যেমন করে মডেল হলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মিডিয়া পরিচালক হোপ হিকস
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে দৃশ্যত এখন তার দল রিপাবলিকান কোনো রাজনীতিক নেই। মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, সেখানে সর্বশেষ রিপাবলিকান রাজনীতিক ছিলেন রায়ান্স প্রিবাস। তারও বিদায় হয়েছে হোয়াইট হাউস থেকে। এখন ট্রাম্পের চারপাশে যারা আছেন তারা হয়তো কোনো ব্যবসায়ী না হয় কোনো সরকারি কর্মকর্তা অথবা পরিবারের সদস্য। তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ২৮ বছর বয়সী একজন সাবেক মডেল। তিনি হোপ হিকস নামের সুন্দরী। তাকে নতুন মিডিয়া বিষয়ক পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি, সিএনএন ও লন্ডনের দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়েছে, কয়েকদিন আগে মিডিয়া বিষয়ক বা যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হয় অ্যান্থনি স্কারামুচ্চিকে। তার পদে বসানো হয়েছে হোপ হিকসকে, যার কোনো রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নেই। তবে ৫ বছর ধরে ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। সেই সূত্র ধরে তিনি প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ একজন সহকর্মী হয়ে উঠার চেষ্টা করেছেন, যেখানে বছরে সর্বোচ্চ এক লাখ ৮০ হাজার ডলার বেতন পাবেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কি করে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নেই এমন একজন অপরিণত যুবতীকে এত গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলো? এর জবাবে মিডিয়ায় লেখা হয়েছে, হোপ হিকসের কোম্পানির একজন ক্লায়েন্ট ছিল ট্রাম্পের কন্যা ইভানকা ট্রাম্পের ফ্যাশন কোম্পানি। নিজের ওই প্রতিষ্ঠানেব হোপ হিকস ছিলেন জনসংযোগ বিষয়ক কর্মকর্তা। তিনি নিজে রাফ লরেনের মতো কোম্পানির মডেল হয়েছেন। গসিপ গার্ল নামের ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কন্যা হয়েছেন। কাজের অংশ হিসেবে তিনি ইভানকার পোশাক কোম্পানিতে বেশকিছু পোশাকের মডেলিংও করেছেন। ডনাল্ড ট্রাম্পের বড় মেয়ে ইভানকার সঙ্গে কাজ করার কারণে হোপ হিকসের দিকে দৃষ্টি পড়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি তাকে ২০১৪ সালে ব্যক্তিগতভাবে হোপ হিকসকে তার রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে পিআর পদে বসিয়ে দেন। গত বছর জিকিউ ম্যাগাজিনকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মনে করেছিলেন হোপ হিকস অসাধারণ। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে হোপ হিকস রাজনীতি থেকে সরে আসেন। ওই সময়ে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একটি সফরে সঙ্গী হয়েছিলেন। ওই সফরটি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম প্রচারণা ছিল। এ ছাড়া ট্রাম্পের টুইটার একাউন্ট সচল রাখতে সহায়তা করেন হোপ হিকস। এই একাউন্ট ডাউন হয়ে যাওয়ার পর ট্রাম্প তার অর্গানাইজেশনের অন্যদের নির্দেশ দিয়েছিলেন তাতে টুইট করতে। যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা গুরুত্বর রূপ ধারণ করে তখন হোপ হিকসের সামনে দু’টি পথ খোলা। একটি হলো ফুলটাইম রাজনৈতিক প্রেস সেক্রেটারি হওয়া। অন্যটি হলো ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে কাজে ফিরে যাওয়া। হোপ হিকস দ্বিতীয়টি বেছে নিলেন। কিন্তু আবার তার ডাক পড়ল ট্রাম্পের পক্ষ থেকে। তার রাজনৈতিক টিমে যোগ দেয়ার আহ্বান জানালেন ট্রাম্প। সেই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে থাকতে পারেননি হোপ হিকস। এই ২৮ বছর বয়সী যুবতী নিজে সাক্ষাৎকার দিতে খুব একটা আগ্রহী নন। তবে যখন সাংবাদিকরা ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তখন সেখানে দেখা গেছে হোপ হিকসকে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় তিনি নিজের টুইট একাউন্ট মুছে দিয়েছিলেন। তার ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট ছিল একান্তই ব্যক্তিগত। গত কয়েক মাসে ট্রাম্পের চারপাশ থেকে অনেকে চলে গেছেন বা তাদেরকে বিদায় করে দিয়েছেন ট্রাম্প নিজে। কিন্তু সেক্ষেত্রে তার দৃঢ় আস্থা অর্জন করেছেন এই ২৮ বছরের যুবতী। তিনি কারো সেবা করেননি, কোনো রাজনীতি করেননি, তবে তিনি প্রেসিডেন্টের সেবা করেছেন। ওদিকে হোপ হিকসের সাবেক কোচ ল্যাক্রোস ওয়াশিংটন পোস্টকে হিকসের মনোবাসনা সম্পর্কে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হিকস অন্যকে সহায়তা করাকে পছন্দ করে। সে আসলে একজন টিম প্লেয়ার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী। সে প্রেসিডেন্টকে সেবা দেয়াকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। তাই বর্তমানে সে রাজনৈতিক দীর্ঘদিনের অনুচর তার। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর হোপ হিকসের জন্য তিনি একটি নতুন রোল বা ভূমিকা সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হোয়াইট হাউসের স্ট্রাটেজিক কমিউনিকেশন বিষয়ক পরিচালক। অনলাইন পলিটিকোর এক রিপোর্ট মতে, ট্রাম্প পরিবার যে কয়েকজন অভ্যন্তরীণ মানুষের ওপর আস্থা রাখে তার অন্যতম হোপ হিকস। তবে তাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা শুধু অন্তর্বর্তীকালীন। তবে তাকে সহসাই শীর্ষপদে তোলা হবে। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’