Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সম্প্রীতি মঞ্চ ও উদীচীর একাডেমিক আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 177 বার

প্রকাশিত: March 31, 2016 | 8:55 AM

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশ প্লাজায় সম্প্রীতি মঞ্চ ও উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ উদ্যোগে গত ২৭শে মার্চ রোববার বিকেল ৬টায় ৪৫তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপিত হয়। আলোচ্য বিষয় ছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও স্বাধীনতা অর্জনে চার প্রথিতযশা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবার রহমান, মণি সিং, তাজউদ্দীন আহমেদ ও অধ্যাপক মোজাফফর আহমদকে নিয়ে একাডেমিক আলোচনা। আলোচনা করেন যথাক্রমে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ড. নুরুন নবী, মণি সিংহ-কে নিয়ে ঢাকা থেকে আগত মহিলা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদিকা রাখী দাশপুরকায়স্থ, তাজউদ্দীন আহমদকে নিয়ে কৌশিক আহমেদ এবং অধ্যাপক মোজাফফর আহমদকে নিয়ে অধ্যাপক সৈয়দ মুজিবুর রহমান। তাছাড়া গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও স্বাধীনতা অর্জনে গণতান্ত্রিক দলসমূহের ভূমিকা শীষক আলোচনা করেন বেলাল বেগ। ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করে সাংবাদিক ও নারী নেত্রী নিনি ওয়াহেদ। ২৫শে মার্চ কালোরাত্রি নিয়ে আলোচনা করেন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ সন্তান শামীম রেজা নূর। শুরুতে স্বাধীনতার পটভূমি তৈরির উৎস শীর্ষক বক্তব্য দিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন উদীচীর সিনিয়র সহসভাপতি সুব্রত বিশ^াস। আলোচনার সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ রাজনীতিবীদ গজননফর আলী চৌধুরী। সভার শুরুতে উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ সম্পাদক জীবন বিশ^াসের পরিচালনায় উদ্ভোধনী সংগীত পরিবেশন করেন উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পীবৃন্দ।
আলোচনার শুরুতে সুব্রত বিশ^াস বেনিয়া বৃটিশ সা¤্রাজ্যবাদকে তাড়তে গিয়ে কিভাবে এবং কেন ভারতবর্ষ দ্বিখন্ডিত হলো, পরবর্তীতে ১৯৪৮ থেকে একাত্তর পর্যন্ত রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের জন্ম, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেওে স্বাধীনতার পটভূমি তৈরি হয় তার বিষদ ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।
সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ স্বাধীনতা যুদ্ধে ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন ১৯৫২ সালে প্রগতিশীল ছাত্র ইউনিয়ন গঠিত হয়। এই সংগঠন পরবর্তীতে ছাত্রদের সমস্যা, শিক্ষা সমস্যা, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিটি আন্দোলনে এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা যুদ্ধে অভূতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন আমি সেই গর্বিত সংগঠনের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে আজও নিজেকে ধন্য মনে করি। তিনি আরো বলেন এই সংগঠন সকল ছাত্র সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে ছাত্র সমস্যা ও আন্দোলন ছাড়া বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক দলসমূহকে ঐক্যবদ্ধ করতে বাধ্য করেছে।
শহীদ সাংবাদিক সিরাজউদ্দিনের ছেলে শামীম রেজা নূর বলেন, ২৫শে মার্চ কালো রাত্রি ছিল ২৪ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের চুড়ান্ত পর্যায়ের বহিঃপ্রকাশ। এটা স্বাধীনতাযুদ্ধকে অবধারিত করে বাংলাদেশের জন্ম তরান্বিত করেছিল। তিনি বলেন, ২৫শে মার্চের ঘটনা না ঘটলে, পাকবাহিনী নিরীহ বাঙালীর ওপর সশসন্ত্র আক্রমণ শুরু না করলে বাঙালির স্বাধীনতার জন্য আমাদের হয়তো আরো অপেক্ষা করতে হতো।
বেলাল বেগ বলেন, পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করে দেশ স্বাধীন করতে তখনকার স্বাধীনতাকামী সকল রাজনৈতিক দল এবং ছাত্রসংগঠনের ঐক্যবদ্ধতা আমাদের লক্ষ্য অর্জনে ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য স্বাধীনতার পর থেকে আমরা সেই ঐক্য লক্ষ্য করিনা। বঙ্গবন্ধুর জীবিতকালে যতটুকু ছিল আজ তার প্রয়োজনই রাজনৈতিক দলগুলো অনুভব করছে না। করছে না বলেই আজ স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি আমাদের হুমকি হয়ে আছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতা কর্মীরা আজ খাই খাই করে পাগল প্রায় অথচ দেশের প্রতি জাতির প্রতি তাদের সামান্যতম দায়িত্ববোধের পরিচয় বা ভ’মিকা নেই। এই অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের সামনে চরম অশনিসংকেত অপেক্ষা করছে বলে আমি মনে করি।
জনাব কৌশিক আহমেদ তাজউদ্দিন আহমদ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, তাজউদ্দিন ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ডান হস্ত। তিনি বলেন রাম যেমন ভরতের পাদুকা সিংহাসনে রেখে তার প্রতি আনুগত্যের প্রতীকরূপে রাজ্য শাসন করেছিলেন, তাজউদ্দিনও বঙ্গবন্ধুর আদেশ-নির্দেশ, নীতি আদর্শ শীরধার্য করে বাংলাদেশে স্বাধীন করেছিলেন। দলীয়, পারিপার্শিক, আন্তর্জাতিক সকল প্রতিকুলতা মোকাবেলা করেই বঙ্গবন্ধুর অসম্পূর্ণ আরাধ্য কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় তাজউদ্দিনকে আজ আমরা যথাযথ মূল্যায়ন করছি না।
অধ্যাপক সৈয়দ মুজিবুর রহমান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদে সম্পর্কে বলতে যেয়ে বলেন, তিনি ছিলেন একজন প-িত ব্যক্তি। দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণই ছিল তার জীবনের ব্রত। আজ মৃত্যু শয্যায় স্বাধীনতা সংগ্রামের একমাত্র জীবিত উপদেষ্টা। তাকে সরকার যথাযথ মর্যাদা দিতে চরম সংকীর্ণতার পরিচয় রেখেছে। তিনি বলেন সরকার কিভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন উপদেষ্টাকে গতানুগতিক জিয়াউর রহমানের প্রচলন করা স্বাধীনতা পদক দেবার সংকীর্ণতা দেখায়। আমি তার নিন্দা জানাই।
মহিলা পরিষদ নেত্রী রাখী দাশ পুরকায়স্থ বলেন, আজ স্বাধীনতার মাস, বিজয়ের মাস সুতরাং আমরা সকলেই গর্ব করি স্বাধীনতার সংগ্রাম নিয়ে। আমি প্রথমে অবশ্যই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। সাথে সাথে গভীরভাবে শ্রদ্ধা জানাই দেশে বিদেশে থাকা সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি। আমি অবশ্যই বলবো এবং আমরা সকলেই জানি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রাম হয়েছে, কিন্তু অস্বীকার করার নয় ৯ মাসের এই সংগ্রামকে বাস্তবে এগিয়ে নিয়ে যেতে অনেক কুশলীব আছেন যারা সামনে থেকে সংগ্রাম ও অবদান রেখেছেন, অনেকে আছেন যারা পেছন থেকে অবদান রেখেছেন। অবশ্যই আমি জাতির জনক ও বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমার শ্রদ্ধা রেখে বলছি, যাকে আমি এবং আমরা আমাদের ছাত্র জীবনে শৈশবে না কৈশোরে এবং তারুণ্যে প্রবাদ পুরুষ হিসেবে যার গল্প শুনে এসেছি চোখে দেখিনি, সেই প্রবাদপুরুষ মহারাজ মণি সিংহ সম্পর্কে আমাকে বলতে বলায় আমি গর্ববোধ করছি। কারণ মণি সিংহকে অনেকেই বড় ভাই বলে ডাকতেন। তিনি দেখতে একজন সুঠামদেহী সুপুরুষ ছিলেন। তিনি কখনো নুইয়ে পড়তেন না, সকল সময় সোজা থাকতেন। আমরা যখন ছাত্র তখন তার বক্তৃতা শুনতে যেতাম। বক্তৃতায় আঙ্গুল তুলে শেষ কথটিা বলতেন, আমি দেখে যেতে পারি বা না পারি এদেশে একদিন সমাজতন্ত্র হবেই।
তিনি বলেন অনেকে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের কথা বলেছেন, আমি তাকে কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। অনেক মানুষের অনেক সমালোচনা আছে কিন্তু তার অবদানকে অস্বীকার করার নয়। সুতরাং ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে ইতিহাসের দৃষ্টিতেই সকলকে আমাদের দেখা উচিত বলে আমি মনে করি। তিনি শহীদ সাংবাদিক সিরাজউদ্দিনের একটি লেখার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি লিখেছিলেন ইতিহাসকে ইতিহাসের মত করেই দেখা উচিত। নিজের করে নয়।
স্বাধীনতা সংগ্রামে কত মানুষের, কত নেতার, কত কর্মীর, কত সংগঠনের অবদান, মেধা, শ্রম রয়েছে। কেবলমাত্র একজনের কথা বললে তাকেও খাটো করা হয়। কারণ একটি মানুষ শুধুমাত্র তার হাতের পাঁচটি আঙ্গুল দিয়ে কাজ করে না, চলে না। তার সমস্ত শরীর, হাত-পা দিয়ে চলে। সুতরাং বঙ্গবন্ধর হাত-পা সবকিছুতেই ছিল জনগণ এবং তার চারপাশে ছিলেন এই মহাপুরুষরা। তাদেরকে তিনি তাঁর শক্তি হিসেবে দেখেছিলেন। আমি আমরা ইতিহাস থেকে অনেক কিছুই জানি। আবার আমরা অনেকে অনেক ইতিহাস আমরা নিজের মতো করে বলি। কিন্তু ইতিহাসকে ইতিহাসের মতো করেই বলতে হবে। আমি ইতিহাস থেকে যেটুকু জানি তা হলো, ১৯৬১ সনে সাংবাদিক মানিক মিয়ার মধ্যস্থতায় মণি সিং, খোকা রায় ও বঙ্গবন্ধু তথা তৎকালীন শেখ মুজিবুর রহমানে মধ্যে একবার নয় চারবার বৈঠক হয়েছিল। এবং সেই বৈঠকেই ঠিক হয়েছিল তারা এক সাথে চলবেন, এক সাথে দেশের মুক্তির জন্য কাজ করবেন। এখানে আমি সেদিনের বৈঠকের এটুকুই বলতে চাই যে, বঙ্গবন্ধু সেদিন তার মুখ দিয়ে মণি সিংকে বলেছিলেন যে, দাদা আপনি এবং আপনারা সংগ্রামের বহু পোড় খাওয়া নেতা। আপনারা বলুন কিভাবে আন্দোলন শুরু করা যায়। সামরিক শাসন দেশটাকে একেবারে ছিড়ে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে, ছারখার করে দিচ্ছে, প্রতিবাদের পথ বন্ধ করে পাঞ্জাবী বিগ বিজনেসম্যানরা লুটে নিচ্ছে বাংলাদেশ। সোনার বাংলা শ্মশান করে দিচ্ছে, এ অবস্থা চলতে পারেনা। দেশের মানুষও তৈরি শুধু সাহস করে ডাক দেওয়ার ব্যাপার। আপনারা পথ নির্দেশ করুন। তাহলে এতবড় একজন নেতা যিনি নিজে সম্মানিত হয়েছেন অন্যকেও সম্মান জানিয়েছেন। সুতরাং আমরা যে আজকের সময়ে এসে আমারটাই কেবল ভাল অন্যেরটা খারাপ আমার মনে হয় এই জায়গাটায় আমাদের ত্রুটি রয়েছে। এই জায়গাটা আমাদের নিজের দিকে তাকানোর দরকার আছে বলে আমি মনে করি।
দ্বিতীয় কথা এই একষট্টি সনের পর থেকে আমরা দেখতে পাই যে বাম গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং আওয়ামী লীগ তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা একাগ্রতাই আন্দোলন সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, ৫২ সালে ভাষার আন্দোলন, ৬২’র ছাত্রদের শিক্ষা আন্দোলন, ৬৮/৬৯-এর আন্দোলনে হয়েছে কিন্তু এসব আন্দোলনে কেউ না কেউ বা দল পেছন থেকে নেতৃত্ব বা সাহস যুগিয়েছে। নিশ্চয় তার পেছনে ছিলেন মণি সিংহ, মোজাফফর আহমেদ না হয় মৌলানা ভাসানী। সুতরাং ইতিহাসকে যদি আমরা ধারণ করি তবে সকল কিছুকেই আমাদেরকে লালন ও ধারণ করতে হবে। এবং আমার মনে হয় এই সময়ে এই জায়গাটায় আমরা আমাদের নতুন প্রজন্ম ও দেশবাসীকে সঠিক ইতিহাস বা ধারণা বা চিত্রটা দিতে পারছি না, এটা আমাদের ব্যর্থতা। সুতরাং সবার উপরে যে আছে সবার উপরে তাঁর থাকার জন্য তাঁর পায়ের নিচে মাটি দরকার। সে মাটিটা ধারন করার জন্য সকলকে ধারণ করা দরকার। অনেকে বলেন স্বাধীনতা যুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ কেবল আওয়ামী লীগ করেছে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে অস্বীকার করার নয়। কিন্তু তার সাথে ন্যাপ, কমিউনিষ্ট পার্টি,ছাত্র ইউনিয়নের ২২ হাজার গেরিলা যুদ্ধ করেছে তাদের অবদানের স্বীকৃতি কোথায়? স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরে এসে আজও এর জন্যে সংগ্রাম করতে হচ্ছে, হাইকোর্টে রিট আবেদন করতে হচ্ছে যে, যে গেজেটা তাদের জন্য করা হয়েছিল সেটাকে স্থগিত করা হয়েছে। এব্ং সেই স্থগিতাদেশকে আবার স্থগিত করা হয়েছে। এটার জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। সুতরাং ইতিহাসকে জানতে হলে ইতিহাসের ব্যাখ্যা দিতে হলে আমার আমাদের নিজের মতো করে যেন না দেই। ইতিহাসের মতো করে যেন বলি বা দেই। আরেকটা কথা এই বঙ্গবন্ধু, মণি সিংহ, মোজাফফর আহমেদ, পীর সাহেব এদের কাছে থেকে আমরা কি শিখেছি। তাদেরকে দেখে আমাদের মনে হয়েছে আমরা যেন তাদের মতো করে গড়ে তুলি। সেই সময়ের সেই আস্থা ও বিশ^াসের জায়গাটিকে যদি আমরা ধারন করে চলি তবেই আমরা হয়তো আমাদের বিপদ এবং দূরত্বের জায়গাকে কাটিয়ে উঠতে পারবো।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV