নিউইয়র্কে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্ম দিন পালন করলো যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগ
নিউইয়র্কে যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্দেগ্যে ২৭ শে জুলাই রাত ১২:১ মিনিটে জ্যাকসন হাইটসে মেজবান রেষ্টুরেন্টে কেক কেটে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্ম দিন পালন করে যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগ।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন দলের সহ-সভাপতি আবুল কাসেম, লুৎফর করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ, অথ সম্পাদক মনসুর খান, উপদপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, কার্যকরী সদস্য সাহানারা রহমান, শরীফ কামরুল আলম হীরা, আব্দুল হামিদ, এম এ আলম বিপ্লব, মহিলা লীগের সভাপতি মমতাজ শাহনাজ এবং মহিলা নেত্রী নুরুন্নাহার গিনি।
যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফরীদ আলম, প্রচার সম্পাদক গনেশ কির্তনীয়া, নিউইয়র্ক স্টেট যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেবুল মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রহিমুজ্জামান সুমন, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরজ্জামান সরদার, সাধারণ সম্পাদক সুবল দেবনাথ, সহ-সভাপতি দূরুদ মিয়া রনেল, কবির আলী, অতুল বায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, নাফিকুর রহমান তুরান, ইকবাল হোসেন, আনিসুজ্জামান সবুজ, আন্তজাতিক সম্পাদক সাওখায়াত বিশ্বাস, জাতীয় শ্রমীক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, সহ সভাপতি মনজু চৌধরী. ছাত্র লীগের সভাপতি জাহিদ হাসান .সাধারণ সম্পাদক আল আমিন আকন্দ, সাহেক সভাপতি জড এ জয়. সাধারন সম্পাদক জাহাংগীর মিয়াসহ আরো অনেকে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৫তম জন্মবার্ষিকী।
অগ্নিঝরা একাত্তরের এই দিনে খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী মরহুম এমএ ওয়াজেদ মিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ঘরে জন্ম নেন সজীব ওয়াজেদ। স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়ের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার এ নাম রাখেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ট্র্যাজেডির সময় মা শেখ হাসিনা এবং খালা শেখ রেহানার সঙ্গে লন্ডনে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান জয়। ১৫ আগস্ট ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহপরিবারে শহীদ হন। পরবর্তীতে সজীব ওয়াজেদ জয় মায়ের সঙ্গে জার্মানি হয়ে ভারতে যান।
জয়ের শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। জয় নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজ থেকে স্নাতক করার পর যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইউনির্ভাসিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করেন। পরে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতোকোত্তর শেষ করেন।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতিহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, সজীব ওয়াজেদ জয়কে পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়া হয়। ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর জয়কে অবৈতনিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তথ্য-প্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি, তরুণদের রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়। এছাড়া তিনি তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’