Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

ট্রাম্পের অভিযোগে ক্ষুব্ধ ওবামা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 65 বার

প্রকাশিত: March 8, 2017 | 4:35 PM

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে গত শনিবার অভিযোগ এনেছেন যে, হোয়াইট হাউজে থাকাকালীন নির্বাচনের সময় ট্রাম্প টাওয়ারে ফোনে আড়ি পাতার নির্দেশ দিয়েছিলেন বারাক ওবামা। ওবামার ঘনিষ্ঠ সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তাতে বলা হয়েছে, প্রমাণ ছাড়া ট্রাম্পের ওই অভিযোগে ভীষণ ক্ষুব্ধ বারাক ওবামা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিজনেস ইনসাইডার। এতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার আগে বারাক ওবামা বলেছিলেন, ট্রাম্প যেসব বিতর্কিত বিষয়ে টুইট করেন তিনি তার সবটার বিষয়ে কথা বলবেন না। তবে কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে ওবামা বলেছিলেন, যদি আমাদের মূল্যবোধ ও আদর্শের মূলে আঘাত দিয়ে প্রশ্ন ওঠে তাহলে তা তিনি পরীক্ষা করে দেখবেন। এখন ট্রাম্পের প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ সেই কাজটিই করে দিয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ক্যারোল ই. লি এবং পিটার নিকোলাস। তারা ওবামার ঘনিষ্ঠজনদের উদ্ধৃত করে রিপোর্ট করেছেন। ওই সব সূত্র তাদেরকে বলেছেন, প্রেসিডেন্টের অফিস ও বারাক ওবামা নিজের মর্যাদাকে ট্রাম্পের টুইট ক্ষুণœ করছে বলে তারা মনে করেন। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ওবামা ও ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্কে বেশ ভাটা পড়ে। নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর ৪৪তম ও ৪৫তম এই দু’প্রেসিডেন্টের মধ্যে সম্পর্ক দৃশ্যত চমৎকার দেখা যায়। তাদেরকে হোয়াইট হাউজে সাক্ষাত করতে দেখা যায়। ট্রাম্প শপথ নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করতে দেখা যায়। কিন্তু ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, ওই শপথ অনুষ্ঠানের পর তাদের মধ্যে আর কোনো কথা হয় নি। হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের জন্য যে চিঠি ওবামা রেখে এসেছিলেন সে জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাতে একবার ওবামাকে ফোন করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেই ফোনের কোনো উত্তর পাওয়া যায় নি ওবামার পক্ষ থেকে। কারণ, তিনি তখন অবকাশ যাপনে ছিলেন। ওদিকে ট্রাম্প যেমনটি অভিযোগ করেছেন যে, তার ট্রাম্প টাওয়ারে ফোনে আড়ি পাতা হয়েছিল, এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এফবিআই পরিচালক জেমস কমি ও জাতীয় বিষয়ক সাবেক পরিচালক জেমস ক্লাপার। তারা বলেছেন, তাদেরকে ফোনে আড়ি পাততে কোনো অনুরোধ বা নির্দেশনা দেয়া হয় নি। তাহলে কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে ওবামার বিরুদ্ধে ট্রাম্প ওই অভিযোগ এনেছেন সে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন হোয়াইট হাউচের বেশ কিছু স্টাফ। ওদিকে মঙ্গলবার রাতে নিউ ইয়র্ক টাইমস রিপোর্ট করেছে যে, শনিবার ওবামার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে টুইট করার পর ট্রাম্প এ বিষয়ে অনিশ্চিত। এ জন্য তিনি কিছু সহকর্মীকে আহ্বান জানিয়েছেন, সরকারের বাইরে থেকে কোনো তদন্তকারী তার অভিযোগকে সমর্থন করতে পারেন কিনা তা খুঁজে দেখতে। উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার দিনের শুরুতে আরও একটি মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন। তাতে তিনি বলেছেন, ভয়ঙ্কর ১২২ বন্দিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এর মধ্য দিয়ে তিনি তাদেরকে লড়াইয়ের ময়দানে যেতে দিয়েছিলেন। তবে ডাইরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওইসব বন্দির ১১৩ জনকে প্রকৃতপক্ষে মুক্তি দিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। বিজনেস ইনসাইডার লিখেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিতর্কের জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি প্রায় দেড় মাস ক্ষমতায় এসেছেন। এরই মধ্যে তিনি প্রমাণিত নয় এমন বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন। তার ঘনিষ্ঠ মহল ও রাশিয়ার কূটনীতিকের গোপন যোগাযোগ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনেক প্রশ্ন। এ নিয়ে বিভিন্ন দিক থেকে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। রাশিয়া ইস্যুতে প্রেসিডেন্টের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা লেফটেন্যান্ড জেনারেল মাইকেল ফ্লিন গত মাসে পদত্যাগে বাধ্য হন। তবে ট্রাম্পের এটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস এখন পর্যন্ত নিজেকে রক্ষা করেছেন।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ