Tuesday, 20 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

এলার্জি আর এ্যাজমার কারণ আবিষ্কার করলেন বাংলাদেশী গবেষক ড. হায়দার আলী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 144 বার

প্রকাশিত: April 10, 2017 | 1:54 PM

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক : এলার্জি কেন হয়-এর নেপথ্য কারণ উদঘাটন করলেন বাংলাদেশী গবেষক ড. হায়দার আলী। দীর্ঘ চেষ্টার ফসল হিসেবে সেটি ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া (ইউপেন)’র গবেষণা জার্ণালে প্রকাশিত হয়। সেই গবেষণা-ফসল বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করবেন প্র্যাগে ২৫ থেকে ২৭ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ‘ইউরোপিয়ান মাস্ট সেল এ্যান্ড বাসফিল রিসার্চ নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল মিটিং’-এ ।

ইমিউন সিস্টেমের একটি ক্ষুদ্রাংশ ‘মাস্ট সেল’ আবিস্কার করে গবেষণা জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন ড. হায়দার। কারণ, এই সেল হচ্ছে এলার্জি ও এ্যাজমার কারণ। সে জন্যে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের জটিল এ রোগ নিয়ে যে শংকা ছিল-তার অবসান ঘটবে। ড. হায়দারের গবেষণায় উদঘাটিত হয় যে, ইমিউন সিস্টেমের একটি অংশ হলো ‘মাস্ট সেল’, যা রক্তে থাকে না। এটি থাকে টিস্যুতে। সিলেটে জন্ম নেয়া হায়দার আলী শৈশবেই যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং সেখানেই লেখাপড়া করেন। সবশেষে তার পিএইচডি থিসিস এবং পোস্ট ডক্টরাল থিসিসও করেন লন্ডনে এবং বিষয় ছিল এই ‘মাস্ট সেল।’ ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি এই সেল নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ইউপেনের প্যাথলজির প্রফেসর এবং ইউপেন স্কুল অব ডেন্টাল মেডিসিনের ফ্যাকাল্টি এডভান্সমেন্ট ও ডাইভার্সিটিরও পরিচালক।

মৃদুভাষী ড. হায়দার এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘অবশ্যই আমি ধন্য এমন একটি কাজ সম্পন্ন করতে পেরে। কারণ, আমাদের এ উদ্ভাবন মানবজাতির জন্যে খুবই দরকার ছিল।’ ড. হায়দার বলেন, ‘এই সেল সম্পর্কে খুব কমই ধারণা ছিল। যদিও এলার্জি এবং এ্যাজমার মত জটিল রোগের প্রধান কারণ আরো সুনিপুণভাবে উদঘাটনে আরো কাজ করতে হবে। তারপরই ঐ জীবানু চিরতরে বিনষ্টের পথ সুগম হবে।’

ড. হায়দার উল্লেখ করেন, ‘কোন জীবন্ত প্রাণীই মাস্ট সেল ছাড়া নেই। এজন্যেই এলার্জি কিংবা এ্যাজমা প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নিজে থেকে শরীরে তৈরী হতে পারে না। উদঘাটিত মাস্ট সেলের মাধ্যমেই এখন আমাদের শরীরকে ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। তবে, যে সব মানুষের দেহে মাস্ট সেলের পরিমাণ বেশী, তারা চর্মরোগ, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেটে ব্যাথা জনিত রোগে বেশী আক্রান্ত হতে পারেন।’

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ