Thursday, 25 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা খান মোশাররফের মহানুভবতা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 191 বার

প্রকাশিত: November 9, 2017 | 11:13 PM

মতিউর রহমান লিটু : চিরবিদায় নিয়ে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন দক্ষিণাঞ্চলের বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ও পটুয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা খান মোশাররফ হোসেন। গত ১ নভেম্বর বুধবার মধ্য রাতে ভারতের শংকর নেত্রালয়ের একটি আবাসিক হোটেলে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আমার কিছু স্মৃতিকথার অবতাড়না করতে চাই। 

৯০ দশকের রাজনীতিতে সহনশীলতা, শ্রাদ্ধাবোধ, ভালবাসা ছিল আমাদের সকলের প্রথম বৈশিষ্ট। বর্তমান বাংলাদেশের ধংসাত্বক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে চিন্তা করলে হয়তবা আমার স্মৃতিকথা টুকু সকলের অবিশ্বাস্যই রয়ে যাবে! তারপরেও আমার ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা টুকু বলে নিজেকে দায় মুক্ত করতে চাই!

খান মোশাররফ সাহেব বরাবরই আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেছেন, তার সাথে আমার কোনদিন পরিচয় ছিল না। আমি করতাম বিএনপি রাজনীতি অর্থাৎ ছাত্রদল আর তিনি তখন পটুয়াখালী সদর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক।  ১৯৯১ সনের নভেম্বর মাসের কোন এক সময় (তারিখ মনে করতে পারছি না) পটুয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ গেইটে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রদলের নেতাকর্মিদের মারামারি হয়েছিল। আমি তখন সদ্য ছাত্র রাজনীতিতে আসা ছাত্রদলের একজন কর্মী, তেমন নাম ডাক হয়ে ওঠেনি। আউয়াল দারোগা নামে এক দারগা ছিলেন তিনি সহিংসতায় জড়িত কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করতে না পেরে আমাকে সহ পাচজন নির্দোষ ছাত্রকে গ্রেফতার করেছিলেন। আমি তখন সদ্য মনোনীত শহীদ জিয়া ছাত্রাবাসের হোষ্টেল মনিটর হিসাবে দায়ীত্ব পালন করতাম তাই মুহুর্তেই খবর পৌছে যায় কলেজে, কলেজ থেকে স্থানীয় বিএনপি ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে। সেদিন কোন দলমতের ভেদাভেদ না করে আমি সহ বাকী পাঁচজনকেই নিজ দায়ীত্বে ছাড়িয়ে এনেছিলেন জনাব খান মোশাররফ সাহেব। এমনকি তিনি আউয়াল দারগাকে আমাদের সামনেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছিলেন আমাদের মত নিষ্পাপ ছাত্রদের কেন গ্রেফতার করা হয়েছিল! সেদিনের সেই মহানুভবতা আমাকে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তুলেছিল।

তাই কোন দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে নয় একজন মানুষ হিসাবেই খান মোশাররফের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন, আমীন!

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV