বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার : মুসলমানের সংখ্যা কমেছে ০.৪ ভাগ, অন্য ধর্মের বেড়েছে ০.৪ ভাগ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক :: বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার। পুরুষ ও মহিলার সংখ্যা প্রায় সমান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১৭ সালের ১লা জানুয়ারির সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখন মোট পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১০ লাখ এবং মহিলার সংখ্যা ৮ কোটি সাড়ে ৭ লাখ জন । গতকাল শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি অডিটোরিয়ামে বিবিএস’র এক রিপোর্ট প্রকাশ করে এই তথ্য জানানো হয়।
বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, গেল ৫ বছরে (২০১২-২০১৬) মুসলমানের সংখ্যা কমেছে ০.৪ ভাগ। ২০১২ সালে মোট জনসংখ্যার ৮৮.৮ ভাগ মুসলমান ছিল, ২০১৬ সালে এটি কমে হয়েছে ৮৮.৪। বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, ২০১২ সালে দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ২৭ লাখ। ২০১৬ সালের ১লা জুলাইতে এই জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৮ লাখে। আর গত ছয় মাসে মোট জনসংখ্যা বেড়েছে সাড়ে ৯ লাখ।
বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, ২০১৬ সালে এই জরিপ করে ব্যুরো। তখন নমুনা খানা ছিল ২২ লাখ ৮৭২টি। গত পাঁচ বছরে লিঙ্গানুপাত কমেছে। নারী-পুরুষের লিঙ্গানুপাত ২০১২ সালে যেখানে ১০৪.৯ ছিল, তা ২০১৬ সালে ১০০.৩ অনুপাতে দাঁড়ায়। উচ্চ প্রজনন হারের এটাও একটা কারণ।
দেশে পরিবার প্রতি সদস্য সংখ্যাও কমেছে বলে জানানো হয়েছে ওই জরিপে। জরিপ অনুযায়ী, গড় খানার সদস্যও কমেছে। ২০১২ সালে যেখানে গড় খানার সদস্য ছিলেন সাড়ে ৪ জন। সেখানে ২০১৬ সালে তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৪.৩ জনে। পাশাপাশি কমেছে নির্ভরতার অনুপাত (ডিপেনডেন্সি রেট)। ২০০২ সালে নির্ভরতার হার ছিল ৮০ শতাংশ, ২০১৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫৪ শতাংশে। তবে গত ৫ বছরে তা প্রায় স্থিতিতে রয়েছে। ব্যুরোর হিসেবে ২০১২ সালে দেশে মুসলমানের সংখ্যা ছিল ৮৮.৮ শতাংশ। যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৮৮.৪ শতাংশে। যেখানে ২০১২ সালে অন্য ধর্মের হার ছিল ১১.২ শতাংশ, এটা ২০১৬ সালে দাঁড়িয়েছে ১১.৬ শতাংশে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার। এর মধ্যে ৮১.২ শতাংশ মানুষের আলোর উৎস হিসেবে বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু এখনো কেরোসিনের বাতির ব্যবহার অনেক বেশি। দেশের ১৩ শতাংশ মানুষ এখনো কেরোসিনের বাতির ওপর নির্ভরশীল। সৌরশক্তির আলো জ্বলে ৫.৬ শতাংশ মানুষের ঘরে। বার্ষিক এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে শিক্ষার হার ৭২.৩ শতাংশ।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক আমীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য বিভাগের সচিব কে এম মোজাম্মেল হক। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য তুলে ধরেন যুগ্ম পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম আশরাফুল হক।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ