ভারত ও বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িকতার নগ্নরূপ
রণেশ মৈত্র : বাংলাদেশের ক্রমান্বয়ে সাম্প্রদায়িকতা বৃদ্ধির উদ্বেগজনক খবর নিত্যদিনই আমাদের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াগুলোতে প্রকাশিত হচ্ছে। এ উদ্বেগ অবসানের আশু কোন সম্ভাবনা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না-তেমন কোন উদ্যোগও নেই তা নিরসনের।
এই মাত্র খবর দেখলাম ধামরাই এর বিখ্যাত রথ সন্ত্রাসীর হুমকির প্রেক্ষিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকার কেন তা মেনে নিল-কেনই বা সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিল না তার কোন জবাব নেই। উগ্র স ন্ত্রাসী, জঙ্গীরা এতে যে পরিমাণ উৎসাহিত হবে তার ফলে আগামীতে বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের তাবৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানই যে অনুরূপ কারণে বন্ধ করে দেওয়ার আশংকার সৃষ্টি হলো।
জানা গেছে, গত ৩ জুলাই ধামরাই উল্টোরথের দিন আয়োজক কমিটি সকালে উঠে দেখতে পান রথ প্রাঙ্গনের বিশাল মেলার সকল দোকান-পাট তুলে দেওয়া হয়েছে-প্রাঙ্গনটি যেন শোকাচ্ছন্ন ও বিরান এক দু:খজনক চিত্র ধারণ করে আছে। এলাকায় অস্ত্রধারী কিছু পুলিশও দাঁড়িয়ে থাকায় কমিটির নেতৃবৃন্দ জানতে চান মেলা প্রাঙ্গনের দোকানগুলি কোথায় গেল। উত্তরে পুলিশ জানায় পুলিশের কাছে বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত গোপন খবর ছিল যে রথযাত্রা উৎসবে সন্ত্রাসী হামলা হবে। তাই মেলার দোকানপাট তুলে দেওয়া হয়েছে।
অত:পর কমিটি বৈঠক ডেকে এবারের উল্টোরথ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিমত প্রকাশ করন যে পুলিশের কর্তব্য ছিল প্রয়োজনানুযায়ী তাদের শক্তি বৃদ্ধি করে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধের তাবৎ ও কার্য্যকর ব্যবস্থা করে অবাধে ও শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দুদের এই রথযাত্রা উৎসবের সকল কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া। তা না করে উল্টো তারা উৎসবটির অঙ্গহানি ঘটালো নির্দোষ মেলাকেই যেন অপরাধী বানিয়ে তাদের উপর হামলা চালাল। অর্থাৎ সরকার জঙ্গী সন্ত্রাসীদের কাছে আত্মসমর্পণ করে দেখালো এই ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হতে দেওয়ার চাইতে জঙ্গী সন্ত্রাসীদের আকাংখা পূরণ করাই যেন তাদের কাছে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। পরে অবশ্য নানা মহলের চাপে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু উৎসবের প্রাণোচ্ছ্বলতার অভাব ছিল যেন।
লক্ষ্যনীয় যে এবার বেশ কিছুদিন আগেই সরকার রথযাত্রা এবং তার মিছিলে মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এ ছাড়াও প্রতিদিনই দেশের একাধিক স্থানে মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা তো বছরের পর বছর ধরে ঘটেই চলেছে। ঘটছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সমূহের ঘর-বাড়ী সহায়-সম্পত্তির উপর নগ্ন হামলা-দখল-উচ্ছেদ-নারী অপহরণ ও ধর্ষণ দেশ থেকে বিতাড়ন প্রভৃতি।
প্রায় প্রতিদিনই এ জাতীয় খবর দেশের সংবাদপত্রগুলিতে প্রকাশিত হলেও এবং পুলিশকে এজাহার দায়ের বা জি.ডি. করার মাধ্যমে জানানো হলেও আজতক একটি ঘটনার জন্যও কারও বিচার হয় নি বা কোন অপরাধীকে শাস্তিও দেওয়া হয় নি। ফলে অপরাধীদের ঔদ্ধত্য বৃদ্ধি পাচ্ছে-ঘটনাবলীর সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িকতার এমন চিত্র পূর্বাহ্নে উলে−খ করলাম যে কারণে তা হলো বাংলাদেশে অজ¯্র সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটলেও আইনের শাসনের ভয়ংকর অভাব বা অনুপস্থিতি জনিত কারণে তা রাখ ঢাক না করেই দিব্যি ঘটে চললেও ভারতের চিত্র কদাপি এমনতর ছিল না।
ভারতেও আমরা নি:সন্দেহে জানি, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বরাবরই ছিল এবং আছে। কিন্তু সেখানকার দীর্ঘদিনের বিরাজমান গণতন্ত্রে আইনের শাসনও দিব্যি বজায় থাকায় প্রতিটি ঘটনা ঘটার পর অপরাধীদের বিচারামলে আনা এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীদের শাস্তিদানের ঘটনাও বজায় থাকার ফলে অপরাধীরা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকতে বাধ্য হয়। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হন তাঁরাও অপরাধীদের বিচার ও শস্তি হওয়ায় অবশেষে ক্ষোভমুক্ত হন। ভারতের কোন ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিশেষ করে মুসলিম সমাজ সে কারণে দেশত্যাগের কথা কল্পনাতেও আনেন না । দেশত্যাগে কেউ তাঁদের বাধ্যও করেন না। বাংলাদেশে এখনও দেশত্যাগ ও দেশত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা দিব্যি হরহামেশাই ঘটে চলেছে।
কিন্তু ইদানীং বি.জে.পি নেতৃত্বাধীন ভারতে সাম্প্রদায়িক ঘটনাবলী অহরহ ঘটছে যা ঘটতে শুরু করেছে তারা দিল−ীতে মন্ত্রীসভা গঠনের পর থেকেই।
এর প্রথম বহি:প্রকাশ ঘটে জোর করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিশেষ করে মুসলিম ও খৃষ্টানদের হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তর করণের মধ্য দিয়ে। এর প্রতিবাদে কয়েকটি নিবন্ধ আমি অতীতে লিখেছিলাম যা বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিতও হয়েছিল। দেশ-বিদেশে তার ব্যাপক প্রতিবাদও উত্থাপিত হয়েছিল। ঐ দেশী -বিদেশী বিরূপ সমালোচনার মুখে ঐ ধর্মান্তরকরণ প্রক্রিয়া কিছুকাল চলার পর বন্ধও হয়ে গিয়েছিল।
অপর একটি সাম্প্রদায়িক ইস্যু গো-হত্যা বন্ধ করা-গোমাংস ভক্ষণে বিরোধীতা করাই শুধু নয় বরং গোমাংস সংরক্ষণ (ফ্রিজে বা দোকানে) ও ভক্ষণ করলে তাদেরকে নিমর্মভাবে হত্যা করাও শুরু হয়েছে।
ভারতে অনেকগুলি প্রদেশ এবং কিছু সংখ্যক প্রদেশে নির্বাচিত প্রাদেশিক সরকার যেমন রয়েছে তেমনই আবার ঐ প্রদেশগুলিতে কোনটায় বি.জে.পি., কোনটায় কংগ্রেস কোনটায় সি.পি.এম বা বামফ্রন্ট আবার কোন কোনটায় ভিন্ন কোন আঞ্চলিক দল-যেমন পশ্চিমবাংলায় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় বসে আছে। এভাবে দক্ষিণ ও মধ্য ভারতের কতিপয় প্রদেশে বি.জে.পি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আছে।
বিজেপি নেতৃত্বাধীন কোন কোন প্রদেশে গো-হত্যা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বেশ কিছুকাল আগেই। অপর কিছু কিছু প্রদেশে গো-হত্যা নিষিদ্ধ না করা হলেও ঐ অভিযোগে বেশ কিছু সংখ্যক নিরীহ মুসলমানকে সময় সময় নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং হচ্ছে অনেকটা গণ-পিটুনির মত নিষ্ঠুরভাবে। ইদানীং এই হত্যালীলা বেড়েছে।
এ বিষয়ে সম্প্রতি দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত একটি খবরে বলা হয়ঃ
“ভারতে গরুর প্রতি ভক্তি দেখাতে গিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন যেভাবে গণপিটুনি থেকে হত্যার শিকার হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে অবশেষে সরব হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সবরমতি আশ্রমের শতবার্ষিকী উদযাপনের সূচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “গো-ভক্তির নামে মানুষকে হত্যা করা মেনে নেওয়া যায় না। মহাত্মা গান্ধী কখনোই একে সমর্থন করতেন না”।
গো-রক্ষার নামে বা-গোমাংস বিতর্ককে কেন্দ্র করে সারা দেশেই একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা সামনে আসছে। প্রায় প্রতিটি ঘটনায় বিজেপির বা কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর নাম সামনে আসছে তার জন্য দায়ী হিসেবে। এ বিষয়ে মোদির (তিনিও বিজেপি নেতা) নীরব থাকার অভিযোগও উঠেছিল প্রচুর। সমালোচনাও উঠেছিল তাঁর নীরবতার বিরুদ্ধে। সম্ভবত: সে কারণেই মোদি মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিবিজড়িত সবরমতি আশ্রমে দাঁড়িয়ে গো-রক্ষার নামে মানুষ হত্যার প্রতিবাদ জানাতে মুখ খুললেন।
প্রশ্ন হলো, গো-হত্যা নিষিদ্ধ হবে কেন? মানুষ তো নানা জীবই হত্যা করে-তার মাংস খায়। এর সাথে আবার কখনও কখনও ধর্মের সংমিশ্রণও ঘটে। যেমন মুসলমানেরা গরুর মাংস খেয়ে থাকেন এবং সে কারণে গো-হত্যাও করে থাকেন। এ উপমহাদেশ জুড়ে প্রতিটি দেশেই মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহাতে গরু কোরবানী দিয়ে থাকেন ব্যাপক হারে। যেমন হিন্দুরা কালী পূজায় পাঁঠা বলি দিয়ে থাকেন। কোন ঠাই নিষিদ্ধ করা উচিত নয় তাতে সংশিক্ষষ্ট ধর্মবিশ্বাসীরা আঘাত পান।
আবার গো-হত্যা কোথাও কোথাও নিষিদ্ধ হয়ে থাকলেও গো মাংস ভক্ষণ কোথাও নিষিদ্ধ হয় নি। তবু দেখা যায়, অমুকের বাড়ীতে ফ্রীজে গোমাংস রাখা আছে এমন গুজব শুনেই ইসলাম ধর্মাবলম্বী সেই মানুষকে দিব্যি হত্যা করার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
অথচ ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় অন্যতম মূলনীতি হিসেবে আজও দিব্যি বহাল আছে। আরও আছে নিজ নিজ রুচি অনুযায়ী, পোষাক, খাদ্য-প্রভৃতি গ্রহণ করার মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি। কিন্তু এত সব সত্বেও দিব্যি মৌলিক অধিকার হরণই শুধু নয় তার মাধ্যমে সংবিধানের ও আইন কানুনের প্রতি চরম অবমাননাও দিব্যি করে চলেছে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা।
কিন্তু গো-রক্ষার নামে মুসলমান বা মানুষ হত্যার বা গো-মাংস ভক্ষণ বা সংরক্ষণের অভিযোগে অনুরূপ হত্যার ঘটনা যথেষ্ট সংখ্যায় ঘটলেও আজতক এগুলির ব্যাপারে কাউকে গ্রেফতার, বিচার বা শাস্তিদানের খবর এখন পর্যন্ত শুনা যায় নি।
তবে কি মোদি সরকার এই সব নির্মম হত্যার শুধু মুখেই বিরোধী? কাজে তার নমুনা এখন পর্যন্ত শুনা যায় নি। যদিও অনেক সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিচার হয়েছে ভারতের নানা রাজ্যে, বহু অপরাধীর দীর্ঘ মেয়াদী সাজাও হয়েছে ভারতের বিভিন্ন আদালতে ঐ অভিযোগে।
এমন কি বিজেপি শীর্ষস্থানীয় তিনজন নেতাসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মাত্র কয়েকমাস আগে গুজরাটে ট্রেইনে আগুন দিয়ে মুসলিম হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলা বিচারাধীন থাকায় আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপির ঐ তিনজনের একজন শীর্ষ নেতাকে সরকারী দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা সম্ভব হয় নি। অতীতে ঐ ঘটনার অভিযোগে অনেককে বিচার করে শাস্তিও দেওয়া হয়েছে যার নজির বাংলাদেশে নেই।
অবশ্য শুকরের মাংস বাংলাদেশে কোন সম্প্রদায়ের মধ্যে জনপ্রিয় নয়। মুসলিমদের রয়েছে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা জনিত ঘৃণা-আর অন্যদের তেমন কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও বিন্দুমাত্র আকর্ষণ কোন সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেই দেখা যায় না। যদি থাকতো এবং যদি শুকর বধ করতো প্রতিক্রিয়া কত ভয়াবহ হত তা কল্পনা করাও যায় না।
অপরপক্ষে কলকাতায় সেই ১৯৭১ সালে দেখেছি অপেক্ষাকৃত ধনী মধ্যবিত্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু সংখ্যক হিন্দু ছাত্র-ছাত্রীদেরকে হোটেলে বসে দিব্যি সাড়ম্বরে গোমাংস দিয়ে দুপুরের খাবার খেতে -অবশ্য সীমিত সংখ্যায়। এত দিনে ঐ সংখ্যা নিশ্চয় বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সে ব্যাপারে রাষ্ট্রের কোন চোখ রাঙানি নেই।
ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হলো সেই ১৯৪৭ সালে। তখন একবার স্বাধীন হলাম। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আবারো স্বাধীনতা আনলাম। ঘোষিত হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা ভারতে তো ১৯৫৩ সালে সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা স্থান পেয়েছে এবং আজও তা অব্যহত আছে।
কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা? তা কোন দেশেরই পিছু ছাড়ছে না। কতদিনে ছাড়বে তাও কেউ জানে না। উভয় দেশের সরকারই যেন নানাভাবে সাম্প্রদায়িকতাকে পুষেই চলেছেন।
লেখক : রণেশ মৈত্র, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, ঐক্য ন্যাপ, বাংলাদেশ, E-mail:[email protected]
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ