Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

মিডিয়ার মিলনমেলায় এক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীর স্বপ্নের কথা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 176 বার

প্রকাশিত: January 27, 2016 | 6:40 PM

নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সংবাদপত্রের সাংবাদিকদ-সম্পাদকগণের এক মিলনমেলায় তুষার বিধ্বস্ত জনপদে রোদেলা সকালের মতোই ঝলসে উঠলো কঠোর পরিশ্রমী এক প্রবাসীর স্বপ্ন পূরণে অদম্য বাসনার ধারা বিবরণী। সততা এবং আন্তরিকতার পাশাপাশি দরদ দিয়ে মনোনিবেশ করলে কোন চাওয়াই অপূর্ণ থাকে না, কেউ পাশে না দাঁড়ালেও কোন কাজ ঠেকে থাকে না-এমন উদাহরণ সৃষ্টিকারি এই প্রবাসীর নাম আকতার হোসেন বাদল। কর্মরত সাংবাদিক এবং সম্পাদকগণের সম্মানে এ মিলনমেলার আয়োজনও করেছিলেন চাঁদপুরের সন্তান ও প্রবাসের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আকতার হোসেন বাদল।
২৮ বছরেরও অধিক সময় যাবত নিউইয়র্কে বসবাসরত বাদল নিজের মেধা ও পরিশ্রমের সমন্বয় ঘটিয়ে কীভাবে মার্কিন ধারায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, কীভাবে নির্মাণ সেক্টরে ব্যবসায়িক আসন পোক্ত করেছেন ইত্যাদি অবলিলায় উপস্থাপন করেন। আর এভাবেই তার ব্যবসায়িক দিগন্ত বিস্তৃত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা পেড়িয়ে মেক্সিকো, ডোমিনিকান রিপাবলিক, চীন এবং পানামায়-সে কথাও প্রকাশ করেন মিডিয়ার কাছে। নির্মাণ ব্যবসার নানা সামগ্রি ক্রয়ের জন্যে এসব দেশে যাতায়াতের মধ্য দিয়ে এখন রিয়েল এস্টেট এবং রেস্টুরেন্ট ব্যবসাতেও পা বাড়িয়েছেন নিউইয়র্কস্থ এশিয়ান-আমেরিকান কাউন্সিলর এই ব্যবসায়ী বাদল। আরএলবি গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বাদল নিজেই তার সাফল্যের কাহিনী উপস্থাপন করলেন নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের এ মিলনমেলায়। এনআরবি নিউজ
২৫ জানুয়ারি সোমবার রাতে কুইন্সের উডসাইডে ‘পাপারাজি ট্র্যাটোরিয়া’ রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠানে ছিলেন না কোন বক্তা। উপস্থাপনার নামে চাটুকারিতার ঘটনাও ঘটেনি। একেবারেই সাদামাটা এ আয়োজনে কেবলই ছিল খাবারের মাধ্যমে আতিথেয়তা। রেস্টুরেন্টের স্প্যানিশ মালিক পেড্রো রীজ এ রাতকে উৎসর্গ করেছিলেন ‘বাংলাদেশ ডিনার’ হিসেবে। যদিও বাঙালি কোন খাবার পরিবেশিত হয়নি।
বাদল সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্যে তার এ এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে নিউইয়র্কের মিডিয়ার নিরন্তর সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। গভীর কৃতজ্ঞতা জানান সাংবাদিকদের প্রতি। চলার পথে যদি কোন ত্রুটি হয়ে থাকে সেজন্যে ক্ষমা প্রার্থনাও করেন। বাদল অকৃপণচিত্তে উল্লেখ করেন, সামনের দিনে সকলের সাথে মিশে থাকতে চাই আরো এগিয়ে যেতে। চাই সকলের আন্তরিক সহায়তা। এ সময় নিজের মধ্যে চেপে রাখা একটি দু:খবোধের কথা বলতেও দ্বিধা করেননি। বললেন, শুরুতে অর্থাৎ ১৯৮৮ সালে একটি কাজের জন্যে রেফারেন্স প্রয়োজন হয়েছিল। অনেকের কাছে গিয়েছি। কিন্তু কেউ দেননি। বাদল বলেন, তাই বলে আমি থেমে থাকিনি। ব্রঙ্কসের তদানিন্তন মূলধারার এক নেতার শরনাপন্ন হই। তিনি বিনাবাক্য ব্যয়ে আমার জন্যে সুপারিশ করেছিলেন। সেই যে শুরু, আর থামতে হয়নি। এজন্যে আমি অবশ্য কম্যুনিটিকে দূরে ঠেলে দেইনি। কম্যুনিটির ঐসব কথিত নেতৃবৃন্দের অনেকেই এখন বেঁচে নেই। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। বাদল বলেন, ভাগ্য গড়ার অফুরন্ত সুযোগ রয়েছে এ যুক্তরাষ্ট্রে। তাই এটি ভাবার অবকাশ নেই যে, আমি বাদল এগিয়ে গেলে আরেকজন তা পারবেন না। এক মিলিয়ন বাংলাদেশীর সকলেই এগিয়ে গেলেও সুযোগের ঘাটতি পড়বে না এই আমেরিকায়। বাদল বলেন, মিডিয়ার ভূমিকা অপরিসীম এবং তা দিনদিনই বাড়ছে। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত মিডিয়াগুলোও মূলধারায় মেসেজ দিচ্ছে। প্রায় সকল অফিসেই বাংলা অনুবাদক রয়েছেন। তাদের মাধ্যমে সবকিছু তারাও জানতে পারেন। তাই, মিডিয়াকেও সেভাবেই সবকিছু পরিবেশন করা দরকার। কারণ, কম্যুনিটিকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে বাংলা ভাষার মিডিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। বাদল উল্লেখ করেন, বহির্বিশ্বে অর্জিত অর্থে আমি চাঁদপুরে কিছু করতে চাই। তবে এ জন্যে আরো কিছুদিন সময় নিচ্ছি। চাঁদপুরের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে এমন একটি কিছু করবো-যা প্রকারান্তরে গোটা বাংলাদেশকেই আলোকিত করতে পারবে।
আর এভাবেই স্থানীয় মিডিয়ার সকলে পরস্পরের সহযোগী হয়ে কম্যুনিটির কল্যাণে ব্রত হওয়ার সংকল্পে বর্ণাঢ্য ডিনারে মনোনিবেশ করেন। এ সময় সকলে নানা ইস্যুতে মেতে উঠেন। মিডিয়া ব্যক্তিত্বগণের মধ্যেকার সম্প্রীতির বন্ধন মধুর করার ক্ষেত্রেও বাদলের এ অনুষ্ঠান প্রভাব ফেলবে বলে অনেকের ধারণা।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV