Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘প্রাইমারি’, ‘ককাস’ আসলে কী?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 143 বার

প্রকাশিত: February 16, 2016 | 1:53 PM

মোহাম্মদ আবুল হোসেন : যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১লা ফেব্রুয়ারি আইওয়া ককাসে ভোটের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এর প্রাথমিক প্রক্রিয়া। এর পরই হয়েছে নিউ হ্যাম্পশায়ারে প্রাইমারি নির্বাচন। এভাবে সবগুলো প্রাইমারি ও ককাস মিলে যেসব ডেলিগেটস নির্বাচিত হবেন তারা দলীয় কাউন্সিলে প্রেসিডেন্ট পদে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচিত করবেন। প্রাইমারি ও ককাস নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু জটিলতা আছে। প্রাইমারি কি এবং ককাস কি তা-ই এখানে পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে ও টেরিটোরিতে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয় প্রাইমারি ও ককাস নির্বাচন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের একটি প্রক্রিয়া এই প্রাইমারি ও ককাস নির্বাচন। দেশটির সংবিধানে কখনও এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো এ ব্যবস্থা তৈরি করেছে। কোনো কোনো রাজ্যে শুধু প্রাইমারি নির্বাচন হয়। আবার কোনো রাজ্যে শুধু ককাস নির্বাচন হয়। কোনো রাজ্যে প্রাইমারি ও ককাস দুটিই হয়। প্রাইমারি ও ককাস সাধারণত জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির দিকে শুরু হয়ে থাকে। মধ্য জুনের  ভেতর তা শেষ হয়। এবার শুরু হয়েছে ১লা ফেব্রুয়ারি। শেষ হওয়ার কথা ১৪ই জুন। প্রাইমারি নির্বাচন পরিচালনা করে রাজ্য ও স্থানীয় সরকারগুলো। তবে ককাস নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে করে থাকে। প্রাইমারি বা ককাস নির্বাচন সাধারণত সরাসরি নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তা নির্ধারণের সুযোগ পাওয়ার পরিবর্তে তারা নির্ধারিত করেন যে, প্রতিটি দলের কনভেনশনে কোনো দলের কোনো প্রার্থী কতগুলো ডেলিগেটস সংগ্রহ করলেন। চূড়ান্ত দলীয় কনভেনশনে ওই ডেলিগেটরা দলীয় প্রার্থী নির্বাচন করেন। কোনো রাজ্যে কতগুলো ডেলিগেট থাকবেন তা নির্ধারণ করে দেয় প্রতিটি দল। এক্ষেত্রে একই রাজ্যে এক এক পার্টির ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক ডেলিগেট থাকে। প্রাইমারি ও ককাসে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান কনভেনশনের জন্য যে ডেলিগেট পান প্রার্থীরা তার মধ্যে থাকেন ‘আনপ্লেজড’ ডেলিগেট। এদেরকে বলা হয় সুপার ডেলিগেট। তারা হলেন- বর্তমান ও সাবেক নির্বাচিত কর্মকর্তা ও দলীয় নেতারা। তারাও প্রার্থী নির্বাচনে ভোট দেন। ফলে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান উভয় দলেই আছেন দু’রকম ডেলিগেট। তারা হলেন প্লেজড ও আনপ্লেজড ডেলিগেট। প্লেজড ডেলিগেটদের শুধু ডেলিগেট বলা হয়। আনপ্লেজড ডেলিগেটদের বলা হয় সুপার ডেলিগেট। সুপার ডেলিগেটরা কনভেনশনে মুক্তভাবে তাদের প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে পারেন। প্লেজড বা ডেলিগেটরা হলেন প্রতিটি রাজ্যে দলীয় কমিটি নির্ধারিত ডেলিগেট। তারা তাদের দলীয় আইনের অধীনে ভোট দিয়ে থাকেন। তবে সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোর মধ্যে প্রকৃত কনভেনশন হওয়ার আগেই মনোনীত প্রার্থীরা ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। কনভেনশনের আগে বড় দলগুলোর মনোনয়ন কে পাচ্ছেন তা কনভেনশনের আগে জানা যায় নি এমনটা ঘটেছে সর্বশেষ ১৯৭৬ সালে। তখন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট জেরার্ড ফোর্ড সামান্য ব্যবধানে হেরে যান রোনাল্ড রিগ্যানের কাছে। যুক্তরাষ্ট্রে বেশির ভাগ রাজ্যেই হয়ে থাকে প্রাইমারি নির্বাচন। বেশকিছু রাজ্যে হয়ে থাকে ককাস। ভোটিং কেন্দ্রে না গিয়ে ভোটাররা রাজনৈতিক দলগুলো পরিচালিত ইভেন্টে হাজির হয়ে তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সেখানেই তারা প্রার্থী বেছে নেন এসব ককাসে। ককাসের সুবিধা হলো রাজ্য ও স্থানীয় সরকারের পরিবর্তে এটা সরাসরি পরিচালনা করে রাজ্যের রাজনৈতিক দল। অসুবিধা হলো বেশির ভাগ নির্বাচনী আইন ককাস প্রক্রিয়ায় সাধারণত প্রয়োগ করা হয় না। অনেক রাজ্যে শুধু দলীয় নিবন্ধিত ভোটাররা প্রাইমারিতে ভোট দিতে পারেন। একে বলা হয় ক্লোজড প্রাইমারি। কিছু রাজ্যে সেমি-ক্লোজড প্রাইমারি চর্চা করা হয়, যেখানে দলের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নন (ইন্ডিপেন্ডেন্ট) এমন ভোটারকে প্রাইমারিতে ভোট দেয়ার জন্য বেছে নেয়া হতে পারে। ওদিকে ওপেন প্রাইমারিতে যেকোন ভোটার দলীয় প্রাইমারিতে ভোট দিতে পারেন। এসব প্রক্রিয়ায় একজন ভোটার একটিমাত্র প্রাইমারিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন। যদি তিনি রিপাবলিকান দলের কোনো প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেন তাহলে তিনি আর ডেমোক্রেট দলের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন না। এর উল্টোটাও ঘটতে পারে। অল্প কিছু রাজ্য আছে যেখানে ব্লাঙ্কেট প্রাইমারি হয়ে থাকে। সেখানে ভোটাররা একাধিক প্রাইমারিতে একজন প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে পারেন। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়া ডেমোক্রেটিক পার্টি ২০০০ সালে এ নিয়ে মামলা করে। তখন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এই চর্চা বন্ধ করে দেন। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ