যুক্তরাষ্ট্রে হুমকির মুখে বাংলাদেশী মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানগুলো
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং নীতিমালায় কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপে হুমকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশী মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানগুলো। নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় অধিক বীমা ব্যয় ও কঠোর শর্তাবলীর কারণে একটি ব্যাংক ছাড়া আর কোন ব্যাংকই বাংলাদেশী রেমিটেন্স প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাউন্ট নিতে রাজি হচ্ছে না।
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন দেশের একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই বলে মত সংশ্লিষ্টদের। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিবছর বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সোনালী এক্সচেঞ্জ, স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেস, এন-বি-এল, ব্যাংক এশিয়া এক্সপ্রেস, জনতা এক্সপ্রেস, রুপালী এক্সপ্রেস এই ৬টি দেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠিয়ে থাকে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানের এম-এস-বি একাউন্ট নিতে রাজি না হওয়ায় এর পেছনে ব্যাংকিং নীতিমালার কঠোর শর্তাবলীকে দায়ী করলেন ঐসব প্রতিষ্ঠানের কর্মপ্রধানরা।
এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে, বাংলাদেশের একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা না গেলে এ খাতে সরকারকে বড় ধরনের ধসের মুখে পড়তে হবে বলে তারা সতর্ক করেন। এদিকে নতুন করে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা না করেও মানি এক্সচেঞ্জগুলোকেই ব্যাংকে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিনটন প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তা ও এটর্নি শ্যন থেভার।
দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং প্রবাসীদের কথা ভেবে সরকারকে এখনই উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান সচেতন প্রবাসীরা। সময় টিভি
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation