‘লাবলু-শহীদুল’ কমিটি গঠন আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের আদর্শ-উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের পরিপন্থী, প্রয়োজনে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে : নাজমুল-দর্পণ
নিউইয়র্ক : আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে ‘লাবলু-শহীদুল’ কমিটি গঠনের সংবাদে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ক্লাবের সভাপতি নাজমুল আহসান এবং সাধারণ সম্পাদক দর্পণ কবীর। তারা গত ১৬ মার্চ-১৭ তারিখে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন-সংগঠনের গঠনতন্ত্রকে সম্পূর্ণ উপক্ষো করে এবং ক্লাব থেকে বহিস্কৃত তিন সদস্যের সঙ্গে অপতৎপরতায় ‘লাবলু-শহীদুল’ কমিটি গঠন করা আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের আদর্শ-উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের পরিপন্থী। একইসঙ্গে প্রেসক্লাবে বিভক্তি-ভাঙন সৃষ্টির সুস্পষ্ট প্রমাণও। নিয়ম বহির্ভূতভাবে কতিপয় সদস্য নিজেদের মনগড়া কমিটি করলেই তা বৈধতা লাভ করে না। যারা এই অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রেসক্লাবের পরবর্তী সাধারণ সভায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন। তারা বলেন-বিগত বছর ২৮ ডিসেম্বর জরুরী সাধারণ সভায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কমিশনাররা ক্লাবের স্বার্থ বিরোধী ও স্বৈরাচারী কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি ক্লাব সভাপতি গঠনতন্ত্রের বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনারদের তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দেন এবং এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অপর এক জরুরী সাধারণ সভায় সাধারণ সসদ্যরা ঐ সিদ্ধান্তকে অনুমোদন করেন। এই সভায় তাদের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়। বহিস্কৃত সদস্যদের সঙ্গে যোগ সাজশ করে ক্লাবের কতিপয় সদস্য সম্প্রতি একটি কমিটি গঠন করেছেন বলে দু’একটি মিডিয়ায় প্রেসবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এই ঘটনা আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করেছে। অবৈধ কর্মকান্ডে লিপ্তরা ক্লাবের নাম ও লগো ব্যবহার করে নিজেদের হীন মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। প্রয়োজনে এই কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও ক্লাবের দুই কর্মকর্তা বিবৃতিতে জানান।
তারা আরো বলেন-২০০৮ সালে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের জন্মলাভের পর প্রথম কার্যকরী কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তা বিবাদে জড়িয়ে ক্লাব ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এ ঘটনার পর ১৩জন সদস্য নিয়ে ক্লাবের কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। গত ৪ বছর নাজমুল-দর্পণ কমিটির কার্যক্রমে ক্লাবের অবস্থান সুদৃঢ় হয় এবং সুনামও বাড়ে। এতে ক্লাবের সদস্য সংখ্যা বেড়ে যায। ক্লাবকে দুঃসময়ে ঠেলে দিয়ে চলে যাওয়া একাধিক সদস্য ফিরে এসে ক্লাবের সদস্য গ্রহণ করে তারা ক্ষমতালোভী নতুন কতিপয় সদস্যদের সঙ্গে আঁতাত তৈরি করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। এই চক্রটি ক্লাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করতে থাকেন আবার কার্যকরী কমিটির সভায় ‘সব ঠিক আছে’ বলে রেজুলেশন বুকে স্বাক্ষর করেন।
বিবৃতিতে তারা আরো বলেন-এই চক্রের মধ্যে ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দেয়া অসাংবাদিকের সংখ্যা বেশি। এই চক্রে মাত্র ৪জন সাংবাদিক। অন্যরা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত একটি মাত্র পত্রিকা ছাড়া তারা কোন পত্রিকার প্রতিনিধিত্বও করেন না তারা।
- দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত
- বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর