বিশ্বে রোগা মানুষের চেয়ে মোটা মানুষের সংখ্যাই বেশি : ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রায় ১৮ শতাংশ পুরুষ ও ২১ শতাংশ নারীর ওজন হবে স্বাভাবিকের চাইতে বেশি
বিশ্বে প্রথমবারের মতো মোটা মানুষরা সংখ্যায় এগিয়ে গিয়েছে রোগা মানুষদের চেয়ে। আর মানুষের মোটা হওয়ার প্রবণতা ২০২৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তাতে করে ওই সময় নাগাদ বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ মানুষের ওজনই হবে স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে বেশি। এই প্রবণতা মহামারী আকার ধারণ করতে পারে। তা ঠেকাতে এখনই নিতে হবে পদক্ষেপ। যুক্তরাজ্যের স্বীকৃত স্বাস্থ্য জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। খবরে বলা হয়, ২০২৫ সাল নাগাদ গোটা বিশ্বের প্রায় ১৮ শতাংশ পুরুষ ও ২১ শতাংশ নারীর ওজন হবে স্বাভাবিকের চাইতে বেশি। শরীরের ওজন বিষয়ক এক সূচকের বিশ্লেষণ থেকে ওই প্রতিবেদনের গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে বিশ্বের দুইশ’ দেশে। তাতে বেরিয়ে এসেছে, ১৯৭৫ সালে বিশ্বব্যাপী স্থূলকায় মানুষের সংখ্যা ছিল ১০ কোটি ৫০ লাখ। সেখান থেকে ২০১৪ সালে এসে স্থূলকায় মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪ কোটি দশ লাখে। বর্তমানে প্রতি ১০ জন পুরুষের একজন ও সাতজন নারীর একজন স্থূলতায় আক্রান্ত। তাছাড়া এই প্রথমবারের মতো স্বাভাবিক ওজনের চাইতে কম ওজনের মানুষের সংখ্যাকে পেরিয়ে গেছে অতিরিক্ত ওজনের মানুষের সংখ্যা। জ্যেষ্ঠ গবেষক ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক মাজিদ ইজ্জাতি বলেন, ‘আগে স্বাভাবিক ওজনের অতিরিক্ত ওজনের মানুষের চেয়ে কম ওজনের মানুষের সংখ্যাই বেশি ছিল। গত ৪০ বছর ধরে এই প্রবণতা বদলে গিয়েছে। শারীরিক সুস্থতাকে আক্রান্ত করতে পারে এমন অতিরিক্ত ওজনের মানুষের সংখ্যা এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।’ গবেষণায় উঠে এসেছে, গত চার দশকের প্রতিটিতেই মানুষের ওজন আগের দশকের চেয়ে প্রায় দেড় কেজি করে বেড়েছে। প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্ক স্থূলকায় মানুষদের পাঁচ ভাগের এক ভাগেরই বসবাস উচ্চ আয়ের ছয়টি দেশে। এই দেশগুলো হলো- অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। অতিরিক্ত স্থূলতার এই প্রবণতা যাতে মহামারী আকার ধারণ না করে, তার জন্য এখনই উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে পরামর্শ দেয়া হয়েছে ওই গবেষণা প্রতিবেদনে। তবে স্থূলতার মহামারী আকার ধারণ করার আশঙ্কার সঙ্গে সঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত কম ওজনের সমস্যার কথাও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। এমন মানুষের সংখ্যা বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোতে প্রকট। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রায় চার ভাগের এক ভাগ মানুষের ওজনই স্বাভাবিকের চেয়ে কম। মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতেও ১২ শতাংশ নারী ও ১৫ শতাংশ পুরুষের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম। এর মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের ২০ শতাংশেরও বেশি পুরুষ ও ২৫ শতাংশেরও বেশি নারীর ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম। স্থূলতার পাশাপাশি তাই মানুষের কম ওজনের বিষয়েও মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে ওই গবেষণা প্রতিবেদন। মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!