Saturday, 27 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

চট্টগ্রাম সমিতি ইউএসএ’র নির্বাচন : ভোট প্রক্রিয়ায় ‘জিয়া-সেলিম’, কন্ঠ ভোটে ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলকে জয়ী ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 51 বার

প্রকাশিত: April 5, 2017 | 8:16 AM

নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী চটগ্রামবাসীদের সামাজিক সংগঠন ‘চট্টগ্রাম সমিতি অব ইউএসএ’র দ্বি-বার্ষিক (২০১৭-২০১৮) নির্বাচন ঘিরে সমিতি দুই ভাগে বিভক্ত হতে চলেছে। বহুল আলোচিত এই নির্বাচন ঘিরে দুই প্যানেলের প্রস্তুতি, মামলা, নির্বাচন কমিশন পূনর্গঠন, পাল্টা কমিটি গঠন, বহিষ্কার-পাল্টা বহিষ্কার আর একাংশের ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশে অবশেষ ২ এপ্রিল রোববার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ৩ হাজার ২৪ ভোটার নিবন্ধিত থাকলেও ভোট দিয়েছেন মাত্র ৯১৫জন। এরমধ্যে ৮টি ভোট ছিলো চ্যালেঞ্চ ভোট। নির্বাচনের ভোট প্রক্রিয়ায় ‘জিয়া-সেলিম’ ও ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের প্রার্থীদের নাম থাকলেও ভোট যুদ্ধ থেকে বিরত থাকে ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেল। এদিকে নির্বাচনের দিন রোববার রাতে দু’টি প্যানেল ঘোষিত হয়েছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুই প্যানেলের মধ্যে ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলকে ভোটে আর ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলকে কন্ঠ ভোটে জয়ী বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। খবর ইউএনএ’র।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট গ্রহণ অনুষ্টিত হয়। নির্বাচনে ‘জিয়া-সেলিম’ ও ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মূল কেন্দ্র ব্রুকলীন ছাড়াও জ্যাকসন হাইটস, কানেকটিকাট ও নিউজার্সীর সাউথ জার্সী কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গ্রহণ শেষে মূল কেন্দ্র থেকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে আব্দুল হাই (জিয়া) ৮৬২ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচন বকয়কটকারী তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি মোহাম্মদ আলম জাহাঙ্গীর পান ৩২ ভোট। অপরদিকে মোহাম্মদ সেলিম ৮৫২ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি মোহাম্মদ এম বিল্লাহ পেয়েছেন ২৭ ভোট। ভোট গ্রহণকালে ব্রুকলীন ও জ্যাকসন হাইটস কেন্দ্র পরিদর্শনকালে দেখা যায়, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি ছিলো খুবই কম। কেন্দ্রগুলোতে ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলের পোষ্টার, ব্যানার, ফেস্টুন সাটানো ছিলো। প্রার্থী-সমর্থকও ছিলো এই প্যানেলের।

ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী খায়রুল বাসার ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়। এসময় কমিশনের সদস্য মাকসুদুল হক চৌধুরী ও মিজানুর রহমান জাহাঙ্গীর, সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ ও কাজী সাখাওয়াত হোসেন (কাজী আজম), বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার সৈয়দ এম রেজা সহ শতাধিক প্রবাসী চট্টগ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। পরে নবনির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাই জিয়া ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম সহ মোহাম্মদ হানিফ, কাজী সাখাওয়াত হোসেন (কাজী আজম) এবং সৈয়দ এম রেজাও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। ফলাফল ঘোষণার পর ভোটার তথা চট্টগ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে শিশু ও নারীরা নির্বাচিত সভাপতি জিয়া ও নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সেলিমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া উপস্থিত অনেকেই ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলের পক্ষে শ্লোগান দেন।

এসময় কাজী খায়রুল বাসার বলেন, আমরা সবকিছু যে শতভাগ ভালো বুঝি তা নয় বলেই নির্বাচন আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে এবং আদালতের সিদ্ধান্তেই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। আমরা কেউ আইনের উর্দ্বে নই। নির্বাচন কমিশন আইন-আদালত আ সংগঠন মেনেই নির্বাচন করেছি। আদালতের প্রতি সম্মান রেখেছি। তিনি নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নির্বাচন বয়কটকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মনে ক্ষোভ রেখে ভুল বুঝে লাভ নেই। প্রতিবাদ করা খারাপ কিছু নেই। আজ থেকে আমরা পরষ্পর ভাই, কোন ভেদাভেদ নেই। আসুন সবাই মিলে ভাল কাজ করি, কল্যাণকর কাজ করি। কাজ দিয়ে যোগ্যতা প্রমাণ করি।

‘জিয়া-সেলিম’ তাদের বক্তব্যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি বিশেষ করে ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এর মধ্যদিয়ে সমিতিতে যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা সবার সহযোগিতায় সমিতিকে আরো শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দেন। মাকসুদুল হক চৌধুরী বলেন, বিগত চার মাস ধরে কাজের মাধ্যমে আমরা সমিতির সম্মান বৃদ্ধির জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য আমাদের বিরুদ্ধে নানা প্রপাকান্ড চালানো হয়েছে। অমাদেরকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছ। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশন সমিতির গঠনতন্ত্র মেনেই সকল দায়িত্ব পালন করেছি, গঠনতন্ত্র এক বিন্দুও লংঘন করিনি।

মিজানুর রহমান জাহাঙ্গীর বলেন, চট্টগ্রাম সমিতি আমাদের প্রাণের সংগঠন। বহু প্রতিবন্ধকতার পরও সাংগঠনিক ধারাবাহিতার মাধ্যমে আমরা সুষ্ঠুভাবে ঐতিহাসিক নির্বাচন করতে পেরেছি। আমরা কোন অন্যায়ের কাছে মাথানত করিনি। নির্বাচন বয়কটকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের ভাই। আসুন সবাই মিলেমিশে কাজ করি, সমিতিকে সুন্দর করি।মোহাম্মদ হানিফ তার বক্তব্যে নির্বাচনে তার প্যানেল ‘জিয়া-সেলিম’-কে নির্বাচিত করার জন্য ভোটারদের ধন্যবাদ জানান এবং নির্বাচিতদেরকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। কাজী আজম তার বক্তব্যে নির্বাচিত ‘জিয়া-সেলিম‘ প্যানেলের প্রার্থীদের অভিনন্দন এবং বিজয় মিছিলে সবাইকে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।সৈয়দ এম রেজা সমিতির মঙ্গলের কথা ভেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান এবং ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য বর্তমান কমিটির প্রতি অনুরোধ করেন।

আবু তাহের বলেন, চটগ্রাম সমিতি সকল প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীদের সংগঠন। নির্বাচনের মধ্যদিয়ে চট্টগ্রামবাসীদের জয় হয়েছে। সমিতিতে কোন অন্যায়-অনিয়ম মেনে নেয়া হবে না। আমরা সঠিক পথে আছি। আজ সমিতির অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে আর কাউকে সমিতির কোন ক্ষতি করতে দেয়া হবে না।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত বেসরকারী ফলাফলে ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলের প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট: সভাপতি- মো: আব্দুল হাই জিয়া (প্রাপ্ত ভোট ৮৬২), সিনিয়র সহ সভাপতি- খোকন কে চৌধুরী (প্রাপ্ত ভোট ৮৫২), সহ সভাপতি- মাসুদ হোসেন সিরাজী (প্রাপ্ত ভোট ৮৪৫) ও মোহাম্মদ আলী নূর (প্রাপ্ত ভোট ৮৪৭), সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ সেলিম (প্রাপ্ত ভোট ৮৪৯), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ মহিউদ্দিন চৌধুরী খোকন (প্রাপ্ত ভোট ৮৩৭), সহ সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন (প্রাপ্ত ভোট ৮৪৮), কোষাধ্যক্ষ- মীর কাদের রাসেল (প্রাপ্ত ভোট ৮৪৬), সাংগঠনিক সম্পাদক- আরিফুল ইসলাম আরিফ (প্রাপ্ত ভোট ৮৪০), দপ্তর সম্পাদক- এম এ লতিফ (প্রাপ্ত ভোট ৮৪০), শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- শাহাব উদ্দীন লিটন (প্রাপ্ত ভোট ৮৩৬), সমাজকল্যাণ সম্পাদক- মতিয়ুর রহমান (প্রাপ্ত ভোট ৮৪১), ক্রীড়া সম্পাদক- মো: মহিউদ্দিন লাবু (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মো: আশ্রাব আলী খান লিটন (প্রাপ্ত ভোট ৮৪৩), কার্যকরী পরিষদ সদস্য- পরিমল কান্তি নাথ (প্রাপ্ত ভোট ৮৪৩), কামাল হোসেন মিঠু (প্রাপ্ত ভোট ৮৪১), মেসবাহ উদ্দিন (প্রাপ্ত ভোট ৮৩৫), মোহাম্মদ বখতিয়ার (প্রাপ্ত ভোট ৮৩৮), হারুনর রশীদ (প্রাপ্ত ভোট ৮৩২), মোহাম্মদ জাফর সফি (প্রাপ্ত ভোট ৮৪০) ও মোহাম্মদ সফিউল আজম সিকদার (প্রাপ্ত ভোট ৮৩১)। উল্লেখ্য, নির্বাচনে ‘জিয়া-সেলিম’ প্যানেলের শ্লোগান ছিলো ‘স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক ও দূর্নীতিমুক্ত চট্টগ্রাম সমিতি গড়বো’।

অপরদিকে বেসরকারীভাবে ঘোষিত ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট: সভাপতি- মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (প্রাপ্ত ভোট ৩২), সিনিয়র সহ সভাপতি- মোহাম্মদ আহসান হাবিব (প্রাপ্ত ভোট ২৭), সহ সভাপতি- মোহাম্মদ আইন উদ্দিন নাজির (প্রাপ্ত ভোট ২৯) ও রনবীর বড়–য়া বাপ্পী (প্রাপ্ত ভোট ২৫), সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ মুক্তাদির বিল্লাহ (প্রাপ্ত ভোট ২৭), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ আহমেদ (প্রাপ্ত ভোট ২৭), সহ সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (প্রাপ্ত ভোট ২৬), কোষাধ্যক্ষ- মোহাম্মদ কায়েস উদ্দিন সমুন (প্রাপ্ত ভোট ২৫), সাংগঠনিক সম্পাদক- আবরার আহমেদ বোখারী (প্রাপ্ত ভোট ২৬), দপ্তর সম্পাদক- হিমাদ্রী দাস (প্রাপ্ত ভোট ২৫), শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- সুশান্ত দত্ত (প্রাপ্ত ভোট ২৯), সমাজকল্যাণ সম্পাদক- মোহাম্মদ আজিম (প্রাপ্ত ভোট ২৬), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মদ এন কে চৌধুরী জুয়েল (প্রাপ্ত ভোট ২৪), কার্যকরী পরিষদ সদস্য- রতন চৌধুরী (প্রাপ্ত ভোট ২৭), মোহাম্মদ আব্বাস সাদিক (প্রাপ্ত ভোট ২৮), মোহাম্মদ মোর্শেদুল আলম (প্রাপ্ত ভোট ২৭), মোহাম্মদ আইয়ুব (প্রাপ্ত ভোট ২৫)।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সমিতি ভবন অফিসে অনুষ্ঠিত এক সভায় ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের প্রার্থীদেরকে সমিতির নতুন কর্মকর্তা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ইতিপূর্বে গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান ফখরুল ইসলাম চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটির নাম ঘোষণা করেন। এসময় জানানো হয় যে, সমিতির কার্যকরী পরিষদ, ট্রাষ্টি বোর্ড, নির্বাচন কমিশন ও সাধারণ সদস্যদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের প্রার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্য সহ সমিতির বর্তমান সভাপতি আকবর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহবুবুর রহমান বাদল, এই অংশের নির্বাচন কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও সেলিম মাহমুদ সহ বিশেষ করে নির্বাচন বয়কটকারী অর্ধ শতাধিক প্রবাসী চট্টগ্রামবাসী এসময় উপস্থিত ছিলেন। সভায় ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের নির্বাচন বয়কট করার কারণ তুলে ধরা সহ পাল্টা প্যানেল ‘জিয়া-সেলিম’ সহ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ও নির্বাচন পরিচালনাকারী নির্বাচন কমিশনের নানা অনিয়ম তুলে ধরেন বিভিন্ন বক্তা।

‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ কমিটি ঘোষণা: সভাপতি- মো: জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহ সভাপতি- মো: আহসান হাবিব, সহ সভাপতি- মোহাম্মদ নাজির উদ্দিন ও রনবীর বড়–য়া, সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ মুক্তাদির বিল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ আহমেদ, সহ সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ- মোহাম্মদ সমুন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক- আবরার আহমেদ বোখারী, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- সুশান্ত দত্ত, দপ্তর সম্পাদক- হিমাদ্রী দাস, সমাজকল্যাণ সম্পাদক- মোহাম্মদ আজিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মদ এন চৌধুরী, ক্রীড়া সম্পাদক- প্রবীর দাস, কার্যকরী পরিষদ সদস্য- রতন চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্বাস সাদিক, মোহাম্মদ মোর্শেদুল আলম, পুলক কান্তি দাস, মোহাম্মদ আইয়ুব, তৌহিদ হাসান খান, মোহাম্মদ আক্তার হোসানই। উল্লেখ্য, ‘জাহাঙ্গীর-বিল্লাহ’ প্যানেলের নির্বাচনী শ্লোগান ছিলো ‘নেতৃত্বের উচ্চাবিলাষ নয়, আমরা আপনাদের সেবক হতে অঙ্গীকারাবদ্ধ’।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV