Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা খান মোশাররফের মহানুভবতা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 165 বার

প্রকাশিত: November 9, 2017 | 11:13 PM

মতিউর রহমান লিটু : চিরবিদায় নিয়ে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন দক্ষিণাঞ্চলের বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ও পটুয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা খান মোশাররফ হোসেন। গত ১ নভেম্বর বুধবার মধ্য রাতে ভারতের শংকর নেত্রালয়ের একটি আবাসিক হোটেলে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আমার কিছু স্মৃতিকথার অবতাড়না করতে চাই। 

৯০ দশকের রাজনীতিতে সহনশীলতা, শ্রাদ্ধাবোধ, ভালবাসা ছিল আমাদের সকলের প্রথম বৈশিষ্ট। বর্তমান বাংলাদেশের ধংসাত্বক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে চিন্তা করলে হয়তবা আমার স্মৃতিকথা টুকু সকলের অবিশ্বাস্যই রয়ে যাবে! তারপরেও আমার ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা টুকু বলে নিজেকে দায় মুক্ত করতে চাই!

খান মোশাররফ সাহেব বরাবরই আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেছেন, তার সাথে আমার কোনদিন পরিচয় ছিল না। আমি করতাম বিএনপি রাজনীতি অর্থাৎ ছাত্রদল আর তিনি তখন পটুয়াখালী সদর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক।  ১৯৯১ সনের নভেম্বর মাসের কোন এক সময় (তারিখ মনে করতে পারছি না) পটুয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ গেইটে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রদলের নেতাকর্মিদের মারামারি হয়েছিল। আমি তখন সদ্য ছাত্র রাজনীতিতে আসা ছাত্রদলের একজন কর্মী, তেমন নাম ডাক হয়ে ওঠেনি। আউয়াল দারোগা নামে এক দারগা ছিলেন তিনি সহিংসতায় জড়িত কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করতে না পেরে আমাকে সহ পাচজন নির্দোষ ছাত্রকে গ্রেফতার করেছিলেন। আমি তখন সদ্য মনোনীত শহীদ জিয়া ছাত্রাবাসের হোষ্টেল মনিটর হিসাবে দায়ীত্ব পালন করতাম তাই মুহুর্তেই খবর পৌছে যায় কলেজে, কলেজ থেকে স্থানীয় বিএনপি ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে। সেদিন কোন দলমতের ভেদাভেদ না করে আমি সহ বাকী পাঁচজনকেই নিজ দায়ীত্বে ছাড়িয়ে এনেছিলেন জনাব খান মোশাররফ সাহেব। এমনকি তিনি আউয়াল দারগাকে আমাদের সামনেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছিলেন আমাদের মত নিষ্পাপ ছাত্রদের কেন গ্রেফতার করা হয়েছিল! সেদিনের সেই মহানুভবতা আমাকে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তুলেছিল।

তাই কোন দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে নয় একজন মানুষ হিসাবেই খান মোশাররফের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন, আমীন!

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ