Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

এবিসি নিউজের টাউন হল বৈঠকে সবার প্রতি একতাবদ্ধের আহ্বান ওবামার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 184 বার

প্রকাশিত: July 15, 2016 | 12:40 PM

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দেশের সবাইকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে মার্কিন পুলিশ বাহিনী ও কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরস্পরের সঙ্গে এক হতে। তিনি বলেছেন, তাদের মধ্যে মধ্যে পরস্পরবিরোধী মনোভাব তৈরি হওয়া উচিত নয়। এবিসি নিউজের সঙ্গে টাউন হল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। বিবিসির খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ বাহিনী ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠকে অংশ নেন ওবামা। কয়েকদিন আগে পুলিশের গুলিতে নিহত হন দুই কৃষ্ণাঙ্গ। এর জের ধরে ডালাসে এক কৃষ্ণাঙ্গ গুলি করে হত্যা করেন পাঁচ পুলিশকে। এই দুই ঘটনায় দেশটির পুলিশ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে বিরাজ করছে উত্তেজনা। কিন্তু এই উত্তেজনাকে প্রশমিত করে পরস্পরকে একতাবদ্ধ হয়ে যাওয়ার ডাক দিয়েছেন বারাক ওবামা। তিনি বলেন, ‘আমি চাই না এমন একটি তরুণ প্রজন্ম গড়ে উঠুক যারা ভাববে যে তাদের পুলিশ অথবা কৃষ্ণাঙ্গদের অবিশ্বাস করতে হবে। পুলিশরা ভালো কাজ করছে। তারা সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকে। এই ঝুঁকি কেবল অপরাধীদের জন্য নয়, সমাজে তাদের প্রতি অবিশ্বাস থাকলে তা-ও তাদের ঝুঁকির কারণ।’ ওবামা বলেন, আমরা যে যার মতো আলাদা থাকব এমনটি হলে চলবে না। বরং আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সবার কথা সবাইকে শুনতে হবে। ওবামার মূল বক্তব্য ছিল, পুলিশ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সাম্প্রতিক ঘটনায় যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে হবে।
ওবামা পুলিশের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনাও জানান। তবে তিনি বলেন, পুলিশকে যে বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয় তা তাদের একার পক্ষে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। মিলওয়াউকি পুলিশ প্রধান এডওয়ার্ড ফ্লিনের এক প্রশ্নের জবাবে ওবামা বলেন, ‘এটা সত্য যে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা অন্যান্যদের তুলনায় আফ্রিকান-আমেরিকানদের মধ্যে অনেক বেশি। এর জন্য কেবল পুলিশকে দায়ী করলে চলবে না। ওই গোষ্ঠীওে কাজ করতে হবে এ নিয়ে।’ বৈঠকে ওবামা নিজে কীভাবে ছেলেবেলায় বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন তাও বর্ণনা করেন। এসময় তিনি জানান, তার ছেলেবেলা কেটেছিল হাওয়াইয়ে। ওই সময় একদিন তিনি কালো বলে তার সঙ্গে লিফটে চড়েননি এক নারী। পরে আরও অনেকবারই বর্ণবাদের মুখোমুখি তাকে হতে হয়েছে বলে জানান তিনি। সবাই একসঙ্গে এগিয়ে না এলে এই পারস্পরিক দূরত্ব কাটানো সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন ওবামা। উল্লেখ্য, টাউন হলের ওই বৈঠকে অতিথিদের মধ্যে ছিলেন লুসিয়ানার ব্যাটন রুজে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারানো অ্যালটন স্টার্লিংয়ের ১৫ বছর বয়সী ছেলে ক্যামেরন ও মিনেসোটায় পুলিশের গুলিতে নিহত ফিল্যান্ডো ক্যাস্টিলের বান্ধবী ডায়মন্ড রেনল্ডস-ও। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ