Thursday, 25 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্ক সিটিতে পুলিশ কর্তৃক পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, তল্লাশীর ঘটনা হ্রাস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 83 বার

প্রকাশিত: October 12, 2016 | 11:54 PM

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক সিটিতে পুলিশ কর্তৃক পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশীর ঘটনা আগের একই সময়ের তুলনায় গত ৬ মাসে অনেক কমেছে। সে সংখ্যা ৭৬৩৬। নিউইয়র্ক সিভিল লিবাটিজ ইউনিয়ন জানিয়েছে এ তথ্য। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে শুরু হয়েছে এ কার্যক্রম। খুন, গুলি এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধের ঘটনা হ্রাস পাওয়ায় পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনাও কমেছে। আগের পুলিশ কমিশনার রেমন্ড কেলির আমলে অর্থাৎ ২০১১ সালের ১২ মাসে ৬ লাখেরও বেশী পথচারিকে থামিয়ে তল্লাশী অথবা জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা ঘটায় পুলিশের এ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিবাদ উঠেছিল। সুশীল সমাজ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো দাবি জানায় এমন বিধি সংস্কারের। এ নিয়ে রাজপথে মিছিল-মিটিংও হয়।

২০১১ সালের প্রথম ৬ মাসে ৩ লাখ ২০ হাজার পথচারিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ/তল্লাশীর ঘটনা ঘটেছিল। যদিও ৯৮% পথচারির কাছেই বেআইনী কোন অস্ত্র অথবা অপরাধে সম্পৃক্ততার কোন তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ধুমাত্র বর্ণ এবং জাতিগত কারণে এই প্রক্রিয়ার ভিকটিমদের অন্যতম বাংলাদেশী বংশোদ্ভ’ত মানবাধিকার কর্মী এবং এটর্নী সমÍলী হক পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা করেছিলেন। এক পর্যায়ে এটর্নী সমÍলীর সাথে সমঝোতায় বাধ্য হয় নিউইয়র্কের পুলিশ তথা সিটি প্রশাসন।

সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের নির্বাহী পরিচালক ডোনা লিবারম্যান বলেছেন, ‘মনে চাইলেই পথচারিকে থামিয়ে অযথা হয়রানির ঘটনা যত দ্রুত বন্ধ করা হবে, ততোই জনজীবনে স্বস্তি আসবে। নিউইয়র্ক সিটি পুুলিশের এ অভিযানের শিক্ষা নিয়ে আমেরিকার অন্য এলাকাতেও এমন কার্যক্রম স্থগিত করা হবে বলে আশা করছি।’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, নিরাপত্তার নামে নিউইয়র্ক পুলিশের এ কার্যক্রমের টার্গেট হয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিসপ্যানিকরা। এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলাও হয়। সিটি প্রশাসন দেন-দরবার করে সে মামলার নিষ্পত্তি করার পরই পুলিশ সতর্কতার সাথে অব্যাহত রেখেছে ‘স্টপ এ্যান্ড ফ্রিস্ক’ নামক বহুল বিতর্কিত এই কার্যক্রম। তবে পুলিশের এ অভিযানের ওপর কঠোর নজরদারির জন্যে পৃথক একটি সংস্থা দায়িত্ব পালন করছে। এ কারণে মনে চাইলেই আর কাউকে থামিয়ে তল্লাশী অথবা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যাদেরকে থামিয়ে তল্লাশী অথবা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তার মধ্যে মাত্র ১০ কে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। এ বছরের প্রথম ৩ মাসে সে হার বেড়ে ২০.৫% হয়েছিল। তবে অক্টোবরের ২ তারিখ পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির অপরাধ ৩.০৬% কমেছে। অর্থাৎ গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে ৭৬০৪১টি। গত বছর একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৭৮৪৪৪টি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV