নিউইয়র্কে অ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার’র উৎসবমুখর বার্ষিক কনভেনশন : ’সাউথ এশিয়ান লেবার অ্যান্ড কমিউনিটি : সেইম কজ, ওয়ান ফোর্স’
Alliance of South Asian American Labor – ASAAL_The_9th_Convention_New_York_USA_2016 https://youtu.be/U9lLdfBAfNI https://www.youtube.com/watch?v=U9lLdfBAfNI&feature=youtu.be
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : ’সাউথ এশিয়ান লেবার অ্যান্ড কমিউনিটি : সেইম কজ, ওয়ান ফোর্স’- এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আর উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো অ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার (অ্যাসাল)-এর নবম বার্ষিক কনভেনশন।
কনভেনশনে বক্তারা নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম ও ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী বক্তব্য, মুসলমানদের রেজিস্ট্রেশন করা, অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের বের করে দেয়া, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল তৈরি করা, আফ্রিকানসহ বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যে বিভক্তি তৈরির প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, ইমিগ্র্যান্ট এবং মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় সকল প্রদক্ষেপ নেয়া হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, এটা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের দেশ। এই দেশ থেকে কাউকে বললেই বের করে দেয়া যাবে না। বাংলাদেশীসহ এশিয় কমিউনিটির পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তারা বলেন, মুসলমানদের রেজিস্ট্রেশন করার ঘোষণা প্রত্যাহার করতে হবে ট্রাম্পকে।
মূলধারায় দক্ষিণ এশিয়ার ইমিগ্র্যান্টদের একমাত্র সংগঠন অ্যাসালের এ কনভেনশন নিউইয়র্কে ম্যানহাটানের লোকাল ইউনিয়ন হলে গত ৩ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চলে সাউথ এশিয়ানদের এ ব্যতিক্রমী মিলনমেলা।
কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অ্যাসালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা মাফ মিসবাহ উদ্দিন। উদ্বোধনী বক্তব্যে মাফ মিসবাহ উদ্দিন ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাসালের প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশীয়দের অবস্থান আরো শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কনভেনশন কমিটির চেয়ার ও অ্যাসালের স্ট্যাটেন আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট ড. নিথিয়া চ্যাটার্জি।
অনুষ্ঠানে কী নোট স্পীকার ছিলেন নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রোলার স্কট স্ট্রিনজার। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নিউইয়র্ক স্টেট কম্পট্রোলার থমাস দিনাপলি, নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক এডভোকেট ল্যাতিটিয়া টিশ জেম্স, ম্যানহাটান ব্যুারো প্রেসিডেন্ট গ্যাল ব্রিইয়ার, ব্রুকলীন ব্যুারো প্রেসিডেন্ট এরিক এল এডামস, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১১-এর সিনেটর টনি এভেলা, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১৪-এর সিনেটর লেরই কমরি, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১৯-এর সিনেটর রেক্সনী পারসউদ, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ২০-এর সিনেটর জেসে হ্যামিলটন, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ৩১-এর সিনেটর-ইলেক্ট মেরিসন আলন্টোরা, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৭৫-এর অ্যাসেম্বলিম্যান রিচার্ড গটিপ্রাইড, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৬৮-এর অ্যাসেম্বলিম্যান রবার্ট রোডরিগুয়েজ, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৭৮-এর অ্যাসেম্বলিম্যান হোজে রিভেরা, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৬৩-এর অ্যাসেম্বলিম্যান মাইকেল কুসেক, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৪২-এর অ্যাসেম্বলিম্যান রোডনেসি বিচট্রি, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৫৯-এর অ্যাসেম্বলিম্যান জেমিক উইলিয়াম, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৩-এর অ্যাসেম্বলিম্যান ক্লাডি ভেনেল, ডিস্ট্রিক্ট ২৫-এর কাউন্সিলম্যান ডানিয়েল ড্রোম, ডিস্ট্রিক্ট ৪৯-এর কাউন্সিলওম্যান ডেবরাহা রোজে, ডিস্ট্রিক্ট ৪১-এর কাউন্সিলওম্যান ডার্নি মিলে, ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর কাউন্সিলম্যান রোরি ল্যান্সম্যান, ডিস্ট্রিক্ট ৭-এর কাউন্সিলম্যান মার্ক ল্যাভিন, ডিস্ট্রিক্ট ৩০-এর কাউন্সিলওম্যান এলিজাভেথ ক্রাউলি, ডিস্ট্রিক্ট ৩৭-এর কাউন্সিলম্যান রাফায়েল ইসপিনাল, ডিস্ট্রিক্ট ২৩-এর কাউন্সিলম্যান ব্যারি গডেনচিক প্রমুখ।

কনভেনশনে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রে নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্টেট ও সিটি গভর্ণমেন্ট এবং অ্যাসাল-এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুনী জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, পিপল এন টেকের প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ড সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ, ইউটিসি এসোসিয়েটসের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও আজিজ আহমেদ, লোকাল ৩৭২ ও ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল-৩৭ এর প্রেসিডেন্ট শান ডি ফ্র্যানসুয়িস আই এবং নিউইয়র্ক স্টেট পাবলিক এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট উইনি স্পনস। তাদের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন অ্যাসালের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন। এসময় অ্যাসালের ন্যাশনাল কমিটিসহ অ্যাসাল এর বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া অ্যাসালের স্ট্যাটেন আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আফজল আলী আনসারী এবং ব্রুকলীন চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এম এহসানুল হককে সাংগঠনিক এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
অ্যাসালের এ অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিকরা অংশ নিয়ে অ্যাসালের বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন। স্টেট ও সিটি গভর্ণমেন্টের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের স্বীকৃতি স্বরূপ অ্যাসালকে প্রক্লেমেশন ও সাইটেশন প্রদান করা হয়।
কনভেনশনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্যানেল ভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ‘দ্য চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড সিগনিফিকেন্স অব অর্গানাইজিং দ্য আনঅর্গানাইজড’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন নিউইয়র্ক স্টেট এএফএল-সিআইও এর কন্সটিটিয়েন্সি গ্রুপস ডাইরেক্টর ফারিদ মিসিলেন, এনওয়াইসি চ্যাপ্টারের কোয়ালিশন অব ব্ল্যাক ট্রেড ইউনিয়নিস্ট চার্লস জেনকিনস এবং লেবার কাউন্সিল ফর ল্যাটিন আমেরিকান এডভান্সমেন্ট এনওয়াইসি চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এডোয়ার্ড রোজারিও। মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসাল হিউম্যান রাইটস ল’ইয়ার জেনিফার রাজকুমার ইএসকিউ।
এছাড়া ‘দ্য আফটারম্যাথ অব দ্য ২০১৬ প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ব্যুারো অব প্রসপেক্টপার্ক, নিউজার্সী’র মেয়র মোহাম্মদ টি খায়রুল্লাহ, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৪০-এর অ্যাসেম্বলিম্যান রন কিম, এএফএসসিএমই, ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল ৩৭ এর এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর হেনরি গ্যারিডো, ন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর দ্য এডভান্সমেন্ট অব কালার্ড পিপল এনওয়াইসি চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এ্যান্থনি হারমোন, আমেরিকান মুসলিম পলিটিক্যাল একশান কমিটির ফাউন্ডার চেয়ারম্যান মো. রাব্বি আলম এবং জর্জিয়ার আটলান্টার কংগ্রেশনাল কেন্ডিডেট-২০১৬ ড. রশিদ মালিক। এ প্যানেলে মডারেটরের যৌথ দায়িত্বে ছিলেন মেরিল্যান্ড গভর্ণরস কমিশন অন সাউথ এশিয়ান আমেরিকান এফেয়ার্স এর সাবেক কমিশনার আনিস আহমেদ এবং অ্যাসাল-এর পলিটিক্যাল একশন ডিরেক্টর আলি নাজমি।
প্যানেল আলোচকরা সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, দক্ষিণ এশিয়ানদের ইমিগ্রেশন ইস্যুসহ কমিউনিটির সার্বিক উন্নয়নে নানা পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা বলেন, নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম ও ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী বক্তব্য এবং প্রদক্ষেপ নেয়ার অগ্রিম ঘোষণায় মুসলিম এবং ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিতে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবিধান পরিপন্থী বিভিন্ন বক্তব্য এবং নীতি, প্রদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়ার ঘোষণা দেন। তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্যকে আমেরিকার মূল্যবোধের পরিপন্থী, মানবাধিকার বিরোধী ও হিংসাত্মক বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নই। আমরা ট্রাম্পের হিংসা, জাতি, বর্ণ ও ধর্মে বিভক্তির বিরুদ্ধে।
উদ্বিগ্ন আমেরিকান মুসলিম এবং ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিকে আশ্বস্ত করে বক্তারা বলেন, ভয় পাবার কিছু নেই। আমরা ঘৃণা নয়, ভালবাসা দিয়ে একে অন্যকে প্রটেক্ট করবো। এজন্য শুধুমাত্র সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
কনভেনশনে অংশগ্রহণকারীরা তাদের বক্তব্যে অ্যাসালের বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রশংসাসহ সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পরবর্তী নানা বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা দক্ষিণ এশিয়ান কমিউনিটির উন্নয়নের স্বার্থে অ্যাসাল-এর উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার ব্যপারে উৎসাহ প্রদান করেন। মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয়ান কমিউনিটির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার জন্য অ্যাসাল জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা সবসময় ইমিগ্র্যান্টদের পাশে থাকার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। বলেন, আমেরিকার অর্থনীতি ও রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয়ানরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আগামীতে তারাই হবেন আমেরিকার নিয়ন্ত্রক শক্তি। অনেক কিছুই নির্ভর করবে ইমিগ্র্যান্টদের সমর্থনের ওপর।
অ্যাসাল-এর প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ বলেন, আমেরিকায় দক্ষিণ এশিয়ান কমিউনিটিসহ শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছে অ্যাসাল। তিনি মূলধারায় অ্যাসালের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, অ্যাসালের প্ল্যাটফরম থেকে বাংলাদেশীসহ দক্ষিণ এশিয়ানদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। আগামীতেও আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয়ান কমিউনিটির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার জন্য অ্যাসাল জোরালো ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। তিনি নেতৃবৃন্দের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান অ্যাসালসহ বাংলাদেশীদের যে কোনো ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য। তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছাড়াও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পিপল এন টেকের প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ড সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ, ইউটিসি এসোসিয়েটসের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও আজিজ আহমেদ, লোকাল ৩৭২ ও ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল-৩৭ এর প্রেসিডেন্ট শান ডি ফ্র্যানসুয়িস আই এবং নিউইয়র্ক স্টেট পাবলিক এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট উইনি স্পনস, ডিস্ট্রিক্ট ২ থেকে ২০১৭ এর কাউন্সিলওম্যান প্রার্থী ম্যারি সিলভার ইএসকিউ, অ্যাসালের ব্রুকলীন চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এম এহসানুল হক, অ্যাসালের ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মাহাব, অ্যাসালের কুইন্স চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট খান শওকত, সেক্রেটারী শাহানা বেগম ও এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর মো: সাবুল উদ্দিনসহ অ্যাসাল এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিবিদ, কংগ্রেসম্যান প্রতিনিধি, নিউইয়র্ক স্টেট ও সিটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, অ্যাসাল-এর সদস্য, কমিউনিটি লিডারসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পাবলিক স্কয়ারি : স্পিক অ্যান্ড মাইন্ড -এর মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসালের স্ট্যাটেন আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের সেক্রেটারী এম করিম চৌধুরী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অ্যাসালের ন্যাশনাল করেসপন্ডেস সেক্রেটারী জেড মাতালান। কনভেনশন শুরুতে শপথ বাক্য পাঠ করান ফাতিন ইসতিয়াক। নবম বার্ষিক কনভেনশন উপলক্ষে তথ্য সমৃদ্ধ একটি বিশেষ জার্নাল প্রকাশ করা হয়।
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ