Thursday, 25 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে ইয়েলো সোসাইটির সম্প্রীতি-ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের বনভোজন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 118 বার

প্রকাশিত: August 10, 2016 | 10:14 AM

মমিনুল ইসলাম মজুমদার, নিউইয়র্ক : প্রবাস জীবনের সব ব্যস্ততাকে ছুঁড়ে ফেলে আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হয়ে গেল প্রবাসে অন্যতম পেশাজীবি সংগঠন ইয়েলো সোসাইটি নিউইয়র্ক, ইনকের বনভোজন। গত ৭ আগস্ট রবিবার লং আইল্যান্ডের বেলমন্ট লেক ষ্টেট পার্কে মনোরম পরিবেশে বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করে সংগঠনটি। পৃথিবীর যে প্রান্তেই বাস করুক না কেন, ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের টান উপভোগ করেন বাংলাদেশিরা। সোসাইটির সদস্য, তাদের পরিবারবর্গ এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে নিউইয়র্ক সিটি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে ভ্রমণে যায় ইয়েলো পরিবার সদস্যরা। গন্তব্যে পৌঁছে সবাই নয়ন ভরে দেখে নেন প্রাকৃতিক বুকে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য। তাঁরা আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উল্ল¬াস প্রকাশ করেন। কয়েক পর্বে সাজানো অনুষ্ঠানে শুরু ছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সকলের উপস্থিতি বনভোজনে উদ্বোধন করেন, সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল ভূইঁয়া। এ সময়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বনভোজন উপ-কমিটির আহবায়ক কবির হোসেন আলতাফ।

সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল ভূইঁয়া তত্ত্বাবধানে, বনভোজন উপ-কমিটির আহবায়ক কবির হোসেন আলতাফের কর্মপরিকল্পনায় বনভোজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মোরশেদ খান শিবলী, এমদাদুল হক মিজান, মোহাম্মদ এইচ রশিদ হারুন, শাহেদুল হক রওশন, আবু হেনা দিপন, মোহাম্মদ এম রহমান, ফিরোজ আহমেদ, ইকবাল জাবের, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, ওমর মৃধা ফারুক, এম রহমান টিটু, ইমতিয়াজ হাসান জামাল, নাসির ইউ মালিক, আকতার হোসেন খান ফজলু, জাহাঙ্গীর আলম, সফিকুল ইসলাম মামুন, আবুল বাসার খান, এ সিকদার বেলাল, মাহবুবুর রহমান, মীর আফজাল উদ্দিন আহমেদ, এম জামান, সেলিম ভূইয়া, মির্জা আলম, রফিকুল ইসলাম হারুন, রবিন চৌধুরী মাসুদ, আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী, সুলতান আহমেদ শামীম গফুর, জাকির হোসেন খান। সোসাইটির কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুদ্দৌলা, সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ হোসেন তোফা, মো: এ ওহাব, অমিত কুমার দে, হাফিজ আহমেদ এঞ্জেল, জাহিদুর ইসলাম, আবওয়াবুল চৌধুরী আরবাব। সাবেক সভাপতি শহিদুল্লাহ খান মানিক, গোলাম মহিউদ্দিন, বুলু মিয়া, আখলাকুর রহমান আপন, জাহিদুল ইসলাম, রেজা খান ডালু, আব্দুস সালাম। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, সাবেক সহসভাপতি আজহারুল হক মিলন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ রুহুল আমিন সিদ্দিক, কোপেন নিশানের ম্যানাজার অ্যালেক্স, হাইটেক স্যাটেলাইটের ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজ, পিসি রির্চাড এন্ড সন্স এর আশরাফুল আলম জঙ্গীসহ আরো অনেকে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় পার্কের ঝকঝকে সজীব দিনে লেকের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল প্রবাসী বাঙালিদের উচ্ছ্বাস। ৮০০ বাঙালির প্রাণবদ্ব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দিনব্যাপী বনভোজনের পাশাপাশি ছিল নানা ধরনের আয়োজন। তবে খাবারের কথা না বললে বনভোজন থেকে যায় অসম্পূর্ণ। সকালে নাশতা, দুপুরে খাবার, বিকেলে আমের ভর্তা, জ্বাল-মুড়ি। আয়োজকদের চেষ্টা ছিল সবার কাছে উপভোগ্য এবং স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলা। বলা যায়, সে প্রচেষ্টা সম্পন্নটাই সফল।

দুপুরের খাবারের পরই ছিল গানের তালে তালে মহিলাদের বালিশ খেলা, কৃতিছাত্র-ছাত্রীদের সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর র‌্যাফেল ড্র। সাংস্কৃতিক সম্পাদক অমিত কুমার দের দরাজ কন্ঠের গান দিয়ে এ পর্ব শুরু হয়। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন রন্টি ও তানভীর শাহিন। সবশেষে ছিল র‌্যাফেল ড্র। এতে গ্র্যান্ড পুরস্কার স্বর্ণালংকার সেটের সৌজ্যন্যে ছিল ইয়েলো সোসাইটির প্রাক্তণ সভাপতিবৃন্দ। এর ভাগ্যবান বিজয়ী ছিলেন আশরাফুল আলম (জঙ্গী)। এছাড়াও ১ম পুরস্কার নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক বিমান ২য় পুরস্কার ৫৫ ইঞ্চি স্যামসাম ৪কে টিভি, ৩য় পুরস্কার ৫৫ ইঞ্চি এলজি টিভি, ৪র্থ পুরস্কার আইফোন-৬, ৫ম পুরস্কার বস সাউন্ড সিস্টেম, ৬ষ্ঠ পুরস্কার ল্যাপটপ, ৭ম পুরস্কার ল্যাপটপ, ৮ম পুরস্কার আইপ্যাড মিনি ৯ম পুরস্কার স্যামসাং ট্যাবলেট, ১০ম পুরস্কার স্যামসাং ট্যাবলেট, ১১ তম পুরস্কার সামসাং ট্যাবলেট, ১২তম পুরস্কার বস ব্লুটুথ স্পিকার, ১৩ তম পুরস্কার বস হেডফোন, ১৪তম পুরস্কার সিঙ্গার সেলাই মেশিন, ১৫তম পুরস্কার ব্লেন্ডার। এছাড়াও মহিলাদের বালিশ খেলা, দৌড় প্রতিযোগিতা, রশি টানাটানিসহ বিভিন্ন ইভেন্টে শতাধিক পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ বার বনভোজনের ব্যতিক্রম ইভেন্ট ছিল মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সম্মাননা সনদ ও পুরস্কার। সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, লাইমা রহমান, আলভী আজিজ, এএফএম সায়েম খান, রিফাত করীম, তামিম ইসলাম, তাহমিদা তাহের, রিদওয়ান সোবহান কাজী, ফারদীন আহমেদ, ইবতেদা হোসেন, আজমিন চৌধুরী, সাফাউল তানজিদ দিপ্তি, তাসফিয়া খান, তাইশা হোসেন।

সবশেষে ছিল সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল ভূইঁয়া ও আহবায়ক কবির হোসেন আলতাফের সমাপনি বক্তব্যের মধ্যদিয়ে সমাপ্ত হয় বনভোজনের কার্যত্রুম। দিনশেষে খানিকটা ক্লান্ত হলেও সবাই ঘরে ফিরেছে ভালোলাগা নিয়েই। এ উপলক্ষে মোহাম্মদ সামছুদ্দৌলার সম্পাদনায় এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যবদি যে সকল সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন তাদেরকে উৎসর্গ করে “সম্প্রীতি” নামে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV