ব্রিটেনের মধ্যবর্তী নির্বাচন ৮ জুন : ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যেতে এবার লড়ছেন ১৫ বাংলাদেশি
লন্ডন: ব্রেক্সিট তথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া জোরদার করতে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরো নিরঙ্কুশ করতে গত ১৮ এপ্রিল অনেকটা আচমকাই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে। আগামী ৮ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ব্রিটেনের মধ্যবর্তী নির্বাচন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের দৌড়ে এবার যোগ দিয়েছেন ১৫ জন ব্রিটিশ বাংলাদেশি।ব্রেক্সিট, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন, আবাসন কিংবা রাষ্ট্রীয় কল্যাণ সেবাসহ নানা কিছু এবারের নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশিরাও স্বাভাবিক কারণে জাতীয় এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন।২০১৫ সালের নির্বাচনে বাঙালি প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ জন। ওইবার বাংলাদেশি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনেরুশনারা আলী, সেন্ট্রাল লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে টিউলিপ সিদ্দিক এবং ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে রুপা হক এমপি নির্বাচিত হন। এরা তিনজনই লেবার দলীয় রাজনীতিক। বাঙালি এই তিনকন্যা এবারও লেবার দলেরপক্ষে নিজ নিজ আসন ধরে রাখার লড়াইয়ে নেমেছেন।
ভোটের লড়াইয়ে অংশ নেয়া ১৫ জনের মধ্যে নয়জন লড়ছেন প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, লিবারেল ডেমোক্রেট ও ফ্রেন্ডস পার্টির হয়ে লড়ছেন একজন করে। ৮ জুন বৃহস্পতিবার এই ভোট হবে।নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বাঙালি প্রার্থীরা হলেন— রুশনারা আলী (লেবার, বেথনাল গ্রীন অ্যান্ড বো আসন), টিউলিপ রেজওয়ান সিদ্দিক (লেবার, হ্যাম্পস্টেট অ্যান্ড কিলবার্ন), রূপা হক (লেবার, ইলিং সেন্ট্রাল ও একটন), আনোয়ার বাবুল মিয়া (লেবার, ওয়েলউইন অ্যান্ড হ্যাটফিলড), মেরিনা আহমদ (লেবার, বেকেনহাম), রওশন আরা (লেবার, সাউথ থেনেট), ফয়সল চৌধুরী এমবিই (লেবার, স্কইল্যান্ডের এডিনবারা সাউথ ওয়েস্ট), আবদুল্লাহ রুমেল খান (লেবার, পোর্টসমাউথ নর্থ), জুয়েল মিয়া ( লেবার লাফবরা)
সাজু মিয়া (লিবডেম, ওয়াইর ফরেস্ট), আজমল মাশরুর (স্বতন্ত্র, বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো), ওলিউর রহমান (স্বতন্ত্র, পপলার এন্ড লাইম হাউজ), আবু নওশাদ (স্বতন্ত্র, ইয়ার্ডলি, বার্মিংহাম), ব্যারিস্টার মির্জা জিল্লুর (স্বতন্ত্র, ইস্টহাম), আফজল চৌধুরী (ফ্রেন্ডস পার্টি, ইস্টহ্যাম)
এর বাইরে ও লুটন সাউথ এলাকা থেকে আশুক আহমেদ নামে আরেক বাংলাদেশিকে মনোনয়ন দিয়েছিল লিবারেল ডেমোক্রেটিক দল। তবে ইহুদি-বিদ্বেষী মন্তব্য করায় সম্প্রতি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।উল্লেখ্য, ৬৫০ আসনের পার্লামেন্টের ৩৩১টিতে জয়ী হয়ে গতবার সরকার গঠন করেছিল কনজারভেটিভরা। ২০১৫ সালের ওই নির্বাচনে লেবার পার্টির হয়ে লড়েছিলেন পাঁচজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি, যাদের তিনজনই জয়ী হন।
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’