Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন : অন্তর্দ্বন্দ্বে রিপাবলিকান পার্টি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 65 বার

প্রকাশিত: March 5, 2016 | 11:46 PM

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে দলটিতে। বৃহস্পতিবারের দলীয় বিতর্কে নজিরবিহীন প্রদর্শনী আর ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করে দলের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মিট রমনির বক্তব্যে এমনটাই ইঙ্গিত মিলছে। ইউটাহতে দেয়া এক বক্তব্যে রমনি বলেছেন, ‘আমি সর্বান্তকরনে বিশ্বাস করি যে আমরা প্রার্থী বেছে নেয়ার জন্য আরেকটি সময়ের সম্মুখীন যার গভীর প্রভাব শুধু রিপাবলিকান দলের ওপরই নয়, পুরো দেশের ওপর থাকবে।’ সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি ধাপে ধাপে ট্রাম্পের বুদ্ধিবৃত্তি আর চরিত্রের নেতীবাচক দিকগুলো জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছেন। তাকে ভুয়া আর ভ- বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার এ বক্তব্য ছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রিপাবলিকান দলের অনেক বর্ষীয়ান নেতাদের যে মনোভাব রয়েছে তার প্রতিফলন। অপরদিকে রয়েছে রিপাবলিকান দলের বিপুল সংখ্যক ভোটার যাদের ট্রাম্পের প্রতি রয়েছে একনিষ্ঠ সমর্থন। রমনির বক্তব্য গায়ের ধুলো ঝাড়ার মতো ফেলে দিয়েছেন ট্রাম্প। বলেছেন, তিনি ছিলেন একজন ব্যর্থ প্রার্থী। তবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে খোলাখুলি অবস্থান নেয়া একমাত্র ব্যক্তি নন রমনি। দলের সাবেক আরেক প্রার্থী, অ্যারিজোনার সিনেটর জন ম্যাকেইনও তার বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন। একইদিন প্রথিতযশা একদল রক্ষনশীল জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য নয়। সিএনএন এর এক বিশ্লেষনধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, রিপাবলিকান দলের মধ্যে এমন একটি গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতির অবতারণা ঝুকিপূর্ণ। দলের ওপর এর নেতীবাচক প্রভাব পড়বে। রমনি ও তার পক্ষের লোকেরা যে রাস্থা বেছে নিয়েছেন, তাতে ট্রাম্প যদি আসন্ন প্রাইমারি ও ককাসগুলোতে ভালো নৈপুন্য অব্যাহত রাখেন তাহলে উভয়সঙ্কটে পড়বেন রিপাবলিকানরা। হয় তাদেরকে  ট্রাম্পের পক্ষে থাকা লাখ লাখ ভোটারের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করতে রমিনর নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টাকে আপন করে নিতে হবে। এতে ট্রাম্পের লাখো সমর্থককে আলাদা করে দেয়া হবে। আর তারা যদি রিপাবলিকান দলকে প্রত্যাখ্যান করেন তাহলে, সেটা হবে ডেমোক্রেটদের হাতে নির্বাচন তুলে দেয়ার সামিল। অথবা, রিপাবলিকানদের ট্রাম্পকে তাদের শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে হবে। যদিও তেমনটা করলে মধ্যপন্থী ও রক্ষনশীল রিপাবলিকানদের চোখে দলটা পাল্টে যাবে। মধ্যপন্থী আর রক্ষণশীল রিপাবলিকানরা মনে করেন, দলের যে মূলনীতিতে তারা বিশ্বাস করেন তার উল্টো হলেন ট্রাম্প।
বিলিয়নেয়ার এ মনোনয়নপ্রত্যাশীর প্রতি রমনির আক্রমন স্বত্ত্বেও রিপাবলিকান নেতৃত্বে উভয়সঙ্কটের কোন সমাধান হয় নি। বৃহস্পতিবার দলের শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতা সম্ভাব্য দলীয় কোন্দল প্রতিহত করার প্রচেষ্টায় বলেছেন, প্রক্রিয়ায় কোন পরিবর্তন আনা হবে না। রিপাবলিকান জাতীয় কমিটির চেয়ারমেন রেইনস প্রাইবাস বলেছেন, ‘আমরা যখন প্রাথী পর্যন্ত পৌছাবো, দল শীর্ষ প্রার্থীকে শতভাগ সমর্থন দেবে। সে যেই হোক না কেন। আমাদের দায়িত্ব হলো যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেলিগেট পাবেন তাকে সমর্থন দেয়া।’ এদিকে, ট্রাম্পকে সরানোর জন্য দলের রথিমহারথীদের হস্তক্ষেপ করা উচিত এমন ধারণার বিপক্ষে ছোট একটি বিবৃতি দেন সিনেট ফরেন রিলেশন্স কমিটির প্রভাবশালী চেয়ারমেন বব কোর্কার। এতে তিনি বলেছেন, ‘রিপাবলিকান দলের নেতাদের প্রতি আমার বার্তা হলো: আমেরিকান জনগনের কথা শোনার দিকে বেশি মনোযোগ দিন, তাদের কণ্ঠরোধ করার দিকে নয়।’
অতীত ইতিহাস বলে দলীয় অন্তর্দন্দ্ব প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলের জন্য ভালো ফল বয়ে নিয়ে আসে না বললেই চলে। ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ডের একজন রাজনৈতিক দল বিশেষজ্ঞ ডেভিড ক্যারল বলেন, ‘এটা সাধারণত ওই দলের জন্য ভালো হয় না। মার্কিন রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাসে, বিভক্ত দলকে বড় পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। ১৯৭২ সালে ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী জর্জ ম্যাকগভার্ন দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকারী একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি নির্বাচনে শুধু একটিমাত্র অঙ্গরাজ্যে জয়ী হয়েছিলেন। ১৯৬৪ সালে রিপাবলিকান প্রার্থী ব্যারি গোল্ডওয়াটারও পরাজিত হয়েছিলেন। আরও আগে ১৯১২ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নেন তার নতুন প্রগতিশীল দল ‘বুল মুজ পার্টি’ থেকে একা নির্বাচন করবেন। তার ফিরে আসার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করা নিয়ে বিভক্ত হয়েছিল রিপাবলিকান দল। এতে হোয়াইট হাউজে পৌছানোর দৌড়ে লাভবান হয়েছিলেন একজন ডেমোক্রেট। তিনি ছিলেন উড্রো উইলসন। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV