বিশ্বের অর্ধেক সম্পদের মালিক মাত্র ৬২ জন ধনাঢ্য মানুষ
বিশ্বের ধনাঢ্য ৬২ জন মানুষ এখন বিশ্ব জনসংখ্যার অর্ধেক সম্পদের মালিক। ইউকে ভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান অক্সফ্যামের এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালের পর থেকে অত্যধিক ধনী ব্যক্তিদের সম্পদ বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। তাদের মোট সম্পদের পরিমান গিয়ে ঠেকেছে ১ লাখ ৭৬ হাজার কোটি ডলারে। এই সম্পদ বিশ্বের দরিদ্রতম ৩৫০ কোটি মানুষের মালিকানাধীন সম্পদের সমান। অক্সফ্যাম প্রকাশিত সোমবারের ওই প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, ট্যাক্স ফাকি দেয়ার সুবাদে ধনী ব্যক্তিরা ৭ লাখ ৬০ হাজার কোটি ডলার অর্থ সরিয়ে রাখতে সমর্থ হয়েছেন। এতে করে প্রতিবছর সরকারগুলো বঞ্চিত হয়েছে ১৯ হাজার কোটি ডলার ট্যাক্স রেভিনিউ থেকে। অক্সফ্যাম বলছে, ক্রমাগত কম সংখ্যক মানুষের হাতে কুক্ষিগত হচ্ছে সম্পদ। আর বিশ্বের দরিদ্র ব্যক্তিরা আরও দরিদ্র হয়ে চলেছে। ২০১০ সালে বিশ্বের দরিদ্রতম ৫০ শতাংশের সমপরিমান অর্থের মালিক ছিল ৩৮৮ জন। এবারে সে সংখ্যা কমে দাড়িয়েছে মাত্র ৬২ জনে। যুক্তরাজ্যে অক্সফ্যামের শীর্ষ নির্বাহি মার্ক গোল্ডরিং বলেছেন, ক্রমবর্ধমান সাম্যতার অভান নিয়ে বিশ্ব নেতাদের উদ্বেগ তাদের গৃহীত পদক্ষেপে প্রতিফলিত হচ্ছে না। বিশ্ব জনসংখ্যার দরিদ্র অর্ধেক মানুষ হাতে গোনা অসম্ভব বিত্তশালী কয়েকজনের থেকে বেশি অর্থের মালিক নয় এটা স্রেফ অগ্রহনযোগ্য। এসব বিত্তশালীদের সংখ্যা এতো কম যে, একটা বাসের মধ্যে তাদের বসানো সম্ভব। মার্ক আরও বলেন, যে পৃথিবীকে প্রতি নয় জনের একজন রাতে খালি পেটে ঘুমাতে যায়, সেখানে আমরা সর্বোচ্চ ধনীদের আরও সম্পদ দেয়া অব্যাহত রাখতে পারি না। অক্সফ্যাম আসন্ন ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের সম্মেলনে ট্যাক্স আদায়, ন্যায্য মজুরি নির্ধারনের ওপর জোর দিতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!