Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

ভালো শিল্পী হতে গেলে আগে ভালো মানুষ হতে হবে : সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 47 বার

প্রকাশিত: March 9, 2017 | 3:57 PM

ফয়সাল রাব্বিকীন : স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম। দীর্ঘ সময় ধরে গান করে চলেছেন স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের এই কণ্ঠযোদ্ধা। স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের অবদানের কথা সবারই জানা। আর সেই বেতারকেন্দ্রে গান গেয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মতো কাজটি সফলভাবে করেছেন রফিকুল আলম। স্বাধীনতার পরে নিজেকে আরো ভালোভাবে মেলে ধরেন তিনি। নিয়মিত গেয়েছেন রেডিও, টিভি ও সিনেমায়। বিশেষ করে সিনেমায় তার গাওয়া অনেক গানই বেশ শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ‘আমার বাউল মনের একতারাটা’, ‘আশা ছিল মনে মনে’, ‘এক হৃদয়হীনার কাছে’, ‘একি খেলা চলছে হরদম’, ‘এক নদীরই উজান-ভাটি’সহ আরো অনেক গান। দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ সংগীতশিল্পী এখনো নিয়মিত গান করছেন। এত দীর্ঘ সময় পাড়ি দেয়ার পরও তার কণ্ঠের আবেদন রয়েছে ঠিক আগের মতোই। স্ত্রী আরেক জনপ্রিয় শিল্পী আবিদা সুলতানাও রফিকুল আলমকে সব সময় গানের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন। এখন টিভি চ্যানেল, স্টেজ ও সিনেমার গানেই ব্যস্ত রয়েছেন রফিকুল আলম। কেমন যাচ্ছে চলতি সময়? উত্তরে রফিকুল আলম বলেন, এখন তো বেঁচে থাকাটাই বড় বিষয়। তার ওপর খানিক ভালো থাকারই চেষ্টা করি। কারণ, সময়টা খুব অস্থির। তবে পরিবার নিয়ে আমি ভালো আছি। ব্যস্ততা কী নিয়ে? রফিকুল আলম হেসে বলেন, কী নিয়ে আর হবে! আমার পেশা ও নেশা যা তা-ই! গান নিয়েই সব ব্যস্ততা। এখন তো মার্চ চলছে। স্বাধীনতার মাস। এ মাসটি এলেই মনটা কেমন যেন হয়ে যায়। আর এ মাস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে গাইছি। সামনে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসে কিছু অনুষ্ঠানে গাওয়ার কথা রয়েছে। সেগুলোর প্রস্তুতিও নিচ্ছি। আর সিনেমায় গাওয়ার ব্যাপারেও কথা হচ্ছে। ব্যাটে-বলে মিললে করবো। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পার করছি আমরা। স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের একজন শিল্পী হিসেবে আপনার অনুভূতি কী? রফিকুল আলম বলেন, প্রথমেই বলে নিই, কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে কোনো সুযোগ নিতে চাই না আমি। আগেও কখনো নিইনি। অনেকেই হয়তো নিয়ে থাকেন। এর বাইরেও শিল্পী হিসেবে আমার একটি পরিচয় রয়েছে। আর স্বাধীনতার এতটা বছর আমরা পার করেছি। কী পেলাম, কী হারালাম সেই হিসাবে আমি যাবো না। তবে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। এ দেশে আমরা বাস করছি, সেটাইবা কম কিসের! নতুন গানের কী খবর? অ্যালবাম কী করছেন? রফিকুল আলম বলেন, অ্যালবামে এখন আর মন টানে না। কারণ সিডির দোকান নেই। কোথাও গান বাজতে শুনি না। সিডি প্রকাশও অনেকাংশে বন্ধ হয়ে গেছে। আজ গান প্রকাশ করলে কাল সেটা অনলাইনে ফ্রি পাওয়া যাচ্ছে। এটা কোন ধরনের নিয়ম? এ প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। তারপরও নতুন গান করছি। ফুয়াদ নাসের বাবু ও হৃদয় খানের সুরে দুটি গান করছি। এর মধ্যে বাবুর করা গানটির কাজ শেষ হয়েছে। হৃদয়েরটি সামনে হবে। অচিরেই ডিজিটালি গানগুলো প্রকাশ করবো ভিডিও আকারে। তরুণদের সঙ্গে কাজ করতে কেমন লাগছে? রফিকুল আলম বলেন, অনেক ভালো লাগছে। তরুণদের সঙ্গে মিশলে নিজেকেও তরুণ মনে হয়। আমি সব সময় তরুণদের উৎসাহ দেয়ার চেষ্টা করি ভালো কাজের ব্যাপারে। বাবুর কাজটি খুব ভালো হয়েছে। হৃদয়ও যে সুরটি করেছে, সেটিও আমার মনে ধরেছে। আমার বিশ্বাস খুব ভালো কিছু হবে।  এই সময়ের গান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? রফিকুল আলম বলেন, ভালো ও খারাপ দুই ধরনের কাজই হচ্ছে। তবে তবে বেশিরভাগ শিল্পীই গানের গভীরতা অনুভব করতে পারেন না। কথা ও সুরের মর্মটা উপলব্ধি করতে চায় না। এখন সবাই অডিওর চেয়ে ভিডিও নিয়েই বেশি ব্যস্ত। অনেকেই অভিযোগ করেন এখনকার গান দীর্ঘ সময় টিকে থাকে না। আপনি কি মনে করেন? রফিকুল আলম বলেন, গানের প্রতি ভালোবাসাটা না থাকলে হবে না।
আমি ইন্ডাস্ট্রিকে প্রমোট করার জন্য ১৫০-২০০ টাকা সম্মানিতেও গান করেছি। জনসচেতনাতামূলক বিভিন্ন কাজে বিনা সম্মানিতে গান করেছি। আমি গান গাইতে পারি। এটা দিয়ে কিন্তু আমি সমাজ ও মানুষেরও কল্যাণ করতে পারি। এই দ্বায়বদ্ধতা ও মানসিকতাটা থাকতে হবে। ভালো শিল্পী হতে গেলে আগে ভালো মানুষ হতে হবে।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ