শিশুকালে আমেরিকায় আসা অবৈধভাবে বসবাসকারি তরুণ অভিবাসীদের নিশ্চিন্ত থাকতে বললেন ট্রাম্প
শিশুকালে আমেরিকায় এসেছেন ও এখন অবৈধভাবে বসবাস করছেন এমন তরুণ অভিবাসীদের নিশ্চিন্ত থাকতে বলেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার সরকারের অভিবাসন নীতির আওতায় পড়বে না এই ‘স্বপ্নবাজ’রা। নিজের ক্ষমতারোহণের শততম দিনকে সামনে রেখে বার্তাসংস্থা এপি’র সঙ্গে শুক্রবার এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। তার মন্তব্য, ‘আমার প্রশাসন এই স্বপ্নবাজদের বিরুদ্ধে নয়। আমরা অপরাধীদের তাড়া করছি।’ অভিবাসন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল, পররাষ্ট্রনীতি, উইকিলিকস, বিদেশি নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক সহ বিভিন্ন ইস্যুতে এই সাক্ষাৎকারে কথা বলেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট প্রচারাভিযানের সময় অবশ্য অভিবাসন নিয়ে বেশ কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন ট্রাম্প। এমনকি পার্শ্ববর্তী মেক্সিকো থেকে অভিবাসন কমাতে তিনি ওই দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। তবে এই সাক্ষাৎকারে ওই প্রতিশ্রুতি থেকে পিছু হটেননি। বরং, নতুন করে দেয়াল নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তবে আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ সরকার পরিচালনার জন্য কংগ্রেস যে অর্থ বরাদ্দ দেবে, সেখানে এই দেয়াল নির্মাণ প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দের দাবি জানানোর বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমি এই সীমান্ত দেয়া চাই। আমার সমর্থক গোষ্ঠী নিশ্চিতভাবেই ওই দেয়াল চায়।’ তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ওই দেয়ালের জন্য অর্থ বরাদ্দ না দিলে কংগ্রেসের বিলে তিনি স্বাক্ষর করবেন কিনা। জবাবে তিনি বলেন, আমি এখনো জানি না। অবশ্য পুরো প্রচারাভিযান জুড়েই ট্রাম্প বারবার নিশ্চয়তা দেন যে, ওই দেয়ালের অর্থ মার্কিন করদাতারা নয়, মেক্সিকো পরিশোধ করবে।
এছাড়াও নিজের অন্যান্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি আনতে আগ্রহী তিনি। আগামী সপ্তাহেই আসতে পারে আয়কর প্যাকেজ। এই প্যাকেজের আওতায় ধনাঢ্য ব্যক্তিবিশেষ ও করপোরেশনের বিপুল আয়কর হ্রাস করা হতে পারে। তবে কংগ্রেসের রিপাবলিকান নেতারা এ বিষয়ে তেমন কিছু জানেন না।
নিজের ক্ষমতারোহণের ১০০তম দিনকে সামনে রেখে এপিকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। এ সাক্ষাৎকারে তিনি বৈদেশিক নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন। ট্রাম্প বলেন, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে খুবই দারুণ রসায়ন জমেছে তার। এর আগেও তিনি তার আদর্শ বৈদেশিক নেতা হিসেবেও মার্কেলের কথা উল্লেখ করেন। কিন্তু এরই মাঝে মার্কেলের অভিবাসন নীতির কড়া সমালোচনাও করেন ট্রাম্প। জার্মানির সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে তার। মার্কেল হোয়াইট হাউস সফরে এলে তার সঙ্গে করমর্দন করতে রাজি না হয়েও আলোচনার জন্ম দেন তিনি।
পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ট্রাম্প বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র বের হয়ে যেতে পাওয়ার সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। অপরদিকে নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় উইকিলিকসের তথ্যফাঁস ও এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের প্রশংসা করলেও, এখন তার কণ্ঠে ভিন্নসুর। তারই অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্স সম্প্রতি বলেছেন, অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করাটা যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। ওই বক্তব্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। কিন্তু অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করলে তার কোনো সমস্যা নেই। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ