Saturday, 27 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

ভালো শিল্পী হতে গেলে আগে ভালো মানুষ হতে হবে : সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 7 বার

প্রকাশিত: March 9, 2017 | 3:57 PM

ফয়সাল রাব্বিকীন : স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম। দীর্ঘ সময় ধরে গান করে চলেছেন স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের এই কণ্ঠযোদ্ধা। স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের অবদানের কথা সবারই জানা। আর সেই বেতারকেন্দ্রে গান গেয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মতো কাজটি সফলভাবে করেছেন রফিকুল আলম। স্বাধীনতার পরে নিজেকে আরো ভালোভাবে মেলে ধরেন তিনি। নিয়মিত গেয়েছেন রেডিও, টিভি ও সিনেমায়। বিশেষ করে সিনেমায় তার গাওয়া অনেক গানই বেশ শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ‘আমার বাউল মনের একতারাটা’, ‘আশা ছিল মনে মনে’, ‘এক হৃদয়হীনার কাছে’, ‘একি খেলা চলছে হরদম’, ‘এক নদীরই উজান-ভাটি’সহ আরো অনেক গান। দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ সংগীতশিল্পী এখনো নিয়মিত গান করছেন। এত দীর্ঘ সময় পাড়ি দেয়ার পরও তার কণ্ঠের আবেদন রয়েছে ঠিক আগের মতোই। স্ত্রী আরেক জনপ্রিয় শিল্পী আবিদা সুলতানাও রফিকুল আলমকে সব সময় গানের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন। এখন টিভি চ্যানেল, স্টেজ ও সিনেমার গানেই ব্যস্ত রয়েছেন রফিকুল আলম। কেমন যাচ্ছে চলতি সময়? উত্তরে রফিকুল আলম বলেন, এখন তো বেঁচে থাকাটাই বড় বিষয়। তার ওপর খানিক ভালো থাকারই চেষ্টা করি। কারণ, সময়টা খুব অস্থির। তবে পরিবার নিয়ে আমি ভালো আছি। ব্যস্ততা কী নিয়ে? রফিকুল আলম হেসে বলেন, কী নিয়ে আর হবে! আমার পেশা ও নেশা যা তা-ই! গান নিয়েই সব ব্যস্ততা। এখন তো মার্চ চলছে। স্বাধীনতার মাস। এ মাসটি এলেই মনটা কেমন যেন হয়ে যায়। আর এ মাস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে গাইছি। সামনে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসে কিছু অনুষ্ঠানে গাওয়ার কথা রয়েছে। সেগুলোর প্রস্তুতিও নিচ্ছি। আর সিনেমায় গাওয়ার ব্যাপারেও কথা হচ্ছে। ব্যাটে-বলে মিললে করবো। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পার করছি আমরা। স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের একজন শিল্পী হিসেবে আপনার অনুভূতি কী? রফিকুল আলম বলেন, প্রথমেই বলে নিই, কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে কোনো সুযোগ নিতে চাই না আমি। আগেও কখনো নিইনি। অনেকেই হয়তো নিয়ে থাকেন। এর বাইরেও শিল্পী হিসেবে আমার একটি পরিচয় রয়েছে। আর স্বাধীনতার এতটা বছর আমরা পার করেছি। কী পেলাম, কী হারালাম সেই হিসাবে আমি যাবো না। তবে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। এ দেশে আমরা বাস করছি, সেটাইবা কম কিসের! নতুন গানের কী খবর? অ্যালবাম কী করছেন? রফিকুল আলম বলেন, অ্যালবামে এখন আর মন টানে না। কারণ সিডির দোকান নেই। কোথাও গান বাজতে শুনি না। সিডি প্রকাশও অনেকাংশে বন্ধ হয়ে গেছে। আজ গান প্রকাশ করলে কাল সেটা অনলাইনে ফ্রি পাওয়া যাচ্ছে। এটা কোন ধরনের নিয়ম? এ প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। তারপরও নতুন গান করছি। ফুয়াদ নাসের বাবু ও হৃদয় খানের সুরে দুটি গান করছি। এর মধ্যে বাবুর করা গানটির কাজ শেষ হয়েছে। হৃদয়েরটি সামনে হবে। অচিরেই ডিজিটালি গানগুলো প্রকাশ করবো ভিডিও আকারে। তরুণদের সঙ্গে কাজ করতে কেমন লাগছে? রফিকুল আলম বলেন, অনেক ভালো লাগছে। তরুণদের সঙ্গে মিশলে নিজেকেও তরুণ মনে হয়। আমি সব সময় তরুণদের উৎসাহ দেয়ার চেষ্টা করি ভালো কাজের ব্যাপারে। বাবুর কাজটি খুব ভালো হয়েছে। হৃদয়ও যে সুরটি করেছে, সেটিও আমার মনে ধরেছে। আমার বিশ্বাস খুব ভালো কিছু হবে।  এই সময়ের গান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? রফিকুল আলম বলেন, ভালো ও খারাপ দুই ধরনের কাজই হচ্ছে। তবে তবে বেশিরভাগ শিল্পীই গানের গভীরতা অনুভব করতে পারেন না। কথা ও সুরের মর্মটা উপলব্ধি করতে চায় না। এখন সবাই অডিওর চেয়ে ভিডিও নিয়েই বেশি ব্যস্ত। অনেকেই অভিযোগ করেন এখনকার গান দীর্ঘ সময় টিকে থাকে না। আপনি কি মনে করেন? রফিকুল আলম বলেন, গানের প্রতি ভালোবাসাটা না থাকলে হবে না।
আমি ইন্ডাস্ট্রিকে প্রমোট করার জন্য ১৫০-২০০ টাকা সম্মানিতেও গান করেছি। জনসচেতনাতামূলক বিভিন্ন কাজে বিনা সম্মানিতে গান করেছি। আমি গান গাইতে পারি। এটা দিয়ে কিন্তু আমি সমাজ ও মানুষেরও কল্যাণ করতে পারি। এই দ্বায়বদ্ধতা ও মানসিকতাটা থাকতে হবে। ভালো শিল্পী হতে গেলে আগে ভালো মানুষ হতে হবে।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV