এবিসি নিউজের টাউন হল বৈঠকে সবার প্রতি একতাবদ্ধের আহ্বান ওবামার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দেশের সবাইকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে মার্কিন পুলিশ বাহিনী ও কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরস্পরের সঙ্গে এক হতে। তিনি বলেছেন, তাদের মধ্যে মধ্যে পরস্পরবিরোধী মনোভাব তৈরি হওয়া উচিত নয়। এবিসি নিউজের সঙ্গে টাউন হল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। বিবিসির খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ বাহিনী ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠকে অংশ নেন ওবামা। কয়েকদিন আগে পুলিশের গুলিতে নিহত হন দুই কৃষ্ণাঙ্গ। এর জের ধরে ডালাসে এক কৃষ্ণাঙ্গ গুলি করে হত্যা করেন পাঁচ পুলিশকে। এই দুই ঘটনায় দেশটির পুলিশ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে বিরাজ করছে উত্তেজনা। কিন্তু এই উত্তেজনাকে প্রশমিত করে পরস্পরকে একতাবদ্ধ হয়ে যাওয়ার ডাক দিয়েছেন বারাক ওবামা। তিনি বলেন, ‘আমি চাই না এমন একটি তরুণ প্রজন্ম গড়ে উঠুক যারা ভাববে যে তাদের পুলিশ অথবা কৃষ্ণাঙ্গদের অবিশ্বাস করতে হবে। পুলিশরা ভালো কাজ করছে। তারা সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকে। এই ঝুঁকি কেবল অপরাধীদের জন্য নয়, সমাজে তাদের প্রতি অবিশ্বাস থাকলে তা-ও তাদের ঝুঁকির কারণ।’ ওবামা বলেন, আমরা যে যার মতো আলাদা থাকব এমনটি হলে চলবে না। বরং আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সবার কথা সবাইকে শুনতে হবে। ওবামার মূল বক্তব্য ছিল, পুলিশ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সাম্প্রতিক ঘটনায় যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে হবে।
ওবামা পুলিশের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনাও জানান। তবে তিনি বলেন, পুলিশকে যে বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয় তা তাদের একার পক্ষে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। মিলওয়াউকি পুলিশ প্রধান এডওয়ার্ড ফ্লিনের এক প্রশ্নের জবাবে ওবামা বলেন, ‘এটা সত্য যে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা অন্যান্যদের তুলনায় আফ্রিকান-আমেরিকানদের মধ্যে অনেক বেশি। এর জন্য কেবল পুলিশকে দায়ী করলে চলবে না। ওই গোষ্ঠীওে কাজ করতে হবে এ নিয়ে।’ বৈঠকে ওবামা নিজে কীভাবে ছেলেবেলায় বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন তাও বর্ণনা করেন। এসময় তিনি জানান, তার ছেলেবেলা কেটেছিল হাওয়াইয়ে। ওই সময় একদিন তিনি কালো বলে তার সঙ্গে লিফটে চড়েননি এক নারী। পরে আরও অনেকবারই বর্ণবাদের মুখোমুখি তাকে হতে হয়েছে বলে জানান তিনি। সবাই একসঙ্গে এগিয়ে না এলে এই পারস্পরিক দূরত্ব কাটানো সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন ওবামা। উল্লেখ্য, টাউন হলের ওই বৈঠকে অতিথিদের মধ্যে ছিলেন লুসিয়ানার ব্যাটন রুজে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারানো অ্যালটন স্টার্লিংয়ের ১৫ বছর বয়সী ছেলে ক্যামেরন ও মিনেসোটায় পুলিশের গুলিতে নিহত ফিল্যান্ডো ক্যাস্টিলের বান্ধবী ডায়মন্ড রেনল্ডস-ও। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ