জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন : বহুজাতিক ফোরামে মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার অঙ্গীকার
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ১৭ এপ্রিল ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন করা হয়। ঐতিহাসিক এ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সকাল সাড়ে ৯ টায় মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। মিশনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদসহ এ সরকারের সকল নেতৃবৃন্দের স্মৃতির উদ্দেশ্যে একমিনিট নিরবতা পালন করা হয়। নিরবতা পালন শেষে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে দেওয়া মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো: আরিফুল ইসলাম এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিশনের ইকোনমিক মিনিস্টার ইকবাল আব্দুল্লাহ্ হারুন। এরপর শুরু হয় মূল আলোচনা অনুষ্ঠান।
জাতিসংঘের মত আন্তর্জাতিক ফোরামে মুজিবনগর দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের কর্মে ও চিন্তায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য ধারণ করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির গৌরবগাঁথা বিদেশী বন্ধুদের জানাতে নিজ নিজ ক্ষেত্রে আরও বেশী ভূমিকা রাখতে হবে, যা “গণহত্যা দিবস” এর আন্তর্জাতিকীকরণের কাজকে এগিয়ে নিবে”।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “এই সরকার গঠনের ফলেই বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্রসমূহের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সৃষ্টি হয়েছিল এবং পাকিস্তান ছেড়ে আসা বাংলাদেশের কূটনীতিকদের জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করা সহজ হয়েছিল”।
মিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম আখতারুজ্জামান বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের পরিকল্পনা প্রণয়ন, দক্ষ পরিচালনা এবং চুড়ান্ত বিজয় অর্জনের ক্ষেত্রে মুজিবনগর সরকারের ঐতিহাসিক অবদান প্রতিটি বাঙালির মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে”।
আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন মিশনের মিনিষ্টার ফাইয়াজ মুর্শিদ কাজী, মিনিষ্টার এটিএম রকিবুল হক, কাউন্সিলর সঞ্চিতা হক, ফার্স্ট সেক্রেটারি মো: হুমায়ুন কবীর ও ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) মো: নুরএলাহি মিনা। জাতির পিতা, জাতীয় চারনেতাসহ মুজিবনগর সরকারের যে সকল সদস্য শহীদ হয়েছেন, পরলোকগমণ করেছেন তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে অনুষ্ঠান শেষে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি জনাব মো: তৌফিকুর রহমান।
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ