Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

ইংল্যান্ডে ৩০ বছরের সব বিয়েই অবৈধ!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 86 বার

প্রকাশিত: November 25, 2010 | 11:16 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: গত ৩০ বছরে ইংল্যান্ডে যতো বিয়ে হয়েছে তার সবই অবৈধ! গির্জাই এ বিয়েগুলো পড়িয়েছে। প্রায় ২০ লাখ দম্পতি এ ৩ দশকে যে ‘বিবাহ বন্ধনে’ আবদ্ধ হয়েছেন তা আইনসম্মত বিয়ে ছিল না। আইন সংশোধনের ভুলে এ কাণ্ডটি ঘটেছে। দ্য মেইল জানায়, গত মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল বুঝতে পারে।ভুল ধরার পর এক হিসাবে দেখা যায়, ভুল আইনের অধীনেই কমপক্ষে ১০ লাখ বিয়ে পড়ানো হয়েছে। খ্রিষ্টান বিয়েতে বিয়ের সপ্তাহখানেক আগে গির্জায় একটি বিবাহ বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা করা হয়। ৩ বার সজোরে জনসমক্ষে এ ঘোষণা পাঠ করা হয়। এতে বলা হয়-‘এই দুজন পবিত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন না, এমন কোন যৌক্তিক কারণ কারও জানা আছে কি?’ ১৯৪৯ সালের বিবাহ আইনে বলা হয়েছে, ১৬৬২ সালে প্রণীত ‘বুক অব কমন প্রেয়ার’ বইয়ে উদ্ধৃত এ বিবাহ বিজ্ঞপ্তিটি পাঠ করতে হবে। কিন্তু ১৯৮০ সালে বুক অব কমন প্রেয়ার বইটি বাদ দিয়ে নতুন ‘অল্টারনেটিভ সার্ভিস বুক’ চালু করা হয়। এতে ওই বিজ্ঞপ্তির ভাষা একটু পাল্টে যায়। এতে ‘আইনগত কারণ’ আছে কিনা জানতে চাওয়া হয়। যাহোক, ১৬৬২ সালে নির্ধারিত ওই বিজ্ঞপ্তি বাতিল হলেও তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবর্তন করা হয়নি ১৯৪৯ সালের বিবাহ আইনটি। কর্তৃপক্ষের ভুলেই এ আইনটি অপরিবর্তিত থেকে যায়। ১৯৮০ সালের পর থেকে নতুন বিজ্ঞপ্তি পাঠ করেই বিয়ে পড়ানো শুরু হয়। এটি বিবাহ আইনের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় ১৯৮০ সালের পরবর্তী বিয়েগুলো আইনসম্মত হয়নি। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এ ভুলের কারণে বিয়েতে কোন সমস্যা নেই। যেহেতু স্বামী-স্ত্রী দু’পক্ষই গির্জায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন, সেক্ষেত্রে আইনের ভুলটি আপাতত উপেক্ষা করা যায়। বিয়ে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তা কোন অজুহাত হবে না। আইনটি এখন সংশোধন করে পার্লামেন্টে তোলা হবে। তারই প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ