনীতির ধীরগতিকে। এর বাইরেও ডলারের শক্তিশালী অবস্থানকেও এর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ের তুলনায় তেলের দাম পড়ে গিয়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ। এভাবে তেলের দাম কমতে থাকলে চলতি বছর শেষে এই দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তাও অনুমান করতে পারছেন না বলেই জানিয়েছেন তারা। ডলারের অবস্থা তেলের দাম প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরের স্ট্রং পেট্রোলিয়ামের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অব ক্রুড ওয়েল ওয়েস্টেইন বেরেনস্টেন বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, মার্কিন ডলার এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
আর ক্রুডের উদ্বৃত্ত যখন পণ্যের উদ্বৃত্তে পরিণত হবে এবং আমরা ধারণক্ষমতা হারাতে থাকব, তখন তেলের দামের ওপর আরও চাপ পড়বে।’ এদিকে ফরওয়ার্ড মার্কেটে সৌদি রিয়ালের দাম রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। অন্যদিকে মন্দা ঠেকাতে বৃটিশ ওয়েল ও গ্যাস কোম্পানি বিপি প্রায় চার হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!