Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
সব ক্যাটাগরি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারিকে সমর্থন নিউইয়র্ক টাইমসের

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 22 বার

প্রকাশিত: September 25, 2016 | 8:42 PM

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম বিতর্কের প্রাক্কালে ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন পত্রিকা নিউ ইয়র্ক টাইমস। পত্রিকাটির সম্পাদনা পর্ষদ এক সমপাদকীয়তে হিলারির প্রতি সমর্থন জানায়। ওই সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ফার্স্ট লেডি, নিউ ইয়র্কের সিনেটর এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হিলারি নিজেকে ‘তার প্রজন্মে সবচেয়ে অনড় রাজনীতিবিদদের একজন’ হিসেবে প্রমাণ করেছেন, যিনি দ্বিদলীয় সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে সক্ষম। ওই সম্পাদকীয়তে হিলারির প্রতিদ্বন্দ্বী ডনাল্ড ট্রাম্পকে ‘আধুনিক আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রধান রাজনৈতিক দলের মনোনীত সবচেয়ে বাজে প্রার্থী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বৃটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান। খবরে বলা হয়, হিলারি ও ট্রাম্পের মধ্যে প্রথম টিভি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে আজ। এর প্রাক্কালে হিলারির প্রতি সমর্থনের কথা জানালো নিউ ইয়র্ক টাইমস।
পত্রিকাটির সম্পাদকীয়তে ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মন জয় করা নিয়ে ডেমোক্রেটদের উদ্বেগের বিষয়টিও উঠে এসেছে। বলা হয়েছে, কেবল ট্রাম্পের নেতিবাচক গুণাবলীই তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারির প্রতি সমর্থন জানানোর জন্য যথেষ্ট মনে হয়নি তাদের কাছে।
তারা লিখেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়ে দিলেই চলবে না। হিলারি ক্লিনটন ডনাল্ড ট্রামপ নন, এটা তার পক্ষে সবচেয়ে ভালো যুক্তি নয়, হতেও পারে না। বরং তার জন্য সবচেয়ে ভালো খবর হলো- এই দেশ যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন, তা মোকাবিলা করার ক্ষমতা তার রয়েছে। বাস্তবিক বিশ্বের সমস্যা সমাধান করার জন্য তার আজীবনের অঙ্গীকারই তাকে এ পদের জন্য যোগ্য করে তুলেছে। আর দেশেরও উচিত তাকে এই কাজের জন্য এগিয়ে দেয়া।’
খবরে বলা হয়েছে, ‘সুইং স্টেট’ বা নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের নিয়ামক রাজ্যগুলোতে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান দুই প্রার্থীর প্রতি সমর্থনে দোদুল্যমানতা দেখা গেছে বলে উঠে আসছে জনমত জরিপে। রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকসের সর্বশেষ জনমত জরিপে নিউ হ্যাম্পশায়ারে হিলারির প্রতি সমর্থন দেখা গেছে ৪৪ শতাংশ ভোটারের। বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন রয়েছে ৩৮ শতাংশের। অন্যদিকে ওহাইওতে হিলারির প্রতি ৪২ শতাংশ সমর্থনের বিপরীতে ৪৫ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প। জনমত জরিপে আস্থা ও সমর্থনে হিলারির পিছিয়ে থাকার প্রসঙ্গে নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদনা পর্ষদ লিখেছেন, হিলারির কিছু আকস্মিক ভুল পদক্ষেপ ও তার বিশ্বাসযোগ্যতার ব্যাপারে কিছু আক্রমণের কারণে তার চরিত্র নিয়ে কিছু ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে। কিন্তু তিনি তার প্রজন্মের সবচেয়ে ধৈর্যশীল রাজনীতিবিদদের একজন। তার মধ্যে শেখা ও সঠিক পথে যাত্রা শুরু করার যে ইচ্ছা রয়েছে তা দলীয় আনুগত্যের প্রতি অনমনীয় থাকার এই যুগে বিরল।
ট্রাম্পের উত্থান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে বৃটেনের গণভোটের ফলাফল, ইরাক ও সিরিয়াতে আইএসের বিস্তার এবং ভ্লাদিমির পুতিনের অধীনে রাশিয়ার পুনরুত্থান প্রভৃতি উদাহরণ টেনে নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, ‘সংকীর্ণ, উপজাতীয় আন্দোলন ও তাদের নেতাদের অগ্রগামিতার’ মুখে আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্টকে দায়িত্ব নিতে হবে। যুদ্ধ, সন্ত্রাসবাদ ও বিশ্বায়নের চাপ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ক্ষয়িষ্ণু করে তুলছে, মিত্রকে প্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলছে এবং সহিষ্ণুতা ও সহযোগিতার মনোভাবকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা অবস্থায় হিলারির ব্যক্তিগত ই-মেইল সার্ভার ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের লড়াই প্রসঙ্গে নিউ ইয়র্ক টাইমস বলেছে, এই ইস্যুতে সিদ্ধান্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। পরবর্তী প্রেসিডেন্টকে যেসব বাস্তব সমস্যার মুখে পড়তে হবে তার সঙ্গে তুলনা করলে এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণার বড় একটি অংশ দখল করে রাখা এই ই-মেইল ইস্যুকে অনেকটাই ‘হেল্প ডেস্কে’র কাজ মনে হয়। আর ওইসব চ্যালেঞ্জের বিপরীতে ডনাল্ড ট্রাম্প তার রিয়েলিটি শোয়ের অনুপাতেই ছোট পর্দার মাপে ছোট হয়ে আসেন। এই বিষয়টি নিয়ে সোমবার বিস্তারিত লেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, সোমবারের ওই লেখায় ট্রাম্পের জন্য কঠোর কথা থাকবে। তার আগেই ট্রাম্প সম্পর্কে বলা হয়েছে, আধুনিক আমেরিকার ইতিহাসে কোনো প্রধান রাজনৈতিক দলের মনোনীত সবচেয়ে বাজে প্রার্থী। বলা হয়েছে, ট্রাম্প ‘তার নিজের বা তার পরিকল্পনা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রকাশ না করে’ অসম্ভব সব প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি ফুটিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে ম্যাসাচুসেটসের সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন রিপাবলিকান পার্টি ও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তারা ‘ঘৃণার চর্চাকে স্বাভাবিক করে তুলছেন’। নাশুয়াতে এক নির্বাচনী প্রচারণায় স্বেচ্ছাসেবীদের উদ্দেশে ওয়ারেন বলেছেন, ‘আমরা এখানে বলতে এসেছি, ঘৃণা ঠিক নয়। আমরা একসঙ্গে একটি শক্তিশালী আমেরিকাকে গড়ে তুলবো। আমাদের প্রচারণার উদ্দেশ্য সেটাই।’ তিনি বলেন, মেক্সিকান, নারী ও মুসলিমদের বলির পাঁঠা বানিয়ে একজন প্রধান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী তার নির্বাচনী প্রচারণা ঠিক করবেন- এমনটা তিনি কখনও ভাবেননি। ওয়ারেন বলেন, ট্রাম্প যা করছেন, প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে থাকা কেউ এমন কিছু করতে পারেন তা আমরা কেউ ভাবিনি। তার নির্বাচনী প্রচারণার জন্য তিনি অনেক কুৎসিত কিছু বিষয়কে বেছে নিয়েছেন। এদিকে প্রাইমারি নির্বাচনে রিপাবলিকান দলে ট্রাম্পের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ট্রাম্প। ওই সময় ট্রাম্প ক্রুজের বাবা ও স্ত্রীকে নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণও করেছিলেন। তার জের ধরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন ক্রুজ। দলীয় কনভেনশনেও তিনি ট্রাম্পকে সমর্থন দেননি। কিন্তু শুক্রবার ফেসবুকে এক পোস্টে ক্রুজ জানিয়েছেন, আমাদের দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে কিছু কিছু বিষয়ে তীব্র মতানৈক্য থাকলেও যেকোনো বিচারেই হিলারি ক্লিনটন গ্রহণযোগ্য নন। এ কারণেই শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকেই ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ক্রুজ। ক্রুজের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন ওয়ারেন। তিনি প্রশ্ন করেন, প্রকৃতপক্ষে আপনার বক্তব্যের অর্থ কি এটাই?মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ