নিউইয়র্কে তিন বাংলার জনপ্রিয় কবিতার ডকুমেন্টারি : কবিতা আহ্বান
নিউইয়র্ক : প্রবাসের অন্যতম সাহিত্য, আবৃত্তি, অভিনয় ও সঙ্গীত চর্চা বিষয়ক সংগঠন গাঙচিল এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বাংলা কবিতার ডকুমেন্টারি গ্রন্থ। বিগত প্রায় ৬০ বছর থেকে এযাবৎ বাংলাদেশ, পঃ বঙ্গ এবং প্রবাসের কবিতার অঙ্গনে দূর্দান্ত উচ্চারিত শ্রেষ্ঠ কবিতা সমূহ থেকে ৩৫০ টি কবিতা নিয়ে কম্যুনিটির নিবেদিত প্রাণ সাহিত্য ও সংস্কৃতিকর্মী খান শওকত এর স¤পাদনায় প্রকাশ হতে যাচ্ছে এই আবৃত্তি সংকলন। বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং প্রবাসের জনপ্রিয় কবিদের শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো এতে সংকলিত হচ্ছে। দেশ স্বাধীনের পূর্বে স্কুল বা কলেজে যেসব কবিতা পাঠ্য পুস্তকে ছিলো, সে কবিতাগুলো সে সময়ে প্রচন্ড জনপ্রিয় ছিলো। কবিতাগুলো সবার মুখে মুখে উচ্চারিত ছিলো, কিন্তু এখন সে কবিতাগুলো অনেকটা বিরল। এমন কিছু কবিতাও তিনি তুলে ধরতে যাচ্ছেন এই নতুন গ্রন্থে। এটির নাম “তিন বাংলার জনপ্রিয় কবিতা”।
একান্তই নিজের পছন্দের কবিতা পাঠ করার জন্য ১৯৭৫ সাল থেকে তিনি কবিতা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন। একটা, একটা করে এ পর্যন্ত শতাধিক কবির প্রায় সাড়ে তিন শত কবিতা সংগ্রহ করেছেন তিনি। এই কবিতাগুলো আবৃত্তির মঞ্চে বেশ জনপ্রিয়। একত্রে এতগুলো কবিতা নিয়ে আবৃত্তিকারদের জন্য এ ধরনের গ্রন্থের সংখ্যা খুবই কম। যে সকল কবির কবিতা এই গ্রন্থে থাকছে তার মধ্যে অন্যতম: আমার সোনার বাংলা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), ভগবান তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ (রবীন্দ্রনাথ), আমার যেতে ইচ্ছে করে নদীটির (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), তালগাছ একপায়ে দাড়িঁয়ে, সব গাছ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), আমি আজ কানাই মাষ্টার (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), কিনু গোয়ালার গলি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), আমরা দুজনা স্বর্গ খেলনা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), আজি এ প্রভাতে রবির কর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), গগনে গরজে মেঘ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর), আমি হব সকাল বেলার পাখী (কাজী নজরুল ইসলাম), বল বীর বল উন্নত মমশির! (কাজী নজরুল ইসলাম), বাবুদের তাল পুকুরে, হাবুদের (কাজী নজরুল ইসলাম), ঝিঙ্গেঁ ফুল ঝিঙ্গেঁ ফুল, সবুজ (কাজী নজরুল ইসলাম), মোরা একবৃন্তে দুটি কুসুম (কাজী নজরুল ইসলাম), দূর্গম গীরি কান্তার মরু, দূস্তর (কাজী নজরুল ইসলাম), আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে (কাজী নজরুল ইসলাম), থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে (কাজী নজরুল ইসলাম), গাহি সাম্যের গান, মানুষের (কাজী নজরুল ইসলাম), গাহি সাম্যের গান (কাজী নজরুল ইসলাম), কাঠ বিড়ালী কাঠ বিড়ালী, (কাজী নজরুল ইসলাম), বন্ধুগণ, আপনারা যে সওগাত (কাজী নজরুল ইসলাম), যেদিন আমি হারিয়ে যাবো বুঝবে (কাজী নজরুল), ভোর হলো দোর খোলো খুকুমনি (কাজী নজরুল), আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো (আ: গাফফার চৌধুরী), মোদের গরব মোদের আশা (অতুল প্রসাদ সেনগুপ্ত), কাঁদতে আসিনি, ফাঁসীর দাবী (মাহবুবল আলম চৌধুরী) , কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে (আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ্), এখানে সংসার ছিলো, গাছ-পাখি (আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ), স্বাধীনতা তুমি রবীঠাকুরের অজর (শামসুর রাহমান), তোমাকে পাওয়ার জন্য (শামসুর রাহমান), যখন তোমাকে দেখি আমি (শামসুর রাহমান), বর্ণমালা, আমার দু:খিনী বর্ণমালা (শামসুর রাহমান), আমার মৃত্যুর পরেও যদি (শামসুর রাহমান), লতাগুল্ম বাঁশঝাড় বাবুই পাখির (শামসুর রাহমান), ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা, এবার (শামসুর রাহমান), আসমানীরে দেখতে যদি (জসীম উদ্দিন), আমার বাড়ি যাইও ভোমর (জসীম উদ্দিন), আমার এঘর ভাঙ্গিঁয়াছে যেবা, আমি (জসীম উদ্দীন), আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাকেঁ (জসীম উদ্দিন), রাখাল ছেলে, রাখাল ছেলে, বারেক (জসীম উদ্দিন), তুমি যাবে ভাই যাবে মোর সাথে (জসীম উদ্দীন), আমার গোপন প্রেম (নির্মলেন্দু গুণ), আমি যখন বাড়িতে পৌঁছলাম তখন (নির্মলেন্দু গুণ), এইবার হাত দাও, টের পাচ্ছো ((নির্মলেন্দু গুণ), হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে, মন (নির্মলেন্দু গুণ), গৃহত্যাগী জোছনা (হুমাউন আহমেদ), কব্বর (হুমাউন আহমেদ), তিনি (হুমাউন আহমেদ), অশ্রু (হুমায়ূন আহমেদ), মন যদি কাঁদে (হুমাউন আহমেদ), আমাকে ভালোবাসতে হবেনা (হুমাউন আহমেদ), আমার ঠাকুমা এক বৃষ্টি ধোয়া (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়), কেউ কথা রাখেনি (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়), সেই যে খোকন বেরিয়ে গেছে (লুৎফর রহমান রিটন), আমায় একটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী দাও (লুৎফর রহমান রিটন), শুভ জন্মদিন চ্যাপলিন, বেদনার (লুৎফর রহমান রিটন), সহি রাজাকার নামা (লুৎফর রহমান), যে শিশু ভুমিষ্ঠ হলো আজ রাত্রে (সুকান্ত ভট্টাচার্য), হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ (সুকান্ত ভট্টাচার্য্য), সীমান্তে আজ আমি প্রহরী (সুকান্ত ভট্ট্রাচার্য্য), একটি মোরগের আত্মকাহিনী (সুকান্ত ভট্টাচার্য), অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি (সুকান্ত ভট্টাচার্য), কষ্ট নেবে কষ্ট (হেলাল হাফিজ), হিরন বালা তোমার কাছে আমি দারুন (হেলাল হাফিজ), ইচ্ছে ছিলো তোমাকে স¤্রাজ্ঞী করে (হেলাল হাফিজ), আমি এখন অন্য মানুষ ভিন্নভাবে কথা (হেলাল হাফিজ), এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার (হেলাল হাফিজ), এখন তুমি কোথায় আছো কেমন (হেলাল হাফিজ), এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার (হেলাল হাফিজ), হাজার বছর ধরে আমি পথ (জীবনানন্দ দাস), আবার আসিবো ফিরে, ধানসিড়িটির (জীবনানন্দ দাস), বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি (জীবনানন্দ দাস), শোনা গেল লাশকাটা ঘরে নিয়ে গেছে (জীবনানন্দ দাশ), তুমি চলে যাবে বলতেই বুকের মধ্যে (মহাদেব সাহা), দুপুর যেন তন্দ্রাহত বন (মহাদেব সাহা), একদিন এই দেশটাতে, দানবেরা (মহাদেব সাহা), করুণা করে হলেও চিঠি দিও (মহাদেব সাহা), দেহের উষ্ণ রক্ত কনা (রফিক আজাদ), ভালোবাসা মানে দুজনের পাগলামী (রফিক আজাদ), যদি ভালোবাসা পাই, আবার শুধরে (রফিক আজাদ), তুমি যেসব ভুল করতে সেগুলো (রফিক আজাদ), এ্যাটেনশান! বন্ধুরা আপনারা (তারাপদ রায়), আমি জন্মেছি বাংলায়,আমি (সৈয়দ শামসুল হক), দুজন খসখসে সবুজ উর্দীপরা (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়), এই হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়), আয়নার পাশে একটু অন্ধকার ছায়া (পূর্নেন্দু পত্রী), নুরুলদীনের সারাজীবন (সৈয়দ শামসুল হক), হে তরুণ, হে যুবক, হে শ্রমিক (আনিসুল হক), আমি তোমার সামনে নতজানু (ফরহাদ মাজহার), আমিই সেই মেয়ে, বাসে-ট্রামে-ট্রেনে (শুভ দাস গুপ্ত), এরশাদ তো একদা করিলো ভীষণ পন (অজয় দাসগুপ্ত), কখন যে কোন মেয়ে বলেছিলো হেসে (আল মাহমুদ), চলতে চলতে বলতে থাকি তোমার কথা (আল মাহমুদ), আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে (আল মাহমুদ), পারিবোনা কথাটি বলিও না আর (কালীপ্রসন্ন ঘোষ), মৌমাছি মৌমাছি, কোথা যাও নাচি (নব কৃষ্ণ ভট্টাচার্য), সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে (মদনমোহন তর্কালঙ্কার), হ্যারে খবরটা কি উড়ো (আখতার হুসেন), ঐ দেখা যায় তালগাছ (খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন), বাবুই পাখীরে ডাকি বলিছে চড়াই (রজনী কাান্ত সেন), করিতে পারিনা কাজ (কামিনী রায়), ধনধন্যে পুষ্পভরা আমাদের এই (দ্বিজেন্দ্র লাল রায়), বাবু রাম সাপুড়ে কোথা যাস বাপুওে (সুকুমার রায়), এমন যদি হতো, ইচ্ছে হলে আমি (সুকুমার বড়ুয়া), দাদ খানি চাল মুশুরির ডাল (যোগীন্দ্রনাথ সরকার), আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে (কুসুমকুমারী দাশ) , একটি গাধার পিঠের ওপর (হাসান হাফিজ), আমার বয়স তখন কতই বা, চার কিংবা (সৃজন সেন), নদীর জলে আগুন ছিলো, আগুন (আসাদ চৌধুরী), অতোটুকু চায়নি বালিকা, অতো শোভা (আবুল হাসান), আমি বাংলায় গান গাই (প্রতুল মুখোপাধ্যায়), হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ (মাইকেল মধুসুদন দত্ত), আজ মনে হয় বসন্ত আমার জীবনে (সুকান্ত ভট্টাচার্য্য), একটা দড়ির দুদিক থেকে টানছে (রোকনুজ্জামান খান), বাংলাদেশে বাড়ি আমার (আতোয়ার রহমান), বাঁশ বাগানের মাথার উপর (যতীন্দ্রমোহন বাগচী), বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি (সুফিয়া কামাল), আমার মায়ের গল্প (তসলিমা নাসরিন), আবার আমি তোমার হাতে রাখবো (তসলিমা নাসরিন), আমি বাংলায় গান গাই (প্রতুল মুখোপাধ্যায়) , আকাশ আমায় শিক্ষা দিলো (সুনির্মল বসু), সফদার ডাক্তার, মাথাভরা ঢাক তার (হোসনে আরা), নুরু, পুশি, আয়েশা শফি, সবাই (গোলাম মোস্তফা), আমরা নুতন আমরা কুড়ি, নিখিন (গোলাম মোস্তফা), আমাদের ছোট গায়ে ছোট ছোট ঘর (বন্দে আলী মিয়া), নন্দলাল তো একদা একটা করিল (দ্বিজেন্দ্র লাল), শোন্ মা আমিনা, রেখে দেয়ে কাজ (হুমাউন কবীর), কোন্ দেশেতে তরুলতা, সকল (সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত), কুকুর আসিয়া এমন কামড় দিলো (সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত), ক্রিং ক্রিং টেলিফোন, হ্যালো, হ্যালো (আবুল কাশেম), আমি মেঘনা পাড়ের ছেলে (আহসান হাবিব), বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই চড়ি সখের (সুকুমার রায়), তোমার কিসের অভাব খোকা (রাশেদ রউফ), কাকা, এই কি বেঁচে থাকা? (আমীরুল ইসলাম), ধন্য সবাই ধন্য, অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে (সুকুমার বড়ুয়া), যখন তোমাকে দেখলাম (সিকদার আমিনুল হক), যখন শীতল এবং দাহন (সৈয়দ আলী আহসান), সাবিত্রি, তোমাকে দেখলাম কাল (সমরেন্দ্র সেনগুপ্ত), আকাশে তুলকালাম মেঘে (সুভাষ মুখোপাধ্যায়), যেন ম্যাটিনি ছবির নায়িকা (মোহাম্মদ রফিক), আগামী কালের চিঠি রেখে গেলে (আল্ মুজাহিদী), ষ্টেইনলেস ব্লেডের মতো ধারালো দৃষ্টি (ইকবাল হাসান), যখন তুমি আর্ধেক মুখ তোলো (সৈয়দ শামসুল হক), আমার স্বপ্নতলায় এসো (হাসান হাফিজুর রহমান), ভালাবাসার জন্য আমি ১৩৮ বার খুন (বেনু দত্ত রায়), পিঠের উপর পিঠ রেখে এই (মৈথিলী), তুমি একদম কাঁদবেনা (সিদ্ধার্থ সিংহ), প্রতিদিন আসে আর ফিরে যায় (মন্দার মুখোপাধ্যায়), রিক্সার দু’চাকা ঘুরলেই ছিটকে (জহর সেন মজুমদার), আস্তে আমাকে ডাকলো (সুব্রত রুদ্র), বিদায় কারো বিষয় নয় (সানাউল হক খান), তবু যদি ছাপার অক্ষরে লেখা (অনুদিত চারুলতা), এই চিঠিটার সঙ্গে (শাশ্বত বন্দোপাধ্যায়), আমি তেমন কোন কবি নই (আবু হেনা মুস্তফা কামাল), ভাবতে ভাবতে তোমার কথা (শ্যামল সরকার), শরীর, আমি সর্বনাশ উড়িয়ে (বিভাষ রায় চৌধুরী), ভালোবাসার ভালো কমই (হাসান হাফিজ), তোমাকে আমি রেখে এসেছি (কবিরুল ইসলাম), উনিশ বছর পরে উল্লাপাড়ায় (আ: রশিদ খান), এই হাত স্পর্শ করো (তপন কুমার মাইতি), এসে দাড়ালে তুমি (নির্মল হালদার), এক একটি জোৎ¯œা রাত (মুনিভূষন ভট্টাচার্য্য), তুমি যাকেই আপন করো (কাজল কানন), ভালোবাসা ফিরে যাও (আনন্দ বানাচী), ভোর হলো, দোর খোলো সংসার (সৌরভ মুখোপাধ্যায়), গোসল খানায় ঢুকে বলেছিলে (সাধনা মুখোপাধ্যায়), তখনো মানুষ ছিলো পৃথিবীতে (আবু হাসান শাহরিয়ার), দাও তোমার হাত দুটো দাও (পলাশ দত্ত), তার মুখে আভা ছিলো (ভুমেন্দ্র গুহ), এখনো ফোটেনী সদাসয় কোন ফুল (গৌতম হাজারা), আমার মধ্যে তুমি, তোমার মধ্যে আমি (অরূপ পান্তি), যে গাছ যতবেশী লম্বা হয় (অনিয়েত পাত্র), ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত (সুভাস মুখোপাধ্যায়), তোমার কাছে এ চিঠি পৌঁছাবে (অজন্ত সিনহা), তোমার শীতলক্ষ্যা আর আমার ময়ুরাক্ষী (অচিন্ত্য সেনগুপ্ত) , তুমি ভালোবেসে ছিলে আগুন আগুন (মল্লিকা সেনগুপ্ত), তুমি ছিলে তুমি ছিলে, এ অমোঘ (আবদুস শুকুর খান), কি জন্যে তোমার কাছে আসি (শিবশম্ভু পাল), পশুর কি দোষ, পশু কি হতে পারে (ফাতেমা তুজ জোহরা), ওঠো, জল ফেলোনা চোখের (বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত), ধৈর্য্য না মানে কন্যা সৈলভ বিলায় (জয়দেব বসু), ভাবতে ভাবতে তোমার কথা (শ্যামল সরকার), ভালোবসি বলে এই অগ্নিহোম প্রয়োজন (ঈশ্বর ত্রিপাঠী), শীত পড়েছে ঝমঝমিয়ে ও মেয়ে তুই পালা (মধুসূদন ঘাটী), অনলাইন ভালোবাসার জন্য একটা (মৃণাল বসু চৌধুরী), কোন্ ঘাঁসে ছিলো দু:খ আমার (আসাদ চৌধুরী), যাকে ভালোবেসে ছিলে তুমি (সুবোধ সরকার), বার্লিন তেকে তোমার জন্যে (পঙ্কজ সাহা), যাবো না তোমাকে ছেড়ে সাক্ষী এই মাটি (প্রদীপ চন্দ্র বসু), আমাকে বুঝাই দে স্বাধীনতা কি (কৃষ্ণ দুলাল চট্টোপাধ্যায়), উপমা বিহীন উৎসব রাতে (কৌশিক বর্মন), বৈশাখের রুদ্র জামা আমাকে পরিয়ে দে (মুস্তাফা আনোয়ার), তুমাদের ভুইলবো নাই (অমল ত্রিবেদী), নদী ও অর্চনার মধ্যে পার্থক্য অনেক (ওমর কায়সার), মার্চ মাসে মেয়েরা কি একটু বেশী উদাসীন (অজয় নাগ), ছুটছে ট্রেন পেরিয়ে পথ, পেরিয়ে মাঠ (আশরাফ সিদ্দিকী), প্রকাশ্যে আপনি, আর জনান্তিকে তুমি (অনাদি রঞ্জন বিশ্বাস), চৈত্র আজ সপ্তপর্ণী পাঠিয়েছে (রাম কিশোর ভট্টাচার্য্য), বিদেশী ডলার পাউ-ের ঢল (অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়), কথার দাম কমে গেছে (কালিদাস ভদ্র), কি আশ্চর্য্য, এতোটুকু বদলায়নি তার কণ্ঠ (কায়সুল হক), ভালোবেসে নগ্ন হতে হয় (সুজিত সরকার), তোমাকে চাইব যখন অনাবিল (তমালিকা প-াশেঠ), আকা বাকা ছোট্ট নদী ডিঙ্গী বাধা ঘাটে (সুনীল কুমার), ও মেয়ে তুই যে কেবল বন্দি আছিস (অমল কর), আমি ছিড়ে খাবো ঐ আবরণ (সোমনাথ মুখোপাধ্যায়), একদিন এক যুবতী স্বপ্ন দেখে ছুটে (দেবদাস আচার্য্য), আশাভঙ্গের বেড়া দিয়েই ঘর বেঁধেছে (আসাদ চৌধুরী), তারপর আমি অনেক্ষণ বসেছিলাম (দাউদ হায়দার), এখনো সমুদ্রনীল, গাঙচিল (আলাউদ্দীন আল আজাদ), তোমার সঙ্গ আমাকে তুমি ভিক্ষা দিয়ে (জাহিদ হায়দার), তোমার পায়ের পাতা গিনি সোনার (ত্রিদিব দস্তিদার), শব্দেরা এখন নয় আমার হাতে (বিজয় কুমার দত্ত), অষ্টাদশীর প্রাকৃত মুখের ভজনা (পার্থ সারথী চৌধুরী), স্বাধীনতা তুমি কি পৌঁছাতে পেরেছো (গাজী কাশেম), কী ভালো আমার লাগলো (বুদ্ধদেব বসু), রক্ত চোখের আগুন মেঘে (সিকান্দার আবু জাফর), আজো আমি বাতাসে লাশের (রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্), যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত (নবারুন ভট্টাচার্য), যেতে চাস, চলেই যাবি, কিন্তু কোথায় (শান্তী লাহেড়ি), বারবারা ভিয়েতনামের উপর তোমার (আসাদ চৌধুরী), ভোরের আলো ফোটার আগে (অজয় দাসগুপ্ত), এক্সপ্রেস ট্রেনের এই গভীর রাতের গতি (উজ্জ্বল সিংহ), আজ আমি ফুলের তোড়া পেয়েছি (পলেট কেলি), ফিরে ফিরে সেই মুখের আদল (পুস্কর দাসগুপ্ত), তুই কি আমার দু:ক্ষ হবি (আনিসুল হক), যখন আমার শরীরে তরুণ (ধ্রুবজ্যোতি বন্দোপাধ্যায়), প্রতি শনিবার আসো, এসে বসে থাকো (সুদীপ বসু), কয়েকটি স্খলিত চুল লুটেপুটে (সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল), মনে কি তোমার পড়ে রানু (মাহবুব হাসান), একি ব্যাধি দিয়ে প্রভু (আতাউর রহমান), বাইরে বৃষ্টি নদীতে জলের হাওয়া (হাবিবুল্লাহ সিরাজী), না, প্রেম সে কোনো ছিপছিপে নৌকো নয় (শহীদ কাদরী), ভালোবাসা এসে একদিন রড় নাজেহাল (আবুল হোসেন), যাওয়া বলে কিচ্ছু নেই, সবই ফিরে আসা (অরুনাভ সরকার), সতীত্বের চাবি দিলাম তোমার হাতে (কাবেরী রায় চৌধুরী), আজকাল দোকানে পৃথিবী বিক্রী হয় (কাশীনাথ ভট্টাচার্য), তুমি যদি স্পর্শ করো প্রজ্বলিত হয়ে উঠি (হায়াৎ সাইফ), অন্ত্যরঙ্গে মিল হবে বলে (সিদ্ধেশ্বর সেন), ভাঙতে ভাঙতে আমি তীর ভাঙ্গা নদীর (নাসির আহমেদ), আমি মরে গেলে চলে যাবে (বিজয়া মুখোপাধ্যায়), সোনার কাঠির মতো তোমার আব্দুল (ফরিদ কবির), হ্যালো, কাকে চাই, হ্যাঁ আমি (গোলাম কুদ্দুস), প্রেমিকের জন্য আর অপেক্ষ করোনা (জয় গোস্বামী), সন্ধ্যায় তুমি আসবে বলে (সানাউল হক), জীবন মানেই পৌষালী রাত (মোফাজুল করিম), মনে করো তোমাদের একমাত্র মেয়ে বড়ো (কৃষ্ণা বসু), কীভালো আমার লাগলো আজ এই (বুদ্ধদেব বসু), তুমি নেই, তুমি আছো, তুমি নেই (জিয়া হায়দার), প্রমূখ।
এই গ্রন্থে প্রকাশের জন্য আপনার স্বরচিত বা সংগৃহীত/পছন্দের (অন্য কবির লেখা) একাধিক কবিতা পাঠাতে পারেন। মনোনীত হলে অবশ্যই প্রকাশ করা হবে। গ্রন্থটি বাংলাদেশ ও পঃ বঙ্গের প্রতিটি জেলার অন্যতম সাহিত্য-সংস্কৃতি-শিক্ষা এবং মিডিয়া প্রতিষ্ঠান গুলোতে পৌছানো হবে। এটি একটি কবিতার ডকুমেন্টারী।
এবিষয়ে গাঙচিল এর সভাপতি খান শওকত এর সঙ্গে (৯১৭) ৮৩৪-৮৫৬৬ নং এ যোগাযোগ করা যেতে পারে।
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








